ভারতে প্রতি সেকেন্ডে ১০ গিগাবাইট ব্যান্ডউইথ সরবরাহ করবে বাংলাদেশ।

ভারতে প্রতি সেকেন্ডে ১০ গিগাবাইট ব্যান্ডউইথ সরবরাহ করবে বাংলাদেশ।

ভারতে প্রতি সেকেন্ডে ১০ গিগাবাইট ব্যান্ডউইথ সরবরাহ করবে বাংলাদেশ।
ব্যান্ডউইথ রপ্তানি করুক এতে আমার কোনও মাথা ব্যথা, পেটে ব্যাথা বা আফসোসও নাই।
আসুন একটু আজাইরা ত্যানা প্যাঁচাই।
১০ গিগাবাইট প্রতি সেকেন্ড ব্যান্ডউইথ রপ্তানি করে বছরে আয় আসবে ৯ কোটি ৪২ লাখ টাকা। সুতরাং মাসে আয় আসবে ৯,৪২,০০,০০০ ÷ ১২ = ৭৮,৫০,০০০ টাকা।
১০ গিগাবাইটের মূল্য ৭৮,৫০,০০০ টাকা। প্রতি গিগাবাইটের মূল্য ৭৮,৫০,০০০ ÷ ১০ = ৭,৮৫,০০০ টাকা।
সুতরাং প্রতি মেগাবাইটের মূল্য ৭,৮৫,০০০ ÷ ১০২৪ = ৭৬৬ টাকা।
এবার দেখুন প্রতি মেগাবিটের মূল্য কতঃ ৭৬৬ ÷ ৮ = ৯৫.৭৫ টাকা (!!!!) [১ বাইট = ৮ বিট]
এখানেই আমার মাথা ব্যথা!

আমাদের দেশে যখন প্রতি মেগাবিটের বা ডেডিকেটেড ব্যান্ডউইথের পাইকারি মূল্য ২৮০০ টাকা তখন আমরা বাইরে সাপ্লাই দিচ্ছি ১০০ টাকারও কম মূল্যে!

হাউ রোমান্টিক ব্যাপার-স্যাপার!!!
দাদাদের প্রতি সরকারের প্রেম আর মহব্বত কত তা এতেই স্পষ্ট বোঝা যায়।
ভারতের ত্রিপুরার আখাউরায় এই ব্যান্ডউইথ সরবরাহ করা হবে। এতে ঐ অঞ্চলে ইন্টারনেট সহজলভ্য হবে।
কেন? আমাদের দেশে কি ইন্টারনেট সহজলভ্য?
না, আমাদের টোটাল ২০০ গিগাবাইট ব্যান্ডউইথের মধ্যে মাত্র ৩০ গিগাবাইট ব্যবহার হচ্ছে। বাকিটা পড়ে আছে। পড়েতো থাকবেই। মূল্য যদি আকাশচুম্বী হয়, পড়ে থাকাই স্বাভাবিক।
ব্যান্ডউইথের দাম সহজলভ্য করে দিলেই চাহিদা বেড়ে যাবে। আর যদি প্রতিটি জেলায় ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সরবরাহ করা হয় তাহলে চাহিদা আরও বেড়ে যাবে। ৯ কোটি না, প্রতি বছর কয়েক হাজার কোটি টাকা দেশে থেকেই বেশী আয় করা সম্ভব যদি ব্যান্ডউইথের দাম কমিয়ে প্রান্তিক পর্যায়ে ইন্টারনেট সহজলভ্য করা হয়।
দেশে ব্যান্ডউইথ অব্যবহৃত পড়ে আছে, সাপ্লাই করলে সমস্যা কি?
ব্যান্ডউইথের মূল্য কমিয়ে দিন, চাহিদা বেড়ে যাবে, অব্যবহৃত পরে থাকবে না।
আগে দেশের জনগণের কথা চিন্তা করুন, পরে বাইরের চিন্তা। ভোট বাইরের লোক দেয়না, দেশের মানুষ দেয়।
যদিও মাইনষের ভোটের এখন আর দরকার হয়না........

0 Comments: