পঞ্চইন্দ্রিয় দ্বারা আমরা মানুষেরা রূপ, রস, গন্ধ, শব্দ, স্পর্শ এ পঞ্চগুণের উজ্জীবিত ও সজীব জীবনের উপস্থিতি লাভ করি আমাদের মানব জীবনে। এই রূপ, রস, গন্ধ, শব্দ, স্পর্শ দ্বারা জীবনের সকল সুখ খুঁজে বেড়াই, পূরণ করার চেষ্টা করি ষড়রিপু’র দাবীসমুহকে। আর শাস্ত্রসমূহ মানবজাতিকে শিক্ষা দান করেছেন ‘সংযম’ শিক্ষার মাধ্যমে নিজ পঞ্চ ইন্দ্রিয়কে নিয়ন্ত্রণ করার শিক্ষা লাভ করে সারা বছর ব্যাপী ষড়রিপু’কে দমন করে একটি সুন্দর এবং সুস্থ মানব জীবন পরিচালনার সামর্থ্য অর্জন করার জন্য।
সাধকের প্রাথমিক সর্বপ্রথম এবং সর্বপ্রধান শিক্ষা হল ভোগস্পৃহা নিয়ন্ত্রণ করে দেহমনকে ত্যাগের মন্ত্রে উদ্বুদ্ধ করে তোলা। আর তাই সাধনা মূল বিষয় ‘সংযম’ এবং ‘ত্যাগ’। একজন স্বাভাবিক মানুষের পাঁচটি ইন্দ্রিয় রয়েছে এ কথা আমরা সবাই জানি। ইন্দ্রিয়গুলো হলো--- কর্ণ, নাসিকা, জিহ্বা, চক্ষু ও ত্বক। আর রয়েছে ‘ষড়রিপু’ অর্থাৎ মানুষের চরম ও প্রধান ছ'টি শত্রু হ'ল ---- কাম, ক্রোধ, লোভ, মোহ, মদ ও মাৎসর্য। সমস্ত আধ্যাত্মিক শিক্ষার মূল শিক্ষা হল এই পঞ্চ ইন্দ্রিয়কে নিয়ন্ত্রণ করার মাধ্যমে এই ষড়রিপু’কে ধ্বংস করা।
অথচ বাস্তবে কি হচ্ছে? আজ আমরা জীবিকার প্রতিটি টাকা 'ভোগ'-এর পিছনে হিসাব করে খরচ করছি পরিকল্পনা করে। দান করছি কই! দান-খয়রাত করতে গেলে আগে দেখি মানিব্যাগে খুচরা টাকা-পয়সা আছে কি না, আর তার মধ্যে ময়লা-ছেঁড়া থাকলে আরও সুবিধা হয়। কিন্তু ভোগের বেলায়, শরীর-মনের উত্তেজনাকারী খাদ্য-পানীয় নিত্য উদরসাৎ করছি মহোৎসাহে। যে পরিমাণ ভোগ-বিলাস আর অপচয়-অপব্যায়ে আমরা মত্ত হই তা আমাদের সংযম শেখায় না, শেখায় না ষড়রিপুকে দমন করার কৌশল। বরং বিপরীতটাই আমাদের অবচেতনে শিকড় গেঁড়ে বসে যাচ্ছে, আর পরবর্তী প্রজন্মকে শিখাচ্ছে ------ 'খাও, পিয়ো অউর মৌজ কারো’। তথাকথিত প্রগতিশীলতা এবং আধুনিকতার দোহাই দিয়ে ষড়রিপু চরিতার্থ করতে সমাজে আজ যা হচ্ছে তা থেকে ধর্মগ্রন্থ আমাদের কতটুকু বিরত রাখতে সক্ষম হচ্ছে আর আমরাই বা কতটুকু শিক্ষা নিচ্ছি?
আধুনিক ফার্স্টফুড আর ব্র্যান্ড ফুডকোর্ট, নাইটক্লাব ও বার, ডিস্কোথেকগুলো ব্যবসার পসরা বসিয়েছে 'প্রগতিশীলতা এবং আধুনিকতা' নামেরর দুই অনুষঙ্গকে ঘিরে। যেখানে মানবিক ও লৌকিক অনেক মৌলিক নীতি ও বিধি লঙ্ঘনের সাথে সাথে চলছে 'অপচয় আর অপব্যায়’ যা ‘সংযম’ আর ‘ত্যাগ’ এর সম্পূর্ণ বিপরীত ব্যবহার।
সবশেষে কি আর বলব? অত্যন্তঃ দুঃখের সাথে কাতর আবেদন জানাচ্ছি আসুন, সুস্থ্য জীবন ও সুন্দর সমাজ গড়তে --- মন্ত্র-দীক্ষা গ্রহণ করুন, সাধুসঙ্গ করুন, গীতা পাঠ করুন, প্রকৃত শিক্ষা অর্জন করুন, আত্মজ্ঞান লাভ করে অন্যকে পথ দেখান। নিজের পঞ্চ ইন্দ্রিয়ের নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে ষড়রিপু’কে দমন করার কৌশল আয়ত্ত করে সারা বছর জুড়ে একটি সুখী এবং সুন্দর জীবন গড়ার শিক্ষা নিই শ্রী গুরুর কৃপায়। শ্রী গুরুর কৃপা সবার জন্য কল্যাণকর হোক্ --- এই কামনায় শেষ করলাম
সাধকের প্রাথমিক সর্বপ্রথম এবং সর্বপ্রধান শিক্ষা হল ভোগস্পৃহা নিয়ন্ত্রণ করে দেহমনকে ত্যাগের মন্ত্রে উদ্বুদ্ধ করে তোলা। আর তাই সাধনা মূল বিষয় ‘সংযম’ এবং ‘ত্যাগ’। একজন স্বাভাবিক মানুষের পাঁচটি ইন্দ্রিয় রয়েছে এ কথা আমরা সবাই জানি। ইন্দ্রিয়গুলো হলো--- কর্ণ, নাসিকা, জিহ্বা, চক্ষু ও ত্বক। আর রয়েছে ‘ষড়রিপু’ অর্থাৎ মানুষের চরম ও প্রধান ছ'টি শত্রু হ'ল ---- কাম, ক্রোধ, লোভ, মোহ, মদ ও মাৎসর্য। সমস্ত আধ্যাত্মিক শিক্ষার মূল শিক্ষা হল এই পঞ্চ ইন্দ্রিয়কে নিয়ন্ত্রণ করার মাধ্যমে এই ষড়রিপু’কে ধ্বংস করা।অথচ বাস্তবে কি হচ্ছে? আজ আমরা জীবিকার প্রতিটি টাকা 'ভোগ'-এর পিছনে হিসাব করে খরচ করছি পরিকল্পনা করে। দান করছি কই! দান-খয়রাত করতে গেলে আগে দেখি মানিব্যাগে খুচরা টাকা-পয়সা আছে কি না, আর তার মধ্যে ময়লা-ছেঁড়া থাকলে আরও সুবিধা হয়। কিন্তু ভোগের বেলায়, শরীর-মনের উত্তেজনাকারী খাদ্য-পানীয় নিত্য উদরসাৎ করছি মহোৎসাহে। যে পরিমাণ ভোগ-বিলাস আর অপচয়-অপব্যায়ে আমরা মত্ত হই তা আমাদের সংযম শেখায় না, শেখায় না ষড়রিপুকে দমন করার কৌশল। বরং বিপরীতটাই আমাদের অবচেতনে শিকড় গেঁড়ে বসে যাচ্ছে, আর পরবর্তী প্রজন্মকে শিখাচ্ছে ------ 'খাও, পিয়ো অউর মৌজ কারো’। তথাকথিত প্রগতিশীলতা এবং আধুনিকতার দোহাই দিয়ে ষড়রিপু চরিতার্থ করতে সমাজে আজ যা হচ্ছে তা থেকে ধর্মগ্রন্থ আমাদের কতটুকু বিরত রাখতে সক্ষম হচ্ছে আর আমরাই বা কতটুকু শিক্ষা নিচ্ছি?
আধুনিক ফার্স্টফুড আর ব্র্যান্ড ফুডকোর্ট, নাইটক্লাব ও বার, ডিস্কোথেকগুলো ব্যবসার পসরা বসিয়েছে 'প্রগতিশীলতা এবং আধুনিকতা' নামেরর দুই অনুষঙ্গকে ঘিরে। যেখানে মানবিক ও লৌকিক অনেক মৌলিক নীতি ও বিধি লঙ্ঘনের সাথে সাথে চলছে 'অপচয় আর অপব্যায়’ যা ‘সংযম’ আর ‘ত্যাগ’ এর সম্পূর্ণ বিপরীত ব্যবহার।
সবশেষে কি আর বলব? অত্যন্তঃ দুঃখের সাথে কাতর আবেদন জানাচ্ছি আসুন, সুস্থ্য জীবন ও সুন্দর সমাজ গড়তে --- মন্ত্র-দীক্ষা গ্রহণ করুন, সাধুসঙ্গ করুন, গীতা পাঠ করুন, প্রকৃত শিক্ষা অর্জন করুন, আত্মজ্ঞান লাভ করে অন্যকে পথ দেখান। নিজের পঞ্চ ইন্দ্রিয়ের নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে ষড়রিপু’কে দমন করার কৌশল আয়ত্ত করে সারা বছর জুড়ে একটি সুখী এবং সুন্দর জীবন গড়ার শিক্ষা নিই শ্রী গুরুর কৃপায়। শ্রী গুরুর কৃপা সবার জন্য কল্যাণকর হোক্ --- এই কামনায় শেষ করলাম




0 Comments: