হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ (তাঁর উপর মহান আল্লাহ পাক-উনার রহমত বর্ষিত হোক)

হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ (তাঁর উপর মহান আল্লাহ পাক-উনার রহমত বর্ষিত হোক)


হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ (তাঁর উপর মহান আল্লাহ পাক-উনার রহমত বর্ষিত হোক) এর দুটি কাজের সৌভাগ্য যার সাথে তুলনা করার মতো কিছুই নাই।





১) রাসূলে পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার রওজা শরীফ এর ভেতরে ঢুকে রাসূলে পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার কদম মুবারক এর মাটি স্পর্শ আর দোয়া করা।





২) তিন তিন বার পবিত্র ক্বাবা শরীফের ভেতর ঢুকে নামাজ আদায় করা।





আমরা সবাই গোনাহগার, কেউ প্রকাশ্যে কেউ গোপনে, কিন্তু সবার ভালো কাজ সমান না। এমন কিছু কাজ আছে যা সারা জিবনের সমস্থ গুনাহ কে নেকিতে পরিনত করা চুটকির ব্যপার, সবার তা নসিব হয়না।





উনি আলেম ছিলেন না, ধর্মীয় পণ্ডিত ছিলেন না, খলিফাও ছিলেন না, তার পরেও উনি নিচের কাজগুলি করেছিলেন ইসলামের জন্যঃ





উনি ইসলামকে বাংলাদেশের রাষ্ট্রধর্ম করেছিলেন।
উনি শুক্রবারকে ছুটির দিন ঘোষণা করেছিলেন।
উনি মসজিদ মাদ্রাসার বিল মওকুফ করেছিলেন।
উনি টিভিতে আজান প্রচারের নিয়ম করেছিলেন।
উনি উপজেলা পদ্ধতি চালু করেছিলেন।
উনি গুচ্ছগ্রামের প্রবর্তন করেছিলেন।
উনি দেশ মাতৃকার একজন গর্বিত সাবেক সেনাপ্রধান।
উনি এদেশের নয় বছরের সাবেক সফল প্রেসিডেন্ট।
উনার নয় বছরের শাসনামল এদেশের উন্নয়নের স্বর্ণযুগ ছিল।
উনার শাসনামলে দূর্নীতি, ধর্ষণ, খুন, রাহজানি, প্রকাশ্যে কোপাকুপি, এগুলো দুরহ ছিল।
উনার আমলেই মানুষ শান্তিতে নিরাপদ জীবন যাপন করেছিল।
উনিই বলেছিলেন, ' ৬৮ হাজার গ্রাম বাচলে বাংলাদেশ বাচবে '।
উনি হলেন পল্লিবন্ধু আলহাজ্জ্ব হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ (আল্লাহ পাক তাঁর উপর রহমত বর্ষণ করুন)।





জীবনের শেষ প্রান্তে এসে সিএমএইচ হসপিটালের আইসিইউতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। আজ থেকে উনি আমাদের মাঝে থাকবেননা। কিন্তু এই দেশের জন্য উনার অবদানগুলো থেকে যাবে, ৬৮ হাজার গ্রাম বাংলার প্রতিটি প্রান্তরে।





ভালো মন্দ মিলেই মানুষ…………………………!!! আজ তিনি ফলাফলের জায়গায় চলে গেছেন, এর পরেও দোওয়া করি আল্লাহ পাক আপনার জীবণের সমস্ত গোনাহখাতা মাফ করুন। কবরের সওয়াল জওয়াব সহজ করে দিয়ে আপনাকে জান্নাত নসীব করুন। আমীন!!!


0 Comments: