একদিকে বিজ্ঞানীগণ গভীর গবেষণা , চিন্তা চর্চা ও কষ্টের মাধ্যমে যেগুলি আবিষ্কার সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে যাচ্ছে । তারা যতই উন্মুক্ত করতেছে ততই সর্বসাধারণ অলস হইতেছে আর ওই আবিষ্কারের অপব্যবহার করছে ।
সর্বসাধারণের দুর্দশা দেখে বিজ্ঞানী অথবা আধ্যাত্মিক জ্ঞানী কারো মনেই মানে না সবারই মন চায় সর্বসাধারণের জন্য কিছু করি !
আধ্যাত্নিক জ্ঞানীগণ সাধকগণ অনেক কষ্টের, দীর্ঘ সময়ের সাধনার দ্বারা অবগত হওয়া আধ্যাত্মিক জ্ঞানের ভান্ডার কে ছরিয়ে দিয়ে যাচ্ছে সর্বসাধারণের মঙ্গলের জন্য কল্যাণের জন্য ।
যতই ছড়িয়ে দিতেছে ততই সর্বসাধারণ বোকার মত হচ্ছে আর ওই জ্ঞানের অপব্যবহার করছে ।
ওইসব পবিত্র মতবাদ কে নিয়ে তর্কাতর্কি করছে ফেতনা ফাসাদ করছে ।
এটা এভাবে নয় , ওটা এভাবে নয় , এটা এভাবে !
তর্ক বিতর্ক কেন !
একবার নিজেই সাধনপথে গিয়ে দেখো ।
যাচাই কর !
ওইখানে কি আছে !
নিজে অবগত হও !
তখনই তর্ক বিতর্ক বন্ধ হবে ! প্রকৃত শান্তি ছড়িয়ে পরবে ।
যদি ওই দুই দলের কেউই প্রকাশ না করতো ।
শুধুমাত্র নিজের চিন্তা নিজেই করতো ।
তাহলে কি ওনাদের জীবন চলত না ?
বা ওনাদের কোনো ক্ষতি হয়ে যেত ?
---না !
ওনারা সবাই সর্বসাধারণের মঙ্গল কামনা করতেছে , কল্যাণ কামনা করছে ।
কিন্তু সর্বসাধারণ কতটা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছে তাদের কাছে ?
কৃতজ্ঞতা মুখের ভাষা দিয়ে নয় কর্ম দিয়ে প্রকাশ করতে হয় !
আমরা কি একটু ভেবেছি ওনাদের মনের আশা কতটা পূরণ করছি ?
একবার কি ভেবে দেখা উচিত নয়
জনগণ হিসাবে আমরা কতটা লাভবান হতে পেরেছি ?
কেন আমরা লাভবান হই না ?
ওনারা নিঃস্বার্থভাবে সর্বসাধারণের মঙ্গল কামনা করতেছে !
সর্বসাধারণের কি উচিত নয় ওনাদের থেকে আসা বাহ্যিক জ্ঞান ও আধ্যাত্মিক জ্ঞান কে সঠিক পথে কাজে লাগানো ???
একবার কি ভেবে দেখা উচিত নয় এত কষ্টের ফসল আমরা অপচয় করছি নাতো !
অপব্যবহার করছি নাতো !
এত কষ্টের ফসল আমাদেরকে দিচ্ছে এতে ওনাদের লাভ কি ?
আরে !
ওনাদের লাভ তো সর্বসাধারণের লাভের মধ্যে নিহত !
কথা --- নুরুল ইসলাম !
ভালো লাগলে শেয়ার করে কথাটি কে প্রচার করতে সাহায্য করুন




0 Comments: