মেট্রোরেল চালু হলে ঢাকা শহরে যানজট–দুর্ভোগ কী কমবে?

মেট্রোরেল চালু হলে ঢাকা শহরে যানজট–দুর্ভোগ কী কমবে?


যানজট ও দুর্ভোগ-দুটি বিষয়কে একটু আলাদা করে দেখা যেতে পারে। মেট্রোরেল কিংবা এমআরটি বা ঢাকায় সড়কসংশ্লিষ্ট আর যত প্রকল্প আছে, সব বাস্তবায়ন হলে ঢাকা শহরে যানজট কমবে কিনা তা নিয়ে প্রশ্নের উত্তর ভবিষ্যতে জানা যাবে।





তবে, ঢাকা কিংবা জনবহুল শহরগুলোর কথা ভাবলে একটু চমকে যেতে পারি আমরা। ঢাকা শহরে যে কোনো উন্নয়নের একটা জনমাত্রিক দিক খেয়াল করা যায়। উদাহরণ হিসেবে, কালশী-ইসিবি-মিরপুর রাস্তার কথা বলতে পারি। ২০১৩ সাল থেকে আমি এই পথে চলি। মোহাম্মদপুর-মিরপুর থেকে যারা উত্তরা যান তারা ভীষণভাবে এই পথ ব্যবহার করেন। খুব স্বাভাবিকভাবে শুরুতে বলা গিয়েছিলো নতুন এই রাস্তাটি বনানী ও মহাখালিতে যানজট কমাবে। ৬ বছর পরে বলা যায়, যানজট তেমন একটি কমেনি। এখনতো কালশী-ইসিবি-মিরপুর রাস্তায় আরেকটি ফ্লাইওভার করা হচ্ছে যানজট কমাতে!





কালশী-ইসিবি-মিরপুর নতুন রাস্তা হওয়ার পরে এদিকে ফ্ল্যাট ও বাসাভাড়া বেড়ে গেছে। মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্তরা এ অঞ্চলে থাকতে শুরু করেছেন। আবাসিক এলাকার মাত্রা বেড়েছে বেশ ব্যাপক হারে।





মেট্রোরেল কিংবা এমআরটি বা ঢাকায় সড়কসংশ্লিষ্ট আর যত প্রকল্প আছে, সব বাস্তবায়ন হলে চলাচলে কিছুটা সুবিধা আসবে, কিন্তু যানজট কমা নিয়ে প্রশ্নই হয়তো থেকে যাবে। গুলশানে তাকিয়ে দেখুন না। বাইরের বড় বড় বাস চলাচল বন্ধ কিন্তু তারপরেও মোড়ে মোড়ে যানজট।





অবকাঠামোগত উন্নয়নে খুব স্বাভাবিকভাবেই জনসংখ্যার চাপ বাড়ে। জনসংখ্যার চাপ যেখানে সেখানে সঠিক ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা না থাকলে যানজটের সম্ভবনাই। এক্ষেত্রে ঢাকা ক্যান্টনমেন্টের ভেতরে চোখ রাখা যায়।





আরেকটি বড় সমস্যা সম্ভবত তৈরি হচ্ছে, ঢাকার ব্যক্তিগত যানবাহনের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে। মাসিক ২০/২৫ হাজার টাকা ইনস্টলমেন্টে গাড়ি আর ৫/৬হাজার টাকায় বাইক সাধছে বিভিন্ন ব্যাংক। এসুযোগে ঢাকার রাস্তায় যানবহনও বেশ বাড়ছে।


0 Comments: