হু এর শেকেল-সুরত-নকশা দেখলেই এর হাকিকত অনুধাবন করা যায়। হু এর শেকেল ডিমের ন্যায়। ডিমের পাঁচটি স্তর থাকে।এই পঞ্চস্তরকেই তানাজ্জুলাতে খামসা বলা হয়। ইহা পার্থিব কোনো ডিম নয়। ইহা সৃষ্টির মূল ডিম। ইহাকেই নুক্তা বলা হয়।মাওলা আলী বলেনঃ আনা নুক্তাতু তাহতা বায়ে(আমিই বে হরফের নুক্তা)।
এই নুক্তাটাই সৃষ্টির মূলবিন্দু। হু-ই সেই নুক্তা। এই ডিমের পঞ্চস্তরে পাক পাঞ্জাতনের জাত বিদ্যমান। একদম ভেতরের স্তরে খাক,তার চতুর্দিকে আব,তার চতুর্দিকে আতশ,তার চতুর্দিকে বাদ,তার চতুর্দিকে নূর বেষ্টিত। এভাবে একটি স্তরকে বেষ্টন করে আরেকটি স্তর থাকে। সৃষ্টির এরাদা হলে সেই ডিম ফেটে সৃষ্টির সূচনা হয়। সম্ভবত হিন্দু শাস্ত্রে সরাসরি এই ডিমের কথাটি উল্লেখিত আছে। পঞ্চ জাতের একীভূত ডিম অবস্থা হতে প্রথমে নূর আলাদা হয়, দ্বিতীয়তে বাদ আলাদা হয়,তৃতীয়তে আতশ আলাদা হয়,চতুর্থতে আব আলাদা হয়,পঞ্চমে খাক প্রকাশিত হয়। এভাবে তানাজ্জুলাতে খামসা হয়। ডিম ফুটে পঞ্চ শক্তির প্রকাশ ঘটে। এই ডিম ফোটার বিষয়টিই আধুনিক বিজ্ঞানে "Big Bang Theory" বা "মহাবিস্ফোরণ তত্ত্ব" নামে পরিচিত।


0 Comments: