লেন শাহ্ সুফি বাবা রমেশ শীল আল মাইজভান্ডারী (রহঃ)।

লেন শাহ্ সুফি বাবা রমেশ শীল আল মাইজভান্ডারী (রহঃ)।


এই কথা গুলো শুনার কেউ আছে কি?





গাউসুল আজম শাহ্ সুফি সৈয়দ বাবা গোলামুর রহমান আল আছানী মাইজভান্ডারী (রহঃ)-এর পরম ভক্ত ও খলিফা ছিলেন শাহ্ সুফি বাবা রমেশ শীল আল মাইজভান্ডারী (রহঃ)।





বাবা রমেশ শীল একজন একনিষ্ঠ গুরু ভক্ত হবার পাশাপাশি নিজ গুরু কৃপায় তিনি একজন উঁচু স্তরের কবিয়াল, গীতিকার ও বাউল গায়ক শিল্পীও ছিলেন।
গাউসুল আজম শাহ্ সুফি সৈয়দ আহমদ উল্লাহ শাহ ও শাহ্ সুফি সৈয়দ বাবা গোলামুর রহমান মাইজভান্ডারী (রহঃ)-এর শান মানের উপর তাঁর লিখিত ও গাওয়া গান দেশের গন্ডি ছাপিয়ে বাবা ভান্ডারী দ্বয়কে নতুনভাবে পরিচয় করিয়েছেন বিশ্বলোকে।





কিন্তু বড় আফসোস! কালের পরিক্রমায় বাবা ভান্ডারীদের বর্তমান প্রজন্মের আউলাদদের কেউ কেউ ফকিরি জগতের এমন আদর্শের বলয়ে অবস্থান করছেন যে, বাবা রমেশ শীলদের মতো ভাবুকেরা আর তাদের ধর্মগন্ডির শত বাঁধা পেরিয়ে তাঁদের কাছে দীক্ষা নিতে আসছে না!





কারন বর্তমান বাবা ও ভান্ডারীদের অধিকাংশরাই তাঁদের পূর্বপুরুষ বাবা আহমদ উল্লাহ শাহ্ ও বাবা গোলামুর রহমান মাইজভান্ডারীর সার্বজনীন ত‍্যাগ ও সাধন মার্গের আদর্শকে পাশ কাটিয়ে গদ্দিনেসিন পীর প্রথার আশ্রয়ে ভোগবাদকে মাথায় তুলে নিয়েছেন।
ফলে তাদের আধ‍্যাত্মিক বা পরমার্থীক দূর্বলতার ফাঁক দিয়ে স্থবির মৌলবাদ খুব কৌশলে প্রবেশ করে বাবা আহমদ উল্লাহ শাহ ও বাবা গোলামুর রহমান মাইজভান্ডারী দ্বয়ের সার্বজনীন সুফিবাদের আদর্শকে মাটি চাপা দিয়ে সুন্নী আলেম সেজে অহাবী মতাদর্শে বিশ্বাসী মৌলবাদী মোল্লারা আধ‍্যাতিকতা বিবর্জিত সাম্প্রদায়িক অহাবী মৌলবাদকেই প্রচার করে যাচ্ছে।





কিন্তু কোনো আধ‍্যাত্মিক জ্ঞানী পুরুষরা যদি বাবা ভান্ডারী সহ সমস্ত গদ্দিনেসিন পীরদের আস্তানায় সুন্নী ছদ্মবেশে লুকিয়ে থাকা গোঁড়া মৌলবাদী মোল্লাদের মুনাফিকী চরিত্রটির গুমর ফাঁস করে দেয়, যেনো ফকিরি জগতের সমস্ত ভক্ত আশেকানরা সেই ছোপা মৌলবাদী মোল্লাদের আসল মুনাফিকী চেহারাটা বুঝতে পারে, ঠিক তখনই ঐ বর্তমান বাবা ভান্ডারীরা সহ অন‍্যান‍্য গদ্দিনেসিন পীরদের ছত্রছায়ায় লালিত পালিত ছোপা অহাবী মৌলবাদী মোল্লারা সেই সমস্ত আধ‍্যাত্মিক মহাপুরুষদেরকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করা এবং শিয়া বলে সাম্প্রদায়িক অপবাদ দিতেও পিছপা হচ্ছে না।
আমার আশঙ্কা হয় যে, এই ভাবে বাবা ভান্ডারীদের দরবার সহ দেশের বিভিন্ন গদ্দিনেসিন পীর ফকিরের দরবার গুলো যদি দুনিয়াবি মাল পানির লোভে মাদ্রাসা প্রোডাকশন মোল্লাদের কাছে সত‍্যিই মাথা বিক্রি করতে থাকে তবে আমি নিশ্চিত যে, সে দিন আর বেশি দূরে নয় যে দিন বাবা আহমদ উল্লাহ শাহ মাইজভান্ডারী, বাবা গোলামুর রহমান মাইজভান্ডারী, বাবা জান শরীফ শাহ্, বাবা আবুল ফজল সুলতান আহমেদদের ফকিরি বিদ‍্যা পরবর্তী প্রজন্মের কাছে ডালিম কুমারের রূপকথার গল্পে পরিনত হবে।
তাই মহান অলীয়ে কামেল গনের বর্তমান আউলাদ গনের প্রতি আমার উদার আহ্বান রইলো, আপনারা মৌলবাদের এহেন চক্রান্ত থেকে নিজেরা অতি শিঘ্রই মুক্ত হোন, এবং আপনাদের পূর্বপুরুষ অলীদের ধ‍্যান সাধনার পথকে মনে প্রাণে আঁকড়ে ধরুন!





(এই কথা গুলো যদি বর্তমান বাবা ভান্ডারীরা সহ সমস্ত তরিকত পন্থি পীরদেরকে জানিয়ে নিজের দ্বায়িত্ব বোধকে কিছুটা হালকা অনুভব করতে চান তবে এই লিখাটি কপি পেস্ট বা শেয়ার করে ছড়িয়ে দিতে পারেন।)


0 Comments: