তাসফিয়া আমিন নামক যে মেয়েটার চট্রগ্রামের পতেঙ্গা নেভালে লাশ পাওয়া গিয়েছে তাকে নিয়ে ফেইসবুকে অনেকেই অনেক কিছু লিখছে তাই ভাবলাম আমিও কিছু লিখি, কিন্তু বিস্তারিত না জেনে কোনো কিছু বলাও ঠিক না।
তবে আপাতভাবে যতটুকু জানা গেছে তা নিয়ে তো কিছু বলা যায়।
এই ঘটনা সম্পর্কে যতটুকু জানতে পারলাম তা থেকে আমার দৃষ্টিতে ৮০%'ই মেয়েটার দোষ।
একটা ক্লাস নাইনে পড়ুয়া ১৫বছরের মেয়ে ফেইসবুক ফ্রেন্ডের সাথে ঘুরতে বাসা থেকে বের হয় কিভাবে? তাও আবার বন্ধের দিন!!!
মেয়েটির মা-বাবা'ই বা কেমন?
ফেইসবুকে দেখছি সবাই আদনানকে ধর্ষক আর খুনি এবং মেয়েটিকে ধর্ষিত দাবী করে নানা রকম পোস্ট দিচ্ছে, কমেন্ট করছে।
অথচ তাসফিয়াকে কি খুন করা হয়েছে নাকি সে আত্মহত্যা করেছে, তাকে কি ধর্ষণ করা হয়েছে কিনা এসব ব্যাপারেও নিশ্চিত হয় পুলিশ। কারণ পোস্টমর্টেম রিপোর্ট এখনো প্রকাশ করা হয়নি।
মেয়েটার কথিত বয়ফ্রেন্ড আদনানকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করেও তেমন কোনো তথ্য পায়নি পুলিশ।
সে জানায় সেদিন তারা সারাদিন সি.আর.বি. তে ঘুরাঘুরি করে সন্ধায় গোলপাহাড় এলাকায় একটা রেস্টুরেন্টে নাস্তা করার পর তাসফিয়া আদনানের কাছ থেকে একশ টাকা চেয়ে নেয় বাসায় যেতে সিএনজি ভাড়ার জন্য।
আদনানও একশ টাকা দেয় কিন্তু তাসফিয়া সেখান থেকে বাসায় না গিয়ে নেভালে চলে যায়।
সেখানে নেভালে প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে সেদিন খুন হওয়ার আগে মেয়েটাকে সেখানে রাত এগারো'টা পর্যন্ত একা তাকে পাথরের উপর বসে থাকতে দেখা গেছে।
ক্লাস নাইনে পড়ুয়া একটা মেয়ে রাত এগারো'টা পর্যন্ত নেভালে কি করে সেই প্রশ্নটা আপনাদের কাছে রাখলাম।
শবে-বরাতের মত ধর্মীয় গুরুত্বপূর্ণ একটা রাতে সবাই যখন নামাজে মশগুল, মেয়েটি তখন রেস্টুরেন্টে বয়ফ্রেন্ডের সাথে খুনসুটিতে মশগুল।
সর্বশেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত আদনান ছাড়াও ফেইসবুকে মেয়েটার বেশ কয়েকজন বয়ফ্রেন্ডের কথা জানা গেছে।
এখন হয়তো অনেকে বলবেন, ভাই টাউনের মেয়েদের কয়েকটা বয়ফ্রেন্ড থাকতেই পারে, এটা অস্বাভাবিক কিছু নয়।
তাহলে আমিও বলব বয়ফ্রেন্ডের সাথে ঘুরতে গিয়ে এভাবে খুন হতেই পারে, এটা অস্বাভাবিক কিছু নয়।
এটাকে স্বাভাবিক ভাবেই নিন।
মেয়েটা তো জাস্ট রাত এগারোটা পর্যন্ত নেভালে ছিলো, এমনও মেয়ে আছে যারা সারারাত নাইটক্লাবেই কাটিয়ে দেয়, আর বয়ফ্রেন্ড সহ তার বন্ধুদের হাতে ধর্ষিত হতে থাকে, যেগুলো হয়তো পেপার-পত্রিকায় আসেনা।
মডার্ন হওয়া ভালো কিন্তু আল্ট্রা-মডার্ন হওয়া ভালো নয়। এটা থেকে যদি আল্ট্র-মডার্ন আপুদের কিছুটা শিক্ষা হয় আরকি!!!
যারা বলছেন মেয়েটা যদি আপনার বোন হয় কিংবা আপনার বোনের সাথে যদি এমন হতো?
তাদের বলতে চাই, ভাইরে এই ডায়লগ আর কতকাল দিবি?
বেঁচে থাকাকালে যে পতিতা ছিলো মরে গেলে সে সবার বোন হয়ে যায় এটা নতুন কিছু নয়।
প্রথমত হচ্ছে আমার বোনকে কখনোই আমি রাত এগারোটার সময় নেভালে যেতে দিবোনা কিংবা সারারাত নাইটক্লাবে ডিস্কোতে কাটাতে দিবোনা।
যদি আমার বোন আমার কন্ট্রোলের বাহিরে গিয়ে কথিত বয়ফ্রেন্ডের সাথে বাহিরে রাত কাটাতে গিয়ে কারো হাতে খুন হয় তাহলে আমি বলব একদম উচিত কাজ হয়েছে, সে আমার বোন হোক আর যার বোন হোক না কেন।
সমস্যা হচ্ছে বেশী সুশীলগিরি দেখাইতে পারিনা, যার কারণে হয়তো আমার কথা গুলো হয়তো অনেকের কাছে খারাপ লাগবে......
!
তবে আপাতভাবে যতটুকু জানা গেছে তা নিয়ে তো কিছু বলা যায়।
এই ঘটনা সম্পর্কে যতটুকু জানতে পারলাম তা থেকে আমার দৃষ্টিতে ৮০%'ই মেয়েটার দোষ।
একটা ক্লাস নাইনে পড়ুয়া ১৫বছরের মেয়ে ফেইসবুক ফ্রেন্ডের সাথে ঘুরতে বাসা থেকে বের হয় কিভাবে? তাও আবার বন্ধের দিন!!!
মেয়েটির মা-বাবা'ই বা কেমন?
ফেইসবুকে দেখছি সবাই আদনানকে ধর্ষক আর খুনি এবং মেয়েটিকে ধর্ষিত দাবী করে নানা রকম পোস্ট দিচ্ছে, কমেন্ট করছে।
অথচ তাসফিয়াকে কি খুন করা হয়েছে নাকি সে আত্মহত্যা করেছে, তাকে কি ধর্ষণ করা হয়েছে কিনা এসব ব্যাপারেও নিশ্চিত হয় পুলিশ। কারণ পোস্টমর্টেম রিপোর্ট এখনো প্রকাশ করা হয়নি।
মেয়েটার কথিত বয়ফ্রেন্ড আদনানকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করেও তেমন কোনো তথ্য পায়নি পুলিশ।
সে জানায় সেদিন তারা সারাদিন সি.আর.বি. তে ঘুরাঘুরি করে সন্ধায় গোলপাহাড় এলাকায় একটা রেস্টুরেন্টে নাস্তা করার পর তাসফিয়া আদনানের কাছ থেকে একশ টাকা চেয়ে নেয় বাসায় যেতে সিএনজি ভাড়ার জন্য।
আদনানও একশ টাকা দেয় কিন্তু তাসফিয়া সেখান থেকে বাসায় না গিয়ে নেভালে চলে যায়।
সেখানে নেভালে প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে সেদিন খুন হওয়ার আগে মেয়েটাকে সেখানে রাত এগারো'টা পর্যন্ত একা তাকে পাথরের উপর বসে থাকতে দেখা গেছে।
ক্লাস নাইনে পড়ুয়া একটা মেয়ে রাত এগারো'টা পর্যন্ত নেভালে কি করে সেই প্রশ্নটা আপনাদের কাছে রাখলাম।
শবে-বরাতের মত ধর্মীয় গুরুত্বপূর্ণ একটা রাতে সবাই যখন নামাজে মশগুল, মেয়েটি তখন রেস্টুরেন্টে বয়ফ্রেন্ডের সাথে খুনসুটিতে মশগুল।
সর্বশেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত আদনান ছাড়াও ফেইসবুকে মেয়েটার বেশ কয়েকজন বয়ফ্রেন্ডের কথা জানা গেছে।
এখন হয়তো অনেকে বলবেন, ভাই টাউনের মেয়েদের কয়েকটা বয়ফ্রেন্ড থাকতেই পারে, এটা অস্বাভাবিক কিছু নয়।
তাহলে আমিও বলব বয়ফ্রেন্ডের সাথে ঘুরতে গিয়ে এভাবে খুন হতেই পারে, এটা অস্বাভাবিক কিছু নয়।
এটাকে স্বাভাবিক ভাবেই নিন।
মেয়েটা তো জাস্ট রাত এগারোটা পর্যন্ত নেভালে ছিলো, এমনও মেয়ে আছে যারা সারারাত নাইটক্লাবেই কাটিয়ে দেয়, আর বয়ফ্রেন্ড সহ তার বন্ধুদের হাতে ধর্ষিত হতে থাকে, যেগুলো হয়তো পেপার-পত্রিকায় আসেনা।
মডার্ন হওয়া ভালো কিন্তু আল্ট্রা-মডার্ন হওয়া ভালো নয়। এটা থেকে যদি আল্ট্র-মডার্ন আপুদের কিছুটা শিক্ষা হয় আরকি!!!
যারা বলছেন মেয়েটা যদি আপনার বোন হয় কিংবা আপনার বোনের সাথে যদি এমন হতো?
তাদের বলতে চাই, ভাইরে এই ডায়লগ আর কতকাল দিবি?
বেঁচে থাকাকালে যে পতিতা ছিলো মরে গেলে সে সবার বোন হয়ে যায় এটা নতুন কিছু নয়।
প্রথমত হচ্ছে আমার বোনকে কখনোই আমি রাত এগারোটার সময় নেভালে যেতে দিবোনা কিংবা সারারাত নাইটক্লাবে ডিস্কোতে কাটাতে দিবোনা।
যদি আমার বোন আমার কন্ট্রোলের বাহিরে গিয়ে কথিত বয়ফ্রেন্ডের সাথে বাহিরে রাত কাটাতে গিয়ে কারো হাতে খুন হয় তাহলে আমি বলব একদম উচিত কাজ হয়েছে, সে আমার বোন হোক আর যার বোন হোক না কেন।
সমস্যা হচ্ছে বেশী সুশীলগিরি দেখাইতে পারিনা, যার কারণে হয়তো আমার কথা গুলো হয়তো অনেকের কাছে খারাপ লাগবে......
!




0 Comments: