প্রথম ছবিতে যেই কাচের বাটি দেখা যাচ্ছে তার গোলাপী রংয়ের কারণ এতে গোল্ডের কণিকা ব্যবহার করা হয়েছে!










গেল্ডের রং উজ্জল হলুদ হিসেবেই আমরা জানি। তবে গোল্ডের কণিকার আকার যদি ছোট করতে করতে ন্যানো স্কেলে নিয়ে আসা হয় (১০০ ন্যানোমিটারের নিচে) তাহলে কোয়ান্টাম সাইজ ইফেক্ট কার্যকর হয়। এবং ন্যানো কনিকার কোয়ান্টাম বৈশিষ্টগুলো উপলব্ধ্য হতে শুরু করে এবং এই সময় কণিকার পরমাণুগুলোর মুক্তইলেক্ট্রনগুলো একটি ক্ষুদ্র কণার মধ্যে আবদ্ধ হয়ে পড়ায় তাদের সার্বিক শক্তিস্তরের কোয়ান্টাইজেশন দেখা যায় এবং কণিকার আকার পরিবর্তনের সাথে সাথে সার্বিকভাবে কণিকার উচ্চতম যোজ্যতাস্তরের সাথে নিন্মতম পরিবহন স্তরের শক্তির পার্থক্য পরিবর্তিত হয় এবং তার ফলে এদের শোষিত ও বিকিরিত তরঙ্গের মধ্যে পর্যায়ক্রমিক পরিবর্তন দেখা যায়। ফলে ন্যানো স্কেলে আকার পরিবর্তনের সাথে সাথে একই বস্তুর রংও পর্যায়ক্রমে বদলে দেয়া যায়। এভাবেই আমরা গোল্ডকণিকার আকার বদালানোর মাধ্যমে পর্যায়ক্রমে বর্ণালীর বিভিন্ন রং পেতে পারি (চিত্র-২)।






0 Comments: