আল্লাহ পাকের মাইর" দুনিয়ার বাইর" (আল্লাহ পাক সর্বশক্তিমান) কথাটা আজ আবারও মনে পড়ে গেল.!
-----------------------

এই ইহুদীবাদী সন্ত্রাসী ইসরায়েল ফিলিস্তিনিদেরকে তো একের পর এক হত্যা করে পবিত্র ভুমি দখল করছেই সাথে সারা বিশ্বের মুসলিমদের নিধনের জন্য আমেরিকার সাথে চক্রান্ত করে যাচ্ছে এমনকি সিরিয়া, লিবিয়া, ইরাক, ইয়ামেন, পাকিস্থান, লেবানন, ইন্ডিয়া, আফগানস্থান সহ সারা বিশ্বের মুসলমানদের একের হত্যা করে যাচ্ছে। নাউজুবিল্লাহ.! এবং মুসলমানদের সম্পদ দখল করে লুটপাট করে নিয়ে যাচ্ছে।

শুধু মুসলমান দেশ নয় সারা বিশ্বের অশান্তির জন্য দায়ী এই ইহুদীবাদী রাষ্ট্র ইসরায়েল। আমেরিকার সাথে বসে বিশ্বকে অবৈধ নেতৃত্ব দেয়ার জন্য চক্রান্ত করে যাচ্ছে। সেই কারনেই #এডলফ_হিটলার আগে থেকেই আচ করতে পেরেছিলেন যে এইসব ইহুদিরা সারা বিশ্বকে একদিন অশান্তিতে ফেলবে এবং বিশ্বকে অস্থিতিশীল করে ক্ষমতার মসনদে বসে প্রভুত্ব দাবি করবে। সেজন্যই এডলফ হিটলার ইহুদী নিধন করেছিল। যদিও হিটলার পুরোপুরি সফল হতে না পারার কারনে আজ এই সন্ত্রাসী ইহুদী রাষ্ট্র ইসরায়েল সারা বিশ্বকে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি করে তুলেছে।
দুঃখের সাথে বলতে হচ্ছে মুসলমানরা আজ সম্মানিত দ্বীন ইসলামের সাম্প্রদায়িকতা ভুলে অসাম্প্রদায়িক হয়েছে বিধায় এইসব ইহুদী কাফির মুশরিকরা মুসলমানদের জুলুম অত্যাচার হত্যা সহ মুসলমানদের সম্পদ জমিন লুটপাট করেই চলেছে। আর মুসলমানরা তাকিয়ে তাকিয়ে তামাশা দেখছে।
এই ইসরায়েল নামক ইহুদী সন্ত্রাসীরা এক সময় খালি পায়ে হাত করজোড় করে ফিলিস্তিনিদের কাছে সাহায্য ভিক্ষা চেয়ে আশ্রই পার্থনা করেছিল। এবং মুসলমানরা সাম্প্রদায়িকতা ভুলে ইহুদীদের আশ্রয় দিয়েছিল। ফলে আজ তাদের হাতেই মুসলমানদের মার খেতে হচ্ছে লাঞ্ছিত অপমানিত হতে হচ্ছে। উড়ে এসে জুড়ে বসে ফিলিস্তিনিদের ভুখন্ড দখল করে পবিত্র স্থানকে অপবিত্র করে তুলছে। এর দায়ভার আজ মুসলমানদেরকেই নিতে হবে। কারন মুসলমানরা তাদের সম্মানিত দ্বীন ইসলাম ভুলে অসাম্প্রদায়িক হয়ে তাদের সাহায্য করেছিল। যেখানে পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফে ইরশাদ মুবারক আছে.,
"কাফির মুশরিক ইহুদীরা মুসলমান উনাদের প্রকাশ্য শত্রু"
যেখানে আল্লাহ পাক বলে দিয়েছেন যে ওরা আমাদের প্রকাশ্য শত্রু সেখানে আমরা কিভাবে তাদের সাথে বন্ধুত্ব স্থাপন করি? এটা আমার মাথায় আসে না। কারন মুসলিম এবং সাম্প্রদায়িক।

আজ এইসব ইহুদী কাফির মুশরিকদের বিরুদ্ধে মুসলমানদের জিহাদ ঘোষনা করা ফরজ হয়ে গেছে। কিন্তু মুসলমানরা ইমানি শক্তি হারিয়ে সাম্প্রদায়িকতা ভুলে অসাম্প্রদায়িক জাতীতে পরিনত হওয়ার কারনে একতাবদ্ধ হতে পারছেনা বিধায় কাফির মুশরিকরা মুসলমানদের জুলুম অত্যাচার হত্যা সম্পদ লুটপাট সহ জমিন দখল করছে। আর মুসলমানরা অবয়ব নয়নে তাকিয়ে দেখছে। নাউজুবিল্লাহ.!
তবে হ্যাঁ এই পরিস্থিতে কেউ কাফির মুশরিকদের বিরুদ্ধে কথা না বললেও যামানার লক্ষ্যস্থল ওলীআল্লাহ, খলিফাতুল্লাহ, খলিফাতুর রসুলুল্লাহ, যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, ইমামুল আইম্মাহ, মুহ্ইউস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে আ’যম, ক্বইয়ূমুয যামান, জাব্বারিউল আউওয়াল, ক্বউইয়্যূল আউওয়াল, সুলত্বানুন নাছীর, হাবীবুল্লাহ, জামিউল আলক্বাব, মুজাদ্দিদ আ'যম, আস-সাফফাহ, আওলাদে রসূল,
মাওলানা সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম
উনি ঠিকিই কুলকায়িতের মাঝে #সাইয়্যিদুলআইয়্যাদশরীফ পালন করে প্রতিদিন কাফির, মুশরিক, ইহুদী, বেদুইন বুদ্দীন, ওলামায়ে ছু, মুনাফিকদের বিরুদ্ধে কঠিন বদদোয়া করে যাচ্ছেন। সুবহানা মামদুহ মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম.!
যাতে করে এরা চিরতরে ধংস হয়ে যায়, নিস্তানাবুদ হয়ে যায়, দুনিয়া থেকে বিলীন হয়ে যায়, পথের ফকির হয়ে যায়। নাউজুবিল্লাহ.!

উনারই দোয়ার ফল স্বরুপ আজ আল্লাহ পাক উনার গজবে কাফির মুশরিকরা ধংস হয়ে যাচ্ছে, নিস্তানাবুদ হয়ে যাচ্ছে। তার জলজান্ত প্রমান ইসরাইল আজ ধংসের দারপ্রান্তে। এই সন্ত্রাসী ইহুদীরা প্রতিনিয়ত ভিক্ষা কামনা করে যাচ্ছে। ৫০০ কেন কোটি কোটি প্লেন হেলিকপ্টার দিয়ে পানি দিলেও ইসরায়েল এর এই আগুন নেভানো সম্ভব না। কেননা এটা আল্লাহ পাক প্রদত্ত গজব। মুসলমান উনাদের উপর জুলুম অত্যাচার করার ফল স্বরুপ।
সারা বিশ্বের মুসলমানদের উচিৎ আর দেরি না করে শিঘ্রই জামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, খলিফাতুল্লাহ, খলিফাতুর রসুলিল্লাহ, মুজাদ্দিদে আ'যম, ইমাম-উল উমাম আলাইহিস সালাম উনার ক্বদম মুবারকে এসে বায়াত গ্রহন করে উনার দেখানো নির্দেশনা অনুযায়ী আমল করা এবং কাফির মুশরিকদের বিরুদ্ধে জিহাদের জন্য প্রস্তুতি গ্রহন করা। তাছাড়া মুসলমানদের পতন নিশ্চিত।
যুগে যুগে আল্লাহ পাক ওলিআল্লাহ, গাউস কুতুব পাঠিয়ে মুসলমান উনাদের হেফাজত করেন। যেমন পবিত্র সম্মানিত হাদিস শরীফে ইরশাদ মুবারক আছে,
عَنْ أَبِى هُرَيْرَةَ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ إِنَّ اللَّهَ عز وجل يَبْعَثُ لِهَذِهِ الأُمَّةِ عَلَى رَأْسِ كُلِّ مِائَةِ سَنَةٍ مَنْ يُجَدِّدُ لَهَا دِينَهَا
" নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক তিনি প্রতি হিজরী শতকের মাথায় একজন মুজাদ্দিদ (সংস্কারক) প্রেরণ করে থাকেন, যিনি দ্বীনের তাজদীদ (সংস্কার) করেন।” (আবূ দাউদ শরীফ)। সুবহানআল্লাহ..
তাই আসুন আর দেরি না করে দলে দলে দলমত ভুলে জামানার মুজাদ্দিদে আ'যম ইমাম-উল উমাম আলাইহিস সালাম উনার ক্বদম মুবারকে এসে বায়াত গ্রহন করে দ্বীনের সহীহ জ্ঞান অর্জন করে সঠিক ইসলাহ অর্জন করি। এবং সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার খিদমাত করি।




0 Comments: