যারা বাসায় বসে বসে Boring feel করছেন, তাদের জন্য কিছু উপদেশ -
১| বেশি বেশি কুরআন পড়ুন, সম্ভব হলে সাধ্যমতো হিফয করার চেষ্টা করুন, এক্ষেত্রে ত্রিশ পাড়ার সূরা গুলো দিয়ে শুরু করতে পারেন। এছাড়াও নিত্য প্রয়োজনীয় সূরা যেমন সূরা ইয়াসিন(৩৬), সূরা মূলক(৬৭), সূরা সাজদা(৩২), সূরা কাহাফ(১৮)পুরোটা পাড়লে ভালো না পারলে অন্তত প্রথম দশ আয়াত আর শেষ দশ আয়াত মোট বিশ আয়াত হিফয করবেন,সূরা বাক্বারা(২)শেষ দুই আয়াত, সূরা আলে ইমরান(৩)নং সূরার ( ১৯০- ২০০) আয়াত হিফয করে ফেলুন। রমাদ্বানের আগেই এই টার্গেট ফিক্সড করুন, সাধ্যমতো চেষ্টা চালিয়ে যান, আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা সহজ করবেন ইন-শা~আল্লাহ।
২| শাবান মাস চলছে পরের মাসেই রমাদ্বান।যাদের কাযা রোযা আছে তারা কাযা আদায় করুন, আর যাদের কাযা নেই তারা নফল সিয়াম পালন করুন। রাসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম শাবান মাসে অধিক সিয়াম রাখতেন। তবে শাবান এর শেষে দিকে রোযা রাখতে নিষেধ করেছেন, তবে কেউ যদি অভ্যাস বশত (সোমবার,বৃহঃবার) রাখে সেটাতে সমস্যা নেই।
৩| যারা এখনো রাসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সীরাত পড়েন নি, আফসোস! তাদের জন্য, এই সময়টাকে কাজে লাগান। যারা সীরাত পড়েছেন তারা সীরাতের একাধিক কিতাব আছে সেগুলো পড়ুন, প্রয়োজন হলে আগের পড়া সীরাত আবার পড়ুন। একাধিক বার পড়লেও নতুন কিছু অনুভূতি পাবেন ইনশাআল্লাহ।
৪| রমাদ্বান আসার পূর্বেই রমাদ্বানে ইবাদাতের জন্য নিজেকে প্রস্তুত করুন, নিজের দোষ চর্চা করুন, নিজের ত্রুটি, আলসতা বর্জন করুন, জবানের হেফাজত করুন, অনর্থক কাজ-কর্ম কমায় দিন, নফল সালাত, কিয়ামুল লাইলের অভ্যাস গড়ে তুলুন।
৪| ধূলিমলিন রমাদ্বান এই বইটি পড়তে পারেন। এটা অনেক প্রেরণা যোগাবে ইবাদাতের ক্ষেত্রে। এটি বার বার পড়ার মতোই একটি বই, আমার কাছে এমনটাই মনে হয়েছে।
৫| পরিবারের সদস্যদের সময় দিন, দ্বীনি আলোচনা করুন। হাদিসের তালিম করতে পারেন। এছাড়া আপনার পরিবার সম্পর্কে আপনি অবগত আছেন, সে অনুযায়ী দাওয়ার কাজ চালিয়ে যান।





0 Comments: