ধেয়ে আসছে বিশাল গ্রহাণু, আগামী মাসেই ধ্বংস হতে পারে পৃথিবী নাসা।
পৃথিবীর চারপাশে নিদিষ্ট কক্ষপথে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে বিভিন্ন আকৃতির পাথর। যাদের সাধারণত গ্রহাণু বলা হয়। কক্ষ বিচ্ছুতির কারণে মাঝে মাঝেই এই সব গ্রহাণু পৃথিবীসহ অন্য গ্রহ সমূহের দিকে ধেয়ে আসে। এমনি এক গ্রহাণুর কারনে হাজার বছর আগে পৃথিবী থেকে ডাইনোসরের বিলুপ্তি ঘটে।
উল্লেখঃ 1998 OR2 গ্রহাণু সমূহের মধ্যে সবচেয়ে উজ্জ্বল ও বড়।
এটি পৃথিবীর কেন্দ্র থেকে ৩৯ লক্ষ ৭০০ মিটার ব্যবধানে অতিক্রম করবে বলে নাসা জানিয়েছে।
তবে, অনেক দূরে ভেবে খুশি হওয়ার কারণ নেই৷ যেকোন মুহূর্তেই এটি পৃথিবী বুকে আঁছড়ে পড়তে পারে।
পৃথিবীতে আঘাত করার কয়েকটি কারণের মধ্যে উল্লেখযোগ্য-
১/গ্লেসিয়াস-G effect : গ্রহাণু অভ্যন্তরীণ তাপমাত্রা প্রভাবে দিকের পরিবর্তন হতে পারে৷ এছাড়াও গ্রহাণুর দিক-বিন্যাসে বেগ ও পদার্থের তারতম্য ঘটাতে থাকলে গ্রহানু সহজে নিজের দিক পাল্টে পৃথিবীর দিকে আসতে পারে।
২/ মাধ্যাকর্ষণ প্রভাবঃ গ্রহাণু পতনের সময় অন্য গ্রহের মাধ্যাকর্ষণ বলের কারণে সহজে দিক বদলে যেতে পারে।
৩/ Magnetic effect: পৃথিবীর কেন্দ্র থেকে ৩৯ লক্ষ দূর থেকে গেলেও একটি নিদিষ্ট জোনে এসে পৃথিবী কেন্দ্রের ম্যাগনেটিক ফিল্ডের একটি টান গ্রহাণুকে পৃথিবী মুখী করতে পারে।
যদি এই গ্রহানুটি পৃথিবীতে আঘাত হানে তাহলে প্রানীকুলের,প্রকৃতির ও তাপমাত্রার অস্বাভাবিক পরিবর্তন হবে।
পৃথিবীর চারপাশে নিদিষ্ট কক্ষপথে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে বিভিন্ন আকৃতির পাথর। যাদের সাধারণত গ্রহাণু বলা হয়। কক্ষ বিচ্ছুতির কারণে মাঝে মাঝেই এই সব গ্রহাণু পৃথিবীসহ অন্য গ্রহ সমূহের দিকে ধেয়ে আসে। এমনি এক গ্রহাণুর কারনে হাজার বছর আগে পৃথিবী থেকে ডাইনোসরের বিলুপ্তি ঘটে।
২০২০ সালের এপ্রিল মাসে এমনি একটি গ্রহাণু পৃথিবী ধাক্কা খেতে পারে।যার নাম 1998 OR2.
এটির আকৃতি ১৫,৫০০ ফুট।এই গ্রহাণু নিয়ে ইতিমধ্যেই নাসার বিজ্ঞানীরা গবেষণা শুরু করেছে। ধরণা করা হচ্ছে, ২৯ এপ্রিল বেলা ৩.৫৬ মিনিটে এটি বাংলাদেশের খুব নিকটে থাকবে।
উল্লেখঃ 1998 OR2 গ্রহাণু সমূহের মধ্যে সবচেয়ে উজ্জ্বল ও বড়।
এটি পৃথিবীর কেন্দ্র থেকে ৩৯ লক্ষ ৭০০ মিটার ব্যবধানে অতিক্রম করবে বলে নাসা জানিয়েছে।
তবে, অনেক দূরে ভেবে খুশি হওয়ার কারণ নেই৷ যেকোন মুহূর্তেই এটি পৃথিবী বুকে আঁছড়ে পড়তে পারে।
পৃথিবীতে আঘাত করার কয়েকটি কারণের মধ্যে উল্লেখযোগ্য-
১/গ্লেসিয়াস-G effect : গ্রহাণু অভ্যন্তরীণ তাপমাত্রা প্রভাবে দিকের পরিবর্তন হতে পারে৷ এছাড়াও গ্রহাণুর দিক-বিন্যাসে বেগ ও পদার্থের তারতম্য ঘটাতে থাকলে গ্রহানু সহজে নিজের দিক পাল্টে পৃথিবীর দিকে আসতে পারে।
২/ মাধ্যাকর্ষণ প্রভাবঃ গ্রহাণু পতনের সময় অন্য গ্রহের মাধ্যাকর্ষণ বলের কারণে সহজে দিক বদলে যেতে পারে।
৩/ Magnetic effect: পৃথিবীর কেন্দ্র থেকে ৩৯ লক্ষ দূর থেকে গেলেও একটি নিদিষ্ট জোনে এসে পৃথিবী কেন্দ্রের ম্যাগনেটিক ফিল্ডের একটি টান গ্রহাণুকে পৃথিবী মুখী করতে পারে।
যদি এই গ্রহানুটি পৃথিবীতে আঘাত হানে তাহলে প্রানীকুলের,প্রকৃতির ও তাপমাত্রার অস্বাভাবিক পরিবর্তন হবে।





0 Comments: