তারানা হালিম মন্ত্রী হয়ে যোগ দেয়ার পর তিনি যে শক্ত হাতে কাজটি করছেন তার তুলনা নেই। অনেকেই চাইবেন না তার এই উদ্যোগ সফল হোক। কিন্তু দেশের বৃহত্তর স্বার্থে আমি চাই, তিনি এই কাজে সফল হন। দেশ অনেকটা পথ এক ধাপে এগিয়ে যাবে। তবে জনমনে দ্বিধার জন্ম হয়েছে যখন মিডিয়াগুলো প্রকাশ করেছে যে, মোবাইল অপারেটরগুলো প্রতিটি গ্রাহকের আঙ্গুলের ছাপ নিজেদের ডাটাবেজে সংগ্রহ করছে। কিন্তু বিটিআরসি এবং সরকার বার বার বলছে যে, আঙ্গুলের ছাপ সংরক্ষণ করা যাবে না।
এই দুই অবস্থানের কারণে মানুষ কনফিউজ হয়েছে। বিটিআরসির মতো আমিও বিশ্বাস করি, গ্রাহকের আঙ্গুলের ছাপ সংরক্ষণ করার অধিকার মোবাইল অপারেটরদের নেই। তাদের বলা হয়েছে নির্বাচন কমিশনের তৈরি করা যে জাতীয় পরিচয়পত্র ডাটাবেজ আছে, তার সঙ্গে অনলাইনে ম্যাচিং করা যাবে। সংরক্ষণ করা যাবে না। সংরক্ষণ করার অধিকার কেবল রাষ্ট্রের।
একজন গ্রাহকের অতি ব্যক্তিগত তথ্য তার অনুমতি ছাড়া যেমন সংগ্রহ করা যাবে না এবং সেটা সংরক্ষণও করা যাবে না। আর সেটা যদি কোনদিন প্রকাশিত হয়ে যায়, তাহলে সেই প্রতিষ্ঠানকে অনেক বেশি জরিমানা গুনতে হবে। মোবাইল কোম্পানিগুলোর কাজ হলো, তারা একটি মেশিন দিয়ে আঙ্গুলের ছাপটি নেবে এবং সেটা তাৎক্ষণিকভাবে জাতীয় ডাটাবেজের সঙ্গে মিলিয়ে দেখবে। যদি মিলে যায় তাহলে তার সিমটি রেজিস্ট্রেশন করে দেবে।




0 Comments: