আজকাল কিছু মানুষ নারী ও মিলন শব্দ শুনলেই বলে উঠে, নারী পিপাসু,

আজকাল কিছু মানুষ নারী ও মিলন শব্দ শুনলেই বলে উঠে, নারী পিপাসু,


যেদিন হতে মানুষ নিজ ঘর ছাড়িয়া
বাইরের মসজিদে সালাত, যাকাতে গেল;
সেদিন হইতেই তার ঘরের শান্তি হারাইল।।





প্রিয় সত্য ধারণে সক্ষম মহানগণ, নিচের লেখাটি না কেউ কোনদিন আগে শুনেছেন না কেউ বলেছেন, মাত্র একজন ছাড়া। খুবই সংবেদনশীল, তাই এখন মেনে নিতে না পারলেও বিবেচনায় রাখবেন, একদিন হয়ত বিশ্বাস করবেন। পুরোটা না পড়ে কমেন্ট না করতে অনুরোধ করা হইল, আমি দেশ বিদেশে কয়েকশ আউলিয়াদের জীবন গবেষণা করেছি কিন্তু এই তত্ত্ব কোথাও পায়নি।। এটা থেকে স্পষ্ট যে কোন মোল্লা, মাওলানা বা কোন দরবার বা কোন পীর এই ইসলাম জানে না সাধারণ মানুষত অনেক পরের বিষয় অথচ এটাই আমার রাসুলুল্লাহ সাল্লালাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর ইসলাম আর এটাই ছিল আল্লাহর রাসুলের আগমনের কারণ ।।





ইসলাম, শান্তি, নারীমিলন ও সালাত যাকাত





নারী - নারীর সৃষ্টি তত্ত্ব অনেকেই জানেন তাই সেটা এড়িয়ে মূল কথায় আসি, অতি প্রাচীন প্রাগৈতিহাসিক যুগের দিকে তাকালে দেখতে পায় যে আফ্রিকা, ইউরোপে দেবীরুপে এমনকি ইসলামের আগে আরবের লাত উজ্জাত দেবীদের মূরতি নারী কায়ায়। কেননা কোন কিতাব ছিল না, স্রস্টা প্রদত্ত কামশক্তিতে একে অপরের মিলনে যখন তারা বুঝতে পারে এর ফলে এই নারী হতে মানব শিশু জন্মে অর্থাৎ নারী মাধ্যমে, নারীর ভিতরেই মানব শিশু সৃষ্টি হচ্ছে। তখন তারা এটা বিশ্বাস করতে লাগল যে, এই নারীই স্রস্টা আর তাই তাদের মধ্যে থেকে বিশেষদের মুরতি বানিয়ে আরাধনা করত। এর থেকে বুঝা যায় তাদের মধ্যে নারীর প্রতি ছিল এক মহান সন্মান ও ভক্তি। অতঃপর কোরানে আছে কিছু সম্প্রদায় তারা সমকামিতাই জড়িয়ে পড়ে এবং অবশেষে এতটাই চরম অবহেলা সেই নারীর প্রতি আসে ইসলামের আগে আরবে, যে তারা নবজাতক শিশু মেয়েকে জীবন্ত পুতে ফেলত। এই দুনিয়ায় নারীর প্রতি এত অনাচার, জুলুম৷ অসন্মান আর লক্ষনীয় নয়। আর তাই সেই সময়টাকে আইয়ামে জাহেলিয়াত বা অন্ধকার যুগ বলা হয়।।





আর সেই সময় আবির্ভূত হন মানুষের সত্যিকার ইসলাম অর্থাৎ শান্তির খবর নিয়ে রাসুলুল্লাহ সাল্লালাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। তিনি বুঝাতে চেস্টা করেন, হে মানুষ, হে নর-নারী, তোমরা একজন অপরজনের জন্য সৃষ্ট হয়েছ এবং তোমাদের মিলনেই রয়েছে তোমাদের শান্তি। আর তার প্রমাণ হিসেবে তিনি সংসার করেন যার উদ্দেশ্য ছিল নারীকে পুনরায় সন্মান দান করে তার ভিতরের আসল শান্তি রুপটি মানুষকে বুঝানো। উনার ২৪ বছরে হজরত খাদিজাতুল কোবরা ( সাঃআঃ) কে দান করে আল্লাহ বলেন আপনাকে শক্তিশালী করে দিলাম, অতঃপর তিনি ১৫ বছর হেরা গুহায় নিমগ্ন হন। তিনি একজন রাসুল হিসেবে সংসার না করেও ইসলাম প্রচার করতে পারতেন। কিন্তু তিনি একাধিক বিবাহ করে পুরুষকে আবার নারী মুখী করে তোলেন। কেননা শুধু কথিত নামাজ, রোজা হজ্জ যাকাতই যদি ইসলাম হবে তবে কেন তিনি একাধিক বিবাহ করেন। আর উনার এই সমাজে সংসারে নতুন ইসলামের শান্তির খবরে উনার প্রতি আকৃসট হয়ে পড়েছিল ততকালীন সম্ভ্রান্ত বংশের মহিলাগন, আর তাতেই শুরু হয় শত্রুতা, ফলে হিজরত। আর সেই নারী দের সন্মান প্রতিষ্ঠায় উনার সব যুদ্ধ। এগুলো ছিল মুলত আল্লাহ ও রাসুলের প্রেমের প্রতিষ্ঠায়।





মিলন ও সালাত যাকাত - আজকাল কিছু মানুষ নারী ও মিলন শব্দ শুনলেই বলে উঠে, নারী পিপাসু, ভন্ড অথচ সে নিজেও যে এই নারী ও মিলনের ফল তা ভুলে যায়, যেমন আল্লাহ বলেন অতঃপর তারা তাদের সৃস্টি রহস্য ভুলিয়া গেল। সেদিন এক মোল্লা বয়ান করছিল নারীকে দেখা, ছোয়া পাপ তারাত মুলত নারীকে ও নবীকে অসন্মান করছে অথচ তারাই আবার বলছে ৪ বিবাহ সুন্নত। মুলত তারা সত্যিকার ইসলাম ই জানেনা, কারো কাছেই এই ইসলাম আপনি পাবেন না। অথচ যে ইসলামের জন্য ছিল নবীর আগমন।। মুল কথায় আসি, আমরা হাজার বছর ধরে সালাত আদায় করেও কেন সমাজে সংসারে অশান্তি, কেন স্বামি স্ত্রী তে বিভেদ, ডিভোর্স, পরকিয়া, কেন বুড়ো মাকে অনাদরে থাকতে হয়। আবার এখনো কেন নারী ধরষিত হয়, কেন হয় বলাতকার? তবে কি আমরা ইসলাম না পেয়ে ফিরে যাচ্ছি সেই অন্ধকার যুগে।। আমাদের সালাত, যাকাত কি ভুল। মুলত সত্যিকারের মুহাম্মদি ইসলাম নবিজির উফাতের পর থেকেই গোপন আর তা চলে গেছে দুনিয়া ও সম্পদের মোহে। রাসুলুল্লাহ সাল্লালাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও মাওলা আলী আঃ ছাড়া আর কেউ সেই সালাতের ভেদ জানত না। কেননা আমরা ইতিপূর্বে দেখেছি যে কোরানে মসজিদে যেয়ে বা দল বেধে সালাত আদায় করতে বলেন নি। বরং সালাত ঘরে নিভতে পড়তে বলা আছে, আর তোমার মসজিদের কাছে যাতে অন্য কেউ আশে সেটাও বলেছেন। কোরান মুলত নারী পুরুষ এর সমাজ, সংসারের শান্তির বিধান। নিজ মসজিদ চিনে, পরে যেতে হবে সালাতে।।





রাসুলুল্লাহ সাল্লালাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, সালাতে উনার চোখ শীতল হয় মাওলা আলী আঃ বলেন না দেখে আমি সালাত করিনা। সালাত, যাকাত, জুমা এগুলো আরবি ভাষার পুরান থেকে বুঝা যায় যেমন আমরা এখন আর আগুন কে হুতাশন বলিনা, আগুন বলি ঠিক তেমন। আমরা মসজিদ বলতে পবিত্র নারী দেহ যে ঘরে মানব স্রিস্টি হয়, সালাত মিলন সংজোগ ও যাকাত দেহ হতে দান মনে করি। আর এই সংজুগ কায়েম করে যাকাত দিলেই সংসারে সমাজে শান্তি আসবে। সালাতের বিধান কোরানেই আছে, নিবিড় মনে, স্থির চিত্তে, যেকোনো ভাবে সংজোগ কর, দাড়িয়ে, বসে, শুয়ে।





আপনি আপনার স্ত্রী, মা, বোন মেয়ের কথা শুনে পবিত্রতা লাভ করেন। কেননা কোরান বলেছে, তোমরা অপবিত্র ও নেশাগ্রস্ত অবস্থায় সংজোগে এস না। কোন স্ত্রীই চাই না, আপনি বিড়ি, মদ জুয়া, বাভিচার এগুলো করেন। আপনার সংজোগ ও যাকাত দানের term হল পবিত্রতা। আপনি পবিত্রতা অর্জন করে সালাত ও যাকাত আদায় করতে থাকুন তাহলে জীবনে একবারের জন্যেও পেয়ে যেতে পারেন, কোন এক রাতে মহান শবে কদর বা শবে মেরাজ।। নিজে পবিত্র না হয়ে অর্থাৎ স্ত্রীর মনোনীত না হয়ে সংজোগ ও যাকাতে যাবেন না, স্ত্রী যাবে অন্য দিকে পরে দেবেন দোষ স্ত্রী কে, তা হবে না। কেননা নারী পুরুষ এর ধর্ম ই এটা, একজন অপরজনের শান্তি। পবিত্র হয়ে সালাত সংজোগ ও যাকাত দিতে থাকুন, ফল পাবেন। দেহ মনে প্রানে বিরাজ করবে এক পরম শান্তি, আপনার ঘর হবে বেহেশত। আপনি হবেন পরম কানখিত পুরুষ।। আর এটাই প্রক্রিত ইসলাম, শান্তি। যার জন্য দুনিয়ায় আজ সব।। কারণ আপনি হয়ত লক্ষ্য করে থাকবেন, ঘরে বাইরে অশান্তি থাকলে দুইজন অশান্তিতে থাকে, মনে হয় দোজখের আগুন, এই সবি হল পবিত্র না হয়ে সালাত ও জাকাত না আদায়ের ফল।। মনে রাখবেন স্ত্রী র মনোনীত স্বামিরা সংজোগে বেহেশতি সুখ লাভ করেন। কোরান বলে তুমি সংজোগে যাও একাগ্রতায়, মানে এই সংজুগ ক্ষেত্রে অন্য কারো কথা মনে রাখা যাবেনা। আবার বলেন নিশ্চয়ই সালাত মানুষকে সব ফাহেসি কাজ থেকে বিরত রাখে, সে পুরুষ পবিত্র হয়ে শুধু নিজ স্ত্রীর সাথে সংজুগ করে সে অন্য দিকে ঘুরে না কেননা তারা একে অপরকে পোশাকের মত ডেকে রাখে, ফলে তারা নিজস্ব প্রেমে অন্ধ হয়ে যায়। আবার বলে, তোমরা সালাত আদায় কর, বেলা ডলে পরা থেকে গভীর রাত অবধি। এবং কি রাতের শেষাংশর সংজুগ সারাদিনের শান্তির উৎস হয়ে বিরাজমান থাকে। সুতরাং নিজ ঘরের মসজিদে আত্তনিয়োগ কর আল্লাহ রাসুল প্রেমি। কেন সেই স্রস্টা রুপি নারী কে রক্ষা করতেই প্রেরন করলেন তার প্রিয় হাবিব কে। না পাঠালে যে এই মানুষের জন্মলীলা স্রিস্টি লীলা থেমে যেত। আর এসেই প্রকাশ করলেন সব ভেদ, যার নাম আল কোরান, শবে কদর৷ শবে মেরাজ। তাহলে যাদের জন্য এলেন, তারা কি রুপে ছিল বা আছে।। আল্লাহ যদি শুধু মুসলিম দেরি হয় তবে ৩০০০০ হাজারো বেশি ধর্ম আছে, কে তাদের লালন পালন করেন, কেন তাদের নারী মানব সন্তান প্রসব করেন। এই নারী পুরুষ এর মিলনই ইসলাম, এই মিলনেই শান্তি। এটাই আল্লাহ রাসুলের স্রিস্টি লীলা। মানে কোন ধর্ম নয়, নারী পুরুষ এর মিলনের ফলই এই সবার মানব জীবন।। আর এই একে অপরকে সালাত ও জাকাত দান করতে করতে এক সময় শুন্ন হয়ে যায়, এটাই আল্লাহর রাস্তায় শহীদ।। আল্লাহ বলেন, যখন তোমাদের সালাত মিলন সংজুগ শেষ হয়ে যায়, তোমরা আর ঘরে বসে থেক না, রিজিকের সন্ধানে বেড়িয়ে পড়। আর এতেই বাইরের সমস্ত কাজ ইবাদত হয়ে যায়।। রাসুলুল্লাহ সাল্লালাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, মায়ের পদতলে জান্নাত। তাহলে আজ নারীকে অসন্মান করা মানেই সত্যিকার ইসলাম কে অসিকার করা। আল্লাহ বলেন, তোমরা খাও, পান কর কিন্তু অপচয় করোনা।





সুরা বাইয়িনা
مَا أُمِرُوا إِلَّا لِيَعْبُدُوا اللَّهَ مُخْلِصِينَ لَهُ الدِّينَ حُنَفَاءَ وَيُقِيمُوا الصَّلَاةَ وَيُؤْتُوا الزَّكَاةَ ۚ وَذَٰلِكَ دِينُ الْقَيِّمَةِ
তাদের প্রতি এছাড়া আর কোন নির্দেশ নাই, তারা খাঁটি মনে একনিষ্ঠভাবে আল্লাহর উপাসনা করবে, সালাত (তাপন) প্রতিষ্ঠা (কায়েম) করবে এবং যাকাত (পবিত্রতা, রস, নির্যাস) প্রদান করবে ।এটাই সঠিক (প্রতিষ্ঠিত) তরিকা বা ধর্ম।





যাদের বিশ্বাস আসবে পালন করুন অন্য রা অপেক্ষা করুন সময় আসা অবধি কিন্তু মনে রাখবেন যত দেরি করবেন তত সময় হারাবেন। এখনই নেগেটিভ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকার অনুরোধ রইল।। অনেকেই ফিতনা বলতে পারেন, কেননা আমরা শুনা গানি শুনতে পছন্দ করি, নতুন না। এত দিনের কাল্পনিক ইসলাম সত্যিই কি সমাজে সংসারে শান্তি দিতে পেরেছে? এক্ষেত্রে অপেক্ষা করুন। বাস্তব সত্য জানুন, বিশ্বাস করুন।আপনার ঘরেই আপনার জন্য হুর অপেক্ষায়, যান গিয়ে হাত ধরে তওবা করুন, ক্ষমা চান, বুকে জড়িয়ে ধরুন আর সত্যিকার ইসলামি শান্তি লাভ করুন, তার মাঝেই আপনার কাংখিত মুরশিদ । রাসুলুল্লাহ সাল্লালাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, সেই পুরুষই উত্তম যে তার স্ত্রীর কাছে উত্তম। আপনার স্ত্রী যদি সত্তায়ন না করেন তবে অন্য ইবাদত ফলপ্রসূ হবেনা। তাই আত্তসমরপন করুন একে অপরের কাছে। এরি মাধ্যমে আপনারা হবেন মোসলমান। একবার শুধু তার ইচ্ছায় সব বিসর্জন দিয়ে পবিত্র হয়ে সালাত, জাকাত করুন পরমের দেখা পেয়ে যাবেন। মসজিদুল আকসার পরিবর্তে নবিজি কেন সাত বছর মদিনা থেকে মক্কার দিকে ফিরে নামাজ পড়লেন। তখনোত কাবার ভিতর মুরতি ছিল। তাহলে কি ছিল উনার মক্কায়। জয়গুরু।।





পরিশেষে এটাই বলা যায়,
বুঝে করলে প্রেমের খনি
না বুঝলে সব শয়তানি।
যার জন্য উতলা থাকে দেহমন
সেখানেই আছে শান্তির গুপ্তধন।।
যারা সেই সত্যিকার ইসলাম চাও
নিজ ঘরের মসজিদে সেবা দাও।।
তার কাছেই মুরশিদ তোমার, দেখ বিবেচনায়
যেখানে গেলে তোমার চোখ, দেহমন শীতল হয়।।





প্রকাশে হজরত আরেফ শাহজাহান (রহঃ)
প্রচারে ডাঃ ইদু মিয়া।





আর এই বিষয়ে আগের পোস্ট গুলির লিনক দেয়া হল নীচে, চাইলে পড়তে পারেন।।






https://m.facebook.com/groups/149857195659964?view=permalink&id=403228223656192





https://www.facebook.com/groups/149857195659964/permalink/395985364380478/





https://m.facebook.com/groups/149857195659964?view=permalink&id=386330218679326





https://m.facebook.com/groups/149857195659964?view=permalink&id=385209185458096





https://m.facebook.com/groups/149857195659964?view=permalink&id=390037988308549





https://www.facebook.com/groups/149857195659964/permalink/385175205461494/

0 Comments: