✋আমাদের একটি মাত্র উপায় যদি হযরত খাজা বাবা (কঃ) কে রাজী করা যায় ভারতের হিন্দুরা নিশ্বাস বন্ধ হয়ে মরবে আর বাংলাদেশ তথা সারা বিশ্বের জন্য যদি হযরত গাউসুল আযম মাইজভাণ্ডারী (কঃ) কে রাজী করা যায় তাহলে তারা মুসলিম হয়ে গোলামি শুরু করবে, এমন ছখারাত তাদের ভিতরে শুরু হয়ে যাবে, যা উপরে দেখা যাবে না, ডাঃ রোগ খুজে পাবে না। রমেশ শীল ও মনমোহন দত্ত অনেক চেয়েছিল মাইজভাণ্ডারী কল থেকে বের হবার জন্য আজীবন চেষ্টা করেও বের হতে পারে নাই। অতঃপর লিখে গেলেন, সেই কলের মর্ম বুঝে যে জন কলে পড়েছে এক ভাবিয়া এক বুঝিয়া একের ঘরে গিয়াছে। আওয়াল আখের ঠিক হয়েছে কোন চিন্তা নাই আর তার। ভান্ডারেতে আজগবি কারবার, মানুষ ধরা কল বসাইল দেখবি গেলে মাইজভাণ্ডার। কলে ধরা যে পড়েছে তার চরণে নমস্কার ভান্ডারেতে আজগবি কারবার। কত মওলানার পরনের কাপড় পর্যন্ত খুলে পড়ে গিয়েছিল কারো ক্ষমতা নাই পরনের কাপড় ধরে রাখার। আরো বলেন জন্ম মরণ সৃজন পালন ভান্ডারীর হুকুমে হয় ভান্ডারেতে ভান্ডারীর উদয়। আমাদের একটি উপায় হযরত বা বিশ্ব অলিকে রাজী করতে পারলে সকল বিধর্মীরা মুসলমান না হয়ে বাচতে পারবে না। তার জন্য আমাদেরকে নৈতিক ভাবে উপযুক্ত হতে হবে। এমনে আল্লাহকে সারা জীবন বললেও আল্লাহর দরবারে কবুল হবে না আর যখনি আল্লাহর প্রিয় মাহবুব রাজী হবে তখন আল্লাহও রাজী হয়ে যাবে সাথে সাথে খেলা শুরু হয়ে যাবে। তাই বিধর্মীর গণকেরা বলে তোমরা আল্লাহর নিকট হাজার নালিশ কর আমার বিরুদ্ধে তাতে আমি ভয় করি না। আমি ভয় করি কোন ব্যক্তি যদি অলির দরবারে নালিশ করে। কারণ তাতে আমার নিশ্চিত মৃত্যু হবে আর মৃত্যু না হলেও মরণ যন্ত্রণা ভোগ করতে হবে সারাজীবন ইহা পরীক্ষিত আমার পূর্ব পুরুষরা অনেকেই মৃত্যু ও ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছিল, তাই প্রত্যেক দেশে বিধর্মীরা অলি আবদালকে ভয় পাই। খাজা বাবার সাথে বেয়াদবি করার কারণে পৃত্বিরাজের পথন ও ধ্বংস হয়। হিন্দুরা খাজা বাবাকে খুব বেশি ভয় পাই তাদের ঔষুধ সেখানে রয়েছে উলুঠ পালুঠ।




0 Comments: