বৈশাখী স্পেশাল রেসিপি (১ম পর্ব)....
আর দুইদিন পরেই বাংলা বছরের প্রথম দিন, পহেলা বৈশাখ। অনেক আগে থেকেই পহেলা বৈশাখকে ঘিরে বাঙালিদের নানা আয়োজন থাকেই।আরা এই আয়োজনের প্রথম ও প্রধান আকর্ষণই থাকতো নানা ধরনের মিষ্টি খাবার । আর এই প্রথা চলে আসছে তখন থেকে এখনো। আর আপনার বৈশাখের আয়োজনে নানা ধরনের মিষ্টান্ন থাকবে না তা কি হয়? আসুন আজ আমরা নতুন বছরকে বরণ করে নেই কয়েক পদের মিষ্টি খাবার দিয়ে।
#১।খাজা রেসিপি
খাজা তৈরির উপকরণ
ময়দা: ২ কাপ
ঘি: ২ চামচ
পরিমাণ মতো :লবন
সাদা তেল: পরিমাণ মতো
সিরার জন্য যা দরকার –
চিনি: ২ কাপ
জল: ১কাপ
এলাচ গুঁড়ো সামান্য
কী ভাবে বানাবেন
লুচি বা পরোটার জন্য যে ভাবে ময়দা মাখেন সেই ভাবে মেখে নিন। লেচি কেটে গোল করে বেলে নিন। এ বার বেলে নেওয়া চারটে লুচি বা রুটি একটার উপর আরেকটা রেখে রোল করে নিন। এই রোল লম্বালম্বি সমান চারভাগে কেটে নিয়ে আলতো করে এক বার বেলে নিন। খেয়াল রাখবেন তা যেন লম্বা আকৃতির থাকে।
এ বার ছাঁকা তেলে লাল করে ভেজে নিন। ভাজার সময় একসঙ্গে অনেকগুলি খাজা দেবেন না। এতে ভেঙে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। অন্য একটি পাত্রে ফুটন্ত জলে এলাচ গুঁড়ো আর চিনি দিয়ে ভালভাবে নেড়ে সিরা বানিয়ে নিন। ৩০ মিনিট সিরাতে ডুবিয়ে রেখে খাজাগুলি পরিবেশন করুন।
#২। নিমকি তৈরির সহজ উপায়
নিমকি ময়দা দিয়ে তৈরি একটি খুবই হাল্কা এবং মুখরোচক খাবার। একবার মুচমুচে কুচো নিমকি খেতে শুরু করলে সহজে থামা যায় না। খুবই জনপ্রিয় এই নিমকি বানানোর উপকরণ এবং প্রণালি দেখে নেওয়া যাক।
উপকরণ : ময়ানের জন্য, দুই কাপ ময়দা, দুই চা চামচ তেল, ১ চা চামচ লবণ, ১/২ চামচ চিনি, ১ চা চামচ কালো জিরা, ১/২ কাপ পানি, ভাজার জন্য ২ কাপ তেল।
প্রণালি : একটি বড় পাত্রে পানি বাদে ময়ানের জন্য বাকি সব উপকরণ- ময়দা, তেল, লবণ, চিনি এবং কালো জিরা নিয়ে ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। এবার খুব অল্প অল্প করে পানি নিয়ে সব উপকরণ একসাথে মাখতে থাকুন। যতক্ষণ না আপনার আঙুল থেকে সব ময়দা ছেড়ে যাচ্ছে এবং মাখা ময়দার তালটা সুন্দর মসৃণ নরম হচ্ছে, ততক্ষণ মাখতে থাকুন। প্রায় ৫-৬ মিনিট ধরে মাখলে তবে আপনার পছন্দসই মাখা হবে।
মাখা ময়দার তালটা একটা ভেজা সুতির কাপড় জড়িয়ে অন্তত আধ ঘণ্টা রেখে দিন। এবার চাকী বেলুনে সামান্য শুকনো ময়দা ছড়িয়ে নিন। এবার ময়দার তালটির থেকে ৫-৬টি সমান মাপের লেচি কেটে নিন। এবার এক একটি লেচি শুকনো ময়দা ছড়ানো চাকির উপর রেখে পাতলা বড় রুটির আকারে বেলে নিন। এক একটি রুটি বেলা হয়ে গেলে প্রতিটি রুটি একটি ছুরি দিয়ে অনেক ছোট ছোট বরফির আকারে কেটে নিন।
কড়াইয়ে ভাজার জন্য দুই কাপ তেল কড়াইয়ে ঢেলে গরম হতে দিন। তেল গরম হলে মাঝারি আঁচে বরফির আকারে কেটে নেওয়া ময়দার টুকরোগুলো ডুবো তেলে ভেজে তুলুন। ভাজা কুচো নিমকির টুকরোগুলো পেপার টাওয়েলের উপর ছড়িয়ে দিন, অতিরিক্ত তেল বেরিয়ে গিয়ে নিমকিগুলো মুচমুচে হবে।
#৩।ঘরেই মচমচে মুরালি তৈরী করে নিন
ময়দা ২ কাপ, চিনি (খামিরের জন্য) ১ টেবিল-চামচ, সয়াবিন তেল আধা কাপ, চিনি (সিরার জন্য) ১ কাপ, গুঁড়ো দুধ সিকি কাপ, লবণ সিকি চা-চামচ ও তেল (ভাজার জন্য) প্রয়োজনমতো।
প্রণালি:
ময়দা, তেল, লবণ, চিনি ও গুঁড়ো দুধ দিয়ে শক্ত খামির বানাতে হবে। ১৫ মিনিট ভেজা কাপড় দিয়ে ঢেকে রাখতে হবে।
এবার ওই খামির দিয়ে সিকি ইঞ্চি পুরু রুটি বেলতে হবে এবং ওই মাপে চিকন করে লম্বা গজার মতো কেটে নিতে হবে।
তেল হালকা গরম করে ওই তেলে গজাগুলো ছেড়ে মাঝারি আঁচে বাদামি না হওয়া পর্যন্ত ভাজতে হবে।
এবার তেল থেকে তুলে টিস্যুতে ছড়িয়ে দিতে হবে। ১ কাপ চিনি ও আধা কাপ পানি চুলায় দিয়ে নাড়তে হবে কিছুক্ষণ।
এবার তাতে গজাগুলো দিয়ে আবার নাড়তে হবে। যতক্ষণ পর্যন্ত গজাগুলো ঝরঝরা না হবে, ততক্ষণ পর্যন্ত নাড়তে হবে।
এরপর নামিয়ে পরিবেশন।
#৪। জেনে নিন তিলের খাজা তৈরির রেসিপি
তিলের খাজা বেশ মজার একটি খাবার। ছোটরা তো বটেই, বড়দের কাছেও এটি বেশ পছন্দের। তবে বেশিরভাগ সময়েই রাস্তার পাশের খোলা দোকান থেকে এটি কিনে খাওয়া হয়। কিন্তু সেগুলো স্বাস্থ্যকর কি না সে বিষয়ে সন্দেহ থেকে যায়। তাই চলুন জেনে নেই ঘরেই কিভাবে তিলের খাজা তৈরি করা যায়-
উপকরণ:
সাদা তিল ১ কাপ
চিনি ১ কাপ
পেস্তা বাদাম কুঁচি ২ টেবিল চামচ
ঘি ২ চা চামচ।
প্রণালি:
প্রথমে একটি প্যানে তিল হালকা ভেজে নিতে হবে (২-৩ মিনিট ভাজলেই হবে)। এবার একটি কড়াইতে ঘি ও চিনি দিয়ে নাড়াতে হবে চিনি গলে যাওয়া পর্যন্ত। চিনি গলে ঘন সিরার মতো হয়ে গেলে পেস্তা বাদাম কুঁচি আর তিল দিয়ে ২ মিনিট নেড়েচেড়ে নামিয়ে নিতে হবে।
একটি প্লেটে সামান্য ঘি ব্রাশ করে তার উপর তিলের মিশ্রণ ঢেলে দিতে হবে। হালকা ঠান্ডা হলে রুটি বেলার বেলুন দিয়ে হালকা তিলের উপর বেলে নিতে হবে। যাতে খাজা সমানভাবে সেট হয়। এরপর ছুরি দিয়ে আপনার পছন্দ মতো শেপে কেটে নিতে হবে। ঠান্ডা হলে পরিবেশন করুন।
মোনাক্কা
রস্তায় হাঁটতে গেলে বা মেলায় কিংবা বৈশাখে ভ্যানে করে ফেরিওয়ালা চাচা বিভিন্ন ধরনের মজার মজার স্ন্যাকস নিয়ে ঘোরেন। সেখানে আমি মোনাক্কা পেলেই কিনে খেতাম। তবে সেটা কিন্তু বাসাতেই খুব সহজেই বানানো যায়। তেমন কঠিন কিছু না। কারণ রেসিপিটা সহজ আছে। আর খেতেতো অবশ্যই খুব মজার।
#৫।বাদাম-গুড়ের কটকটি বানাবেন যেভাবে
বাদাম চিক্কি বা কটকটি যে নামেই ডাকি না কেন, এই মজাদার মুখরোচক খাবারটি সবারই প্রিয় বিশেষ করে বাচ্চাদের। দোকানে বা ভ্যানে কিংবা মেলাতে এই খাবারের দেখা মিলে বেশি। কিন্তু বাসায় বানিয়ে খাওয়ার মাঝে রয়েছে আলাদা মজা। চলুন জেনে নেয়া যাক কীভাবে তৈরি করবেন মুচমুচে মজাদার এই খাবারটি।
উপকরণ:
চিনাবাদাম- ২ কাপ
পেস্তা বাদাম- ২ চা চামচ
গুড়- ১ কাপ
ঘি- ১/২ চামচ
এলাচ- ৪-৫টি (গুঁড়া)
প্রস্তুত প্রণালি:
প্যান গরম করে বাদাম ভাজুন। লালচে খয়েরি রঙ ধারণ করলে আঁচ বন্ধ করে দিন। ভাজা বাদাম আধভাঙা করে নিন। একটি বড় প্যানে ঘি, গুড় ও ১/৪ কাপ পানি দিন। গুড় গলে যাওয়া পর্যন্ত নাড়তে থাকুন। ৬ থেকে ৭ মিনিট পর বলক চলে আসলে বাদাম ও এলাচ গুঁড়া দিয়ে নাড়ুন। একটি প্লেটে ঘি মেখে রাখুন। মিশ্রণটি ঘন হয়ে আসলে সঙ্গে সঙ্গে ঘি মাখা প্লেটে ঢেলে নিন। উপরে একটি বাটার পেপার বসিয়ে রুটি বানানোর বেলুন দিয়ে বেলে সমান করে নিন। গরম থাকতে থাকতেই ছুরি দিয়ে কেটে ফেলুন পিস করে। পরিবেশন করুন মজাদার বাদাম-গুড়ের কটকটি।
#৬। কদমা
যা যা লাগবে
চিনি ২ কেজি
পানি ২ কাপ
কদমার ছাঁচ বা মেকার
আইসিং সুগার আধা কাপ।
যেভাবে বানাবেন
১. চিনি ও পানি চুলায় দিয়ে ফুটে উঠলে পানিতে ১ চামচ শিরা দিন।
২. চিনি জমাট বাঁধলে ছড়ানো পাত্রে আইসিং সুগার ছিটিয়ে শিরা ঢেলে অল্প গরম থাকা অবস্থায় রোল করে খুঁটিতে ঝুলিয়ে টানতে হবে। আবার ভাঁজ করুন।
৩. এভাবে অনেকবার করলে যখন ভেতরটা ফাঁপানো হবে তখন চপিংবোর্ডে আইসিং সুগার ছিটিয়ে রোল করে নিন।
৪. কদমা বানানোর ছাঁচ বা মেকারে চাপ দিয়ে কেটে কদমার আকারে কেটে নিতে হবে। বাতাসে রেখে শুকিয়ে নিন।
#৭। বৈশাখী বাতাসে মিষ্টি স্বাদের বাতাসা
আসছে পহেলা বৈশাখ। এদিন অতিথি আপ্যায়নে মুড়ি-মুড়কির পাশাপাশি ঘরে তৈরি বাতাসা পরিবেশন করতে পারেন। খুব সহজে বানানো যায় বাতাসা। জেনে নিন কীভাবে।
উপকরণ
চিনি ৩ কাপ
পানি আধা কাপ
বেকিং পাউডার ১ চা-চামচ
গোলাপ জল ১ টেবিল চামচ
আইসিং সুগার আধা কাপ।
প্রণালি:
যেভাবে বানাবেন
১. চিনি, পানি, গোলাপ জল একসঙ্গে চুলায় দিন।
২. ভালো করে ফুটে উঠলে কড়াইয়ে ফেনা ভরে গেলে বেকিং পাউডার দিয়ে নাড়ুন।
৩. ছড়ানো পাত্রে আইসিং সুগার ছিটিয়ে চামচে করে পাত্রে ছোট ছোট বাতাসার আকারে রাখতে হবে।
৪. ঠাণ্ডা হলে বয়ামে ভরে রাখুন।
অথবা:
ফয়েল পেপার অথবা বেকিং ট্রে কিংবা ননস্টিক পাত্রে বাতাসা জমাতে পারবেন। বাতাসা তৈরি করার জন্য চুলায় প্যানে চিনি ও পানি দিন। মাঝারি আঁচে নাড়ুন চিনি না গলা পর্যন্ত। বুদবুদ উঠলে চুলার আঁচ কমিয়ে দিন। চিনির মিশ্রণ ঘন না হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। আরও ৪/৫ মিনিট জ্বাল দিন। চামচে করে সামান্য চিনির সিরা উঠিয়ে ঠাণ্ডা করে পরীক্ষা করে দেখুন কতোটুকু ঘন হয়েছে। দুই আঙুলের মাঝে নিয়ে যদি দেখেন জালের মতো তৈরি হচ্ছে তাহলে বুঝবেন মিশ্রণটি বাতাসা তৈরির জন্য প্রস্তুত। এবার চুলা থেকে নামিয়ে ননস্টিক পাত্র বা বেকিং ট্রের উপর গোল করে সিরা ফেলুন। চামচের সাহায্যে গোল করে ফেলা যায়। শক্ত হয়ে জমে যাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। জমে গেলে পরিবেশন করুন বাতাসা। মুখবন্ধ বয়ামে বেশ অনেকদিন পর্যন্ত সংরক্ষণ করেও খাওয়া যায় ঐতিহ্যবাহী এই আইটেমটি।
#৮। মোনাক্কা বানানোর উপকরণ
• গুঁড়ো দুধ- ২ টে.চা.
• ময়দা- ১ কাপ
• বাটার/ঘি- ১ টে.চা.
• মধু- ১.৫ টে.চা.
• এলাচ গুঁড়া- ১ চিমটি
• সয়াবিন তেল- ২ টে.চা.
• চিনি- ২ টে.চা.
• কালোজিরা- ১/২ চা.চা.
• তরল দুধ- পরিমাণমত
• লবণ- পরিমাণমত
মোনাক্কা বানানোর প্রণালী
১. ময়দা, বাটার, তেল, গুঁড়ো দুধ, কালোজিরা, চিনি, মধু, এলাচ গুঁড়ো ও লবণ একটি বড় বাটিতে নিয়ে খুব ভালো করে মিক্স করুন। পরিমাণমত দুধ দিয়ে ভালো করে মেখে খামির তৈরি করুন। বেশি নরম করবেন না। ৩০ মিঃ ঢেকে রেখে দিন।
২. এরপর খামিরটা আরেকটু মেখে নিন। গোল একটি ডো তৈরি হল। বেলে নিয়ে মাঝারি পাতলা রুটির মত বানান।
৩. এবার লম্বা লম্বা করে কেটে তারপর আবার আড়াআড়ি কেটে নিয়ে ছোট ছোট চারকোণা আকারের মোনাক্কা বানিয়ে নিন নিচের ছবিটির মত।
৪. এবার একটি ট্রে-তে একটু ময়দা ছিটিয়ে মোনাক্কাগুলো উঠিয়ে নিন যেন। মোনাক্কাগুলো কিন্তু একটার সাথে আরেকটা লেগে যাবে না।
৫. একটি প্যানে তেল গরম করেন। ডুবো তেলে মোনাক্কাগুলো ফুলকো করে অল্প আঁচে সোনালী করে ভেঁজে নিন। বেশি ফোলানো যাবে না। পুরুত্বটা নিচের ছবিটির মত রাখার চেষ্টা করবেন।
৬. ভাঁজা হয়ে গেলে নামিয়ে ঠাণ্ডা হতে দিন।
তৈরি হয়ে গেল মচমচে সুস্বাদু মোনাক্কা ।
#৯। মজার খাবার কটকটি
স্বাগতম বিডি সংসার এর রেসিপি বিভাগে। বিডি সংসার প্রতিদিন নানা রকম রেসিপি শেয়ার করে আসছি। আজও নতুন একটি রেসিপি নিয়ে হাজির হয়েছি। কটকটি আমরা সবাই চিনি। আমার মনে আছে ছোট বেলায় ভাংড়ি দিয়ে কটকটি কিনে খেতাম। তবে এখন আর গ্রামে এই কটকটি পাওয়া যায় কিনা জানি না। অনলাইনে অনেক খোঁজ করে পেয়ে গেলাম কটকটি তৈরি করার রেসিপি।সেটাই আজ শেয়ার করবো আপনাদের সাথে।
উপকরণ: চিনি আধা কাপ। পানি ৩ টেবিল-চামচ। বেইকিং সোডা আধা চা-চামচ।
পদ্ধতি: প্রথমে পানিতে চিনি মিশিয়ে চুলায় বসিয়ে দিন। আস্তে আস্তে চিনি গলে গিয়ে ক্যারামেল এ পরিনত হলে চুলার আচ একদম কমিয়ে দিন। চিনির রং গাঢ় হয়ে এলে অল্প ক্যারামেল পানিতে দিয়ে টেস্ট করে দেখুন। যদি দলা বেঁধে যায় তাহলে বুঝতে হবে ক্যারামেল তৈরি হয়ে গিয়েছে। তবে মনে রাখতে হবে কড়া ক্যারামেল করা যাবে না। তাহলে কটকটি তিতা হয়ে যাবে।
এবার আগে থেকে যেকোন প্যানে এল্যমিনিয়াম ফলেন বা প্লেটে তেল ব্রাশ করে রেখে দিন। ক্যারামেল চুলা থেকে নামিয়ে সাথে সাথে বেকিং সোডা মিশিয়ে প্লেটে ঢেলে দিন। আর গরম অবস্থায় ক্যারামেলে হাত দেবেন না। ২-১ ঘন্টা পর কটকটি শক্ত হয়ে যাবে। ব্যাস তৈরি হয়ে গেলো মজার কটকটি। তবে মনে রাখতে হবে। কটকটি তৈরি করতে হলে অবশ্যই বেকিং সোডা ব্যবহার করতে হবে। বেকিং পাউডার ব্যবহার করলে হবে না।
আপন আঙ্গিনা পেজটিতে লাইক করুন।
লিঙ্কঃ https://www.facebook.com/Apon-Angina-108968333814937
" আপন আঙ্গিনা" ইউটিউব চ্যানেল টি সাবস্ক্রাইব করুন।
লিঙ্কঃ https://www.youtube.com/channel/UCYLJ15LLXyUPIgcQyw6X8bw…
আশা করি এই টিপস আপনার অনেক কাজে আসবে।
তাই নিজে জানুন আর সকলের সাথে বেশি বেশি শেয়ার করুন.....
#Apon_Angina
পেজটিতে অবশ্যই লাইক দিতে ভুলবেন না।
ভালো থাকুন, সুস্থ্য থাকুন।
.........ধন্যবাদ
কমেন্ট করতে কষ্ট হয়,
তাহলে সংক্ষেপে কমেন্ট করুন..
T= (Thanks)
N= (Nice)
E= (Excellent)
V= (very fine)
B= (Bad)
O= (Osthir)..
আপনাদের কমেন্ট দেখলে আমরা
ভালো ভালো পোষ্ট দিতে সাহস পাই।
আর দুইদিন পরেই বাংলা বছরের প্রথম দিন, পহেলা বৈশাখ। অনেক আগে থেকেই পহেলা বৈশাখকে ঘিরে বাঙালিদের নানা আয়োজন থাকেই।আরা এই আয়োজনের প্রথম ও প্রধান আকর্ষণই থাকতো নানা ধরনের মিষ্টি খাবার । আর এই প্রথা চলে আসছে তখন থেকে এখনো। আর আপনার বৈশাখের আয়োজনে নানা ধরনের মিষ্টান্ন থাকবে না তা কি হয়? আসুন আজ আমরা নতুন বছরকে বরণ করে নেই কয়েক পদের মিষ্টি খাবার দিয়ে।
#১।খাজা রেসিপি
খাজা তৈরির উপকরণ
ময়দা: ২ কাপ
ঘি: ২ চামচ
পরিমাণ মতো :লবন
সাদা তেল: পরিমাণ মতো
সিরার জন্য যা দরকার –
চিনি: ২ কাপ
জল: ১কাপ
এলাচ গুঁড়ো সামান্য
কী ভাবে বানাবেন
লুচি বা পরোটার জন্য যে ভাবে ময়দা মাখেন সেই ভাবে মেখে নিন। লেচি কেটে গোল করে বেলে নিন। এ বার বেলে নেওয়া চারটে লুচি বা রুটি একটার উপর আরেকটা রেখে রোল করে নিন। এই রোল লম্বালম্বি সমান চারভাগে কেটে নিয়ে আলতো করে এক বার বেলে নিন। খেয়াল রাখবেন তা যেন লম্বা আকৃতির থাকে।
এ বার ছাঁকা তেলে লাল করে ভেজে নিন। ভাজার সময় একসঙ্গে অনেকগুলি খাজা দেবেন না। এতে ভেঙে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। অন্য একটি পাত্রে ফুটন্ত জলে এলাচ গুঁড়ো আর চিনি দিয়ে ভালভাবে নেড়ে সিরা বানিয়ে নিন। ৩০ মিনিট সিরাতে ডুবিয়ে রেখে খাজাগুলি পরিবেশন করুন।
#২। নিমকি তৈরির সহজ উপায়
নিমকি ময়দা দিয়ে তৈরি একটি খুবই হাল্কা এবং মুখরোচক খাবার। একবার মুচমুচে কুচো নিমকি খেতে শুরু করলে সহজে থামা যায় না। খুবই জনপ্রিয় এই নিমকি বানানোর উপকরণ এবং প্রণালি দেখে নেওয়া যাক।
উপকরণ : ময়ানের জন্য, দুই কাপ ময়দা, দুই চা চামচ তেল, ১ চা চামচ লবণ, ১/২ চামচ চিনি, ১ চা চামচ কালো জিরা, ১/২ কাপ পানি, ভাজার জন্য ২ কাপ তেল।
প্রণালি : একটি বড় পাত্রে পানি বাদে ময়ানের জন্য বাকি সব উপকরণ- ময়দা, তেল, লবণ, চিনি এবং কালো জিরা নিয়ে ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। এবার খুব অল্প অল্প করে পানি নিয়ে সব উপকরণ একসাথে মাখতে থাকুন। যতক্ষণ না আপনার আঙুল থেকে সব ময়দা ছেড়ে যাচ্ছে এবং মাখা ময়দার তালটা সুন্দর মসৃণ নরম হচ্ছে, ততক্ষণ মাখতে থাকুন। প্রায় ৫-৬ মিনিট ধরে মাখলে তবে আপনার পছন্দসই মাখা হবে।
মাখা ময়দার তালটা একটা ভেজা সুতির কাপড় জড়িয়ে অন্তত আধ ঘণ্টা রেখে দিন। এবার চাকী বেলুনে সামান্য শুকনো ময়দা ছড়িয়ে নিন। এবার ময়দার তালটির থেকে ৫-৬টি সমান মাপের লেচি কেটে নিন। এবার এক একটি লেচি শুকনো ময়দা ছড়ানো চাকির উপর রেখে পাতলা বড় রুটির আকারে বেলে নিন। এক একটি রুটি বেলা হয়ে গেলে প্রতিটি রুটি একটি ছুরি দিয়ে অনেক ছোট ছোট বরফির আকারে কেটে নিন।
কড়াইয়ে ভাজার জন্য দুই কাপ তেল কড়াইয়ে ঢেলে গরম হতে দিন। তেল গরম হলে মাঝারি আঁচে বরফির আকারে কেটে নেওয়া ময়দার টুকরোগুলো ডুবো তেলে ভেজে তুলুন। ভাজা কুচো নিমকির টুকরোগুলো পেপার টাওয়েলের উপর ছড়িয়ে দিন, অতিরিক্ত তেল বেরিয়ে গিয়ে নিমকিগুলো মুচমুচে হবে।
#৩।ঘরেই মচমচে মুরালি তৈরী করে নিন
ময়দা ২ কাপ, চিনি (খামিরের জন্য) ১ টেবিল-চামচ, সয়াবিন তেল আধা কাপ, চিনি (সিরার জন্য) ১ কাপ, গুঁড়ো দুধ সিকি কাপ, লবণ সিকি চা-চামচ ও তেল (ভাজার জন্য) প্রয়োজনমতো।
প্রণালি:
ময়দা, তেল, লবণ, চিনি ও গুঁড়ো দুধ দিয়ে শক্ত খামির বানাতে হবে। ১৫ মিনিট ভেজা কাপড় দিয়ে ঢেকে রাখতে হবে।
এবার ওই খামির দিয়ে সিকি ইঞ্চি পুরু রুটি বেলতে হবে এবং ওই মাপে চিকন করে লম্বা গজার মতো কেটে নিতে হবে।
তেল হালকা গরম করে ওই তেলে গজাগুলো ছেড়ে মাঝারি আঁচে বাদামি না হওয়া পর্যন্ত ভাজতে হবে।
এবার তেল থেকে তুলে টিস্যুতে ছড়িয়ে দিতে হবে। ১ কাপ চিনি ও আধা কাপ পানি চুলায় দিয়ে নাড়তে হবে কিছুক্ষণ।
এবার তাতে গজাগুলো দিয়ে আবার নাড়তে হবে। যতক্ষণ পর্যন্ত গজাগুলো ঝরঝরা না হবে, ততক্ষণ পর্যন্ত নাড়তে হবে।
এরপর নামিয়ে পরিবেশন।
#৪। জেনে নিন তিলের খাজা তৈরির রেসিপি
তিলের খাজা বেশ মজার একটি খাবার। ছোটরা তো বটেই, বড়দের কাছেও এটি বেশ পছন্দের। তবে বেশিরভাগ সময়েই রাস্তার পাশের খোলা দোকান থেকে এটি কিনে খাওয়া হয়। কিন্তু সেগুলো স্বাস্থ্যকর কি না সে বিষয়ে সন্দেহ থেকে যায়। তাই চলুন জেনে নেই ঘরেই কিভাবে তিলের খাজা তৈরি করা যায়-
উপকরণ:
সাদা তিল ১ কাপ
চিনি ১ কাপ
পেস্তা বাদাম কুঁচি ২ টেবিল চামচ
ঘি ২ চা চামচ।
প্রণালি:
প্রথমে একটি প্যানে তিল হালকা ভেজে নিতে হবে (২-৩ মিনিট ভাজলেই হবে)। এবার একটি কড়াইতে ঘি ও চিনি দিয়ে নাড়াতে হবে চিনি গলে যাওয়া পর্যন্ত। চিনি গলে ঘন সিরার মতো হয়ে গেলে পেস্তা বাদাম কুঁচি আর তিল দিয়ে ২ মিনিট নেড়েচেড়ে নামিয়ে নিতে হবে।
একটি প্লেটে সামান্য ঘি ব্রাশ করে তার উপর তিলের মিশ্রণ ঢেলে দিতে হবে। হালকা ঠান্ডা হলে রুটি বেলার বেলুন দিয়ে হালকা তিলের উপর বেলে নিতে হবে। যাতে খাজা সমানভাবে সেট হয়। এরপর ছুরি দিয়ে আপনার পছন্দ মতো শেপে কেটে নিতে হবে। ঠান্ডা হলে পরিবেশন করুন।
মোনাক্কা
রস্তায় হাঁটতে গেলে বা মেলায় কিংবা বৈশাখে ভ্যানে করে ফেরিওয়ালা চাচা বিভিন্ন ধরনের মজার মজার স্ন্যাকস নিয়ে ঘোরেন। সেখানে আমি মোনাক্কা পেলেই কিনে খেতাম। তবে সেটা কিন্তু বাসাতেই খুব সহজেই বানানো যায়। তেমন কঠিন কিছু না। কারণ রেসিপিটা সহজ আছে। আর খেতেতো অবশ্যই খুব মজার।
#৫।বাদাম-গুড়ের কটকটি বানাবেন যেভাবে
বাদাম চিক্কি বা কটকটি যে নামেই ডাকি না কেন, এই মজাদার মুখরোচক খাবারটি সবারই প্রিয় বিশেষ করে বাচ্চাদের। দোকানে বা ভ্যানে কিংবা মেলাতে এই খাবারের দেখা মিলে বেশি। কিন্তু বাসায় বানিয়ে খাওয়ার মাঝে রয়েছে আলাদা মজা। চলুন জেনে নেয়া যাক কীভাবে তৈরি করবেন মুচমুচে মজাদার এই খাবারটি।
উপকরণ:
চিনাবাদাম- ২ কাপ
পেস্তা বাদাম- ২ চা চামচ
গুড়- ১ কাপ
ঘি- ১/২ চামচ
এলাচ- ৪-৫টি (গুঁড়া)
প্রস্তুত প্রণালি:
প্যান গরম করে বাদাম ভাজুন। লালচে খয়েরি রঙ ধারণ করলে আঁচ বন্ধ করে দিন। ভাজা বাদাম আধভাঙা করে নিন। একটি বড় প্যানে ঘি, গুড় ও ১/৪ কাপ পানি দিন। গুড় গলে যাওয়া পর্যন্ত নাড়তে থাকুন। ৬ থেকে ৭ মিনিট পর বলক চলে আসলে বাদাম ও এলাচ গুঁড়া দিয়ে নাড়ুন। একটি প্লেটে ঘি মেখে রাখুন। মিশ্রণটি ঘন হয়ে আসলে সঙ্গে সঙ্গে ঘি মাখা প্লেটে ঢেলে নিন। উপরে একটি বাটার পেপার বসিয়ে রুটি বানানোর বেলুন দিয়ে বেলে সমান করে নিন। গরম থাকতে থাকতেই ছুরি দিয়ে কেটে ফেলুন পিস করে। পরিবেশন করুন মজাদার বাদাম-গুড়ের কটকটি।
#৬। কদমা
যা যা লাগবে
চিনি ২ কেজি
পানি ২ কাপ
কদমার ছাঁচ বা মেকার
আইসিং সুগার আধা কাপ।
যেভাবে বানাবেন
১. চিনি ও পানি চুলায় দিয়ে ফুটে উঠলে পানিতে ১ চামচ শিরা দিন।
২. চিনি জমাট বাঁধলে ছড়ানো পাত্রে আইসিং সুগার ছিটিয়ে শিরা ঢেলে অল্প গরম থাকা অবস্থায় রোল করে খুঁটিতে ঝুলিয়ে টানতে হবে। আবার ভাঁজ করুন।
৩. এভাবে অনেকবার করলে যখন ভেতরটা ফাঁপানো হবে তখন চপিংবোর্ডে আইসিং সুগার ছিটিয়ে রোল করে নিন।
৪. কদমা বানানোর ছাঁচ বা মেকারে চাপ দিয়ে কেটে কদমার আকারে কেটে নিতে হবে। বাতাসে রেখে শুকিয়ে নিন।
#৭। বৈশাখী বাতাসে মিষ্টি স্বাদের বাতাসা
আসছে পহেলা বৈশাখ। এদিন অতিথি আপ্যায়নে মুড়ি-মুড়কির পাশাপাশি ঘরে তৈরি বাতাসা পরিবেশন করতে পারেন। খুব সহজে বানানো যায় বাতাসা। জেনে নিন কীভাবে।
উপকরণ
চিনি ৩ কাপ
পানি আধা কাপ
বেকিং পাউডার ১ চা-চামচ
গোলাপ জল ১ টেবিল চামচ
আইসিং সুগার আধা কাপ।
প্রণালি:
যেভাবে বানাবেন
১. চিনি, পানি, গোলাপ জল একসঙ্গে চুলায় দিন।
২. ভালো করে ফুটে উঠলে কড়াইয়ে ফেনা ভরে গেলে বেকিং পাউডার দিয়ে নাড়ুন।
৩. ছড়ানো পাত্রে আইসিং সুগার ছিটিয়ে চামচে করে পাত্রে ছোট ছোট বাতাসার আকারে রাখতে হবে।
৪. ঠাণ্ডা হলে বয়ামে ভরে রাখুন।
অথবা:
ফয়েল পেপার অথবা বেকিং ট্রে কিংবা ননস্টিক পাত্রে বাতাসা জমাতে পারবেন। বাতাসা তৈরি করার জন্য চুলায় প্যানে চিনি ও পানি দিন। মাঝারি আঁচে নাড়ুন চিনি না গলা পর্যন্ত। বুদবুদ উঠলে চুলার আঁচ কমিয়ে দিন। চিনির মিশ্রণ ঘন না হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। আরও ৪/৫ মিনিট জ্বাল দিন। চামচে করে সামান্য চিনির সিরা উঠিয়ে ঠাণ্ডা করে পরীক্ষা করে দেখুন কতোটুকু ঘন হয়েছে। দুই আঙুলের মাঝে নিয়ে যদি দেখেন জালের মতো তৈরি হচ্ছে তাহলে বুঝবেন মিশ্রণটি বাতাসা তৈরির জন্য প্রস্তুত। এবার চুলা থেকে নামিয়ে ননস্টিক পাত্র বা বেকিং ট্রের উপর গোল করে সিরা ফেলুন। চামচের সাহায্যে গোল করে ফেলা যায়। শক্ত হয়ে জমে যাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। জমে গেলে পরিবেশন করুন বাতাসা। মুখবন্ধ বয়ামে বেশ অনেকদিন পর্যন্ত সংরক্ষণ করেও খাওয়া যায় ঐতিহ্যবাহী এই আইটেমটি।
#৮। মোনাক্কা বানানোর উপকরণ
• গুঁড়ো দুধ- ২ টে.চা.
• ময়দা- ১ কাপ
• বাটার/ঘি- ১ টে.চা.
• মধু- ১.৫ টে.চা.
• এলাচ গুঁড়া- ১ চিমটি
• সয়াবিন তেল- ২ টে.চা.
• চিনি- ২ টে.চা.
• কালোজিরা- ১/২ চা.চা.
• তরল দুধ- পরিমাণমত
• লবণ- পরিমাণমত
মোনাক্কা বানানোর প্রণালী
১. ময়দা, বাটার, তেল, গুঁড়ো দুধ, কালোজিরা, চিনি, মধু, এলাচ গুঁড়ো ও লবণ একটি বড় বাটিতে নিয়ে খুব ভালো করে মিক্স করুন। পরিমাণমত দুধ দিয়ে ভালো করে মেখে খামির তৈরি করুন। বেশি নরম করবেন না। ৩০ মিঃ ঢেকে রেখে দিন।
২. এরপর খামিরটা আরেকটু মেখে নিন। গোল একটি ডো তৈরি হল। বেলে নিয়ে মাঝারি পাতলা রুটির মত বানান।
৩. এবার লম্বা লম্বা করে কেটে তারপর আবার আড়াআড়ি কেটে নিয়ে ছোট ছোট চারকোণা আকারের মোনাক্কা বানিয়ে নিন নিচের ছবিটির মত।
৪. এবার একটি ট্রে-তে একটু ময়দা ছিটিয়ে মোনাক্কাগুলো উঠিয়ে নিন যেন। মোনাক্কাগুলো কিন্তু একটার সাথে আরেকটা লেগে যাবে না।
৫. একটি প্যানে তেল গরম করেন। ডুবো তেলে মোনাক্কাগুলো ফুলকো করে অল্প আঁচে সোনালী করে ভেঁজে নিন। বেশি ফোলানো যাবে না। পুরুত্বটা নিচের ছবিটির মত রাখার চেষ্টা করবেন।
৬. ভাঁজা হয়ে গেলে নামিয়ে ঠাণ্ডা হতে দিন।
তৈরি হয়ে গেল মচমচে সুস্বাদু মোনাক্কা ।
#৯। মজার খাবার কটকটি
স্বাগতম বিডি সংসার এর রেসিপি বিভাগে। বিডি সংসার প্রতিদিন নানা রকম রেসিপি শেয়ার করে আসছি। আজও নতুন একটি রেসিপি নিয়ে হাজির হয়েছি। কটকটি আমরা সবাই চিনি। আমার মনে আছে ছোট বেলায় ভাংড়ি দিয়ে কটকটি কিনে খেতাম। তবে এখন আর গ্রামে এই কটকটি পাওয়া যায় কিনা জানি না। অনলাইনে অনেক খোঁজ করে পেয়ে গেলাম কটকটি তৈরি করার রেসিপি।সেটাই আজ শেয়ার করবো আপনাদের সাথে।
উপকরণ: চিনি আধা কাপ। পানি ৩ টেবিল-চামচ। বেইকিং সোডা আধা চা-চামচ।
পদ্ধতি: প্রথমে পানিতে চিনি মিশিয়ে চুলায় বসিয়ে দিন। আস্তে আস্তে চিনি গলে গিয়ে ক্যারামেল এ পরিনত হলে চুলার আচ একদম কমিয়ে দিন। চিনির রং গাঢ় হয়ে এলে অল্প ক্যারামেল পানিতে দিয়ে টেস্ট করে দেখুন। যদি দলা বেঁধে যায় তাহলে বুঝতে হবে ক্যারামেল তৈরি হয়ে গিয়েছে। তবে মনে রাখতে হবে কড়া ক্যারামেল করা যাবে না। তাহলে কটকটি তিতা হয়ে যাবে।
এবার আগে থেকে যেকোন প্যানে এল্যমিনিয়াম ফলেন বা প্লেটে তেল ব্রাশ করে রেখে দিন। ক্যারামেল চুলা থেকে নামিয়ে সাথে সাথে বেকিং সোডা মিশিয়ে প্লেটে ঢেলে দিন। আর গরম অবস্থায় ক্যারামেলে হাত দেবেন না। ২-১ ঘন্টা পর কটকটি শক্ত হয়ে যাবে। ব্যাস তৈরি হয়ে গেলো মজার কটকটি। তবে মনে রাখতে হবে। কটকটি তৈরি করতে হলে অবশ্যই বেকিং সোডা ব্যবহার করতে হবে। বেকিং পাউডার ব্যবহার করলে হবে না।
আপন আঙ্গিনা পেজটিতে লাইক করুন।
লিঙ্কঃ https://www.facebook.com/Apon-Angina-108968333814937
" আপন আঙ্গিনা" ইউটিউব চ্যানেল টি সাবস্ক্রাইব করুন।
লিঙ্কঃ https://www.youtube.com/channel/UCYLJ15LLXyUPIgcQyw6X8bw…
আশা করি এই টিপস আপনার অনেক কাজে আসবে।
তাই নিজে জানুন আর সকলের সাথে বেশি বেশি শেয়ার করুন.....
#Apon_Angina
পেজটিতে অবশ্যই লাইক দিতে ভুলবেন না।
ভালো থাকুন, সুস্থ্য থাকুন।
.........ধন্যবাদ
কমেন্ট করতে কষ্ট হয়,
তাহলে সংক্ষেপে কমেন্ট করুন..
T= (Thanks)
N= (Nice)
E= (Excellent)
V= (very fine)
B= (Bad)
O= (Osthir)..
আপনাদের কমেন্ট দেখলে আমরা
ভালো ভালো পোষ্ট দিতে সাহস পাই।





0 Comments: