মানুষের যা কিছুই ঘটক বা যা কিছুই চাওয়া পাওয়ার আছে তা সকলই দেহের সাথে সম্পর্ক

মানুষের যা কিছুই ঘটক বা যা কিছুই চাওয়া পাওয়ার আছে তা সকলই দেহের সাথে সম্পর্ক


মানুষের যা কিছুই ঘটক বা যা কিছুই চাওয়া পাওয়ার আছে তা সকলই দেহের সাথে সম্পর্ক। আর আল্লাহ রাসুলের বেলায় ত আরও কঠুর নির্দেশ যেমন -মান আরাফা নাফসা হু ফাকাদ আরাফা রাব্বাহু। আর এই সত্যটাকে সঠিক নির্ণয় করার জন্যে পীর,গুরু,মুর্শিদ ও ওস্তাদ ডে যাই বলেন তার কাছে যাওয়া। আর এখানে প্রশ্ন হল গুরুই কি মানব সভ্যতার জন্যে সব নাকি আরও আনুসাঙ্গিক কিছু আছে যাহা বাধ্যতামূলক? যে জিনিসগুলি বাধ্যতামূলক তা হল প্রথমে বাবা মা পরে স্বামী স্ত্রী ও ছেলেমেয়ে এর পরে প্রতিবেশী। তবে যদিও গুরু পথপ্রদর্শক হয় কিন্তু গুরুকে কখনই সহধর্মী বা সহধর্মিণী বলে না আর একমাত্র স্বামী স্ত্রীকে সহধর্মী বা সহধর্মিণী বলা হয়। তাই গুরুর নির্দেশেও যদি আপনি ধর্ম পালন করেন তবুও সহধর্মী বা সহধর্মিণী তারাই। তাই আপনি আপনার সকল কিছুরি সমান অংশীদার দুজনেই। আর আপনার সত্য মিথ্যার যাচাই এই দুজনের মাঝেই। কারন একে অন্যের অর্ধাংশ। এই দুই যতদিন এক না হবে ততদিন ভাল মন্দ বুঝার সুনসিব হয়ত ভাগ্যে নাই। কারন যতদিন আপনি অর্ধাংশ রইলেন ততদিন আপনি কি করে পূর্ণাঙ্গ মানুষ দাবি করবেন? আর সে অর্ধেক মানুষই নিজেকে কত জ্ঞানি গুনি ও সেরা মনে করি! আর যতদিন এই অর্ধাংশ ও পূর্ণাঙ্গ বুঝ না আসবে ততদিন মানুষে ইসলামের কোন ভেদ বুঝবে না। আমি জানি আমার এই কথার মাঝে কিছ লোক মনে করবে তা নারি লোভি কথা। অপ্রিয় হলেও সত্যি যে,নারি পুরুষের প্রেমের চেয়ে সেরা প্রেম কাহিনি জগতে নাই। কারন পৃথিবীর যত প্রেম কাহিনি সবই নারি পুরুষেরই। যদি কোন মানুষে আমার কথাগুলি মনযোগের সাথে পড়ে তবেই কিছু বুঝা সম্ভব। তার মানে এই না যে,এখানে পীর মুর্শিদ কে ছোট করা বরং যে পীর মুর্শিদ আপনাকে আপনার স্রষ্টার নৈকট্যের জন্যে আপনারই নিকটে প্রেরন করলেন বরং ওনি সর্বোত্তম পথপ্রদর্শক হলেন। কেননা যে আপনি একা গুরুর খেদমত করতেন সেখানে দুজন করবে। পৃথিবীর সকল মানুষই নিজে নিজের জন্যেই পাগল আর এই নিজের অর্ধেক অংশ ছাড়া আমরা কখনই পুরিপূর্ণ নই। তাই এর ভিতরেই ইসলামের যত রহস্য।
আরও একটা কথা আছে যে ঘরের খবর জানে না সে দুনিয়ার কিছুই জানে না। তাই আগে গুরুর কাছে জানেন পরে মানেন নতুবা কিছুই করা হবে না।
জয় মুহাম্মদীয়া ইসলামের
জয় উম্মতে রাসুলের।


0 Comments: