সিদ্ধান্ত নিয়েছি কোরবানির পশুর চামড়া মাটিতে পুঁতে ফেলবো এবং এতিম-মিসকিনদের ২৫০/- বা ৩০০/- টাকা দিয়ে দেবো! ব্যাখ্যা দরকার? শুনুন তাহলে:
ঈদকে সামনে রেখে চামড়া-সিন্ডিকেট সক্রিয় হয়ে গেছে নিশ্চয়!
সরকারের নির্ধারিত মূল্য সরিয়ে রেখে অভিজ্ঞতার কথা বলি? ১৫ বছর পূর্বেও কোরবানির পশুর চামড়া উচ্চমূল্যে বিক্রি হয়েছে। ১০/১২ হাজার টাকার একটা গরুর চামড়া অন্তত ২০০০/- টাকায় বিক্রি হতো। এখন ৯০ হাজার বা ১ লাখ টাকা দামের গরুর চামড়া বিক্রি হয় ২৫০/- থেকে ৩০০/- টাকায়! অনেকে অপেক্ষা করতে করতে মাঝরাতে বিনামূল্যে দিয়ে দেয় ফড়িয়াদের হাতে, 'আপদ হইতে মুক্ত' হয়! পশুর চামড়া বিনামূলে নিয়ে গেলেও এদেশে চামড়াজাত পণ্যের মূল্য কমে না, একজোড়া চামড়ার আরামদায়ক জুতা কিনতে ৩৫০০/- থেকে ৭০০০/- টাকা লাগে!
এর কারণ কী? নিতান্তই হতদরিদ্রের হক বলে এই বিপুল বড় অঙ্কের টাকা লোপাট করে নিলেও কেউ প্রতিবাদ করছে না? আমার তা-ই মনে হয়। কোরবানিদাতার পকেটে এই চামড়া বেচার টাকা ঢোকানোর অনুমতি থাকলে এমনটি হতো না বলেই আমি মনে করি।
তাই এমন সিদ্ধান্ত! গরিবের রক্ত চুষে সুইস ব্যাংকে টাকা জমাতে আমি অন্তত সহযোগিতা করবো না। আপনাদেরও এই কাজের আহ্বান জানাই। সারা দেশের মানুষ এই কাজ করলে ট্যানারির বুর্জোয়ারা কিছুটা শিক্ষালাভ করবে।
© ধন্যবাদ।
সংগ্রহীত




0 Comments: