আজকের বিষয়ঃ সামা-কালাম-সুফি সঙ্গীত
সম্পূর্ন পড়ার জন্য অনুরোধ করা হইল
চিশতীয়া তরিকার সম্রাট খাজা মইনউদ্দিন হাসান চিশতী থেকে হালাল হয়ে এসেছে,,তাই আমরা যারা চিশতীয়া তরিকার অনুসারী তাদের জন্য সামা মাহফিল খুবই গুরুত্বপূর্ণ ইবাদাত,,|
তবে সব ধরনের সঙ্গীত হালাল না,,যেসব সঙ্গীত আল্লাহ ও আল্লাহর রাসূল,অলী-আউলিয়া ও পীর ও মুরশিদের প্রতি প্রেম জাগায় ও দিল নরম করে সেসব সঙ্গীত হালাল ও করা ইবাদাত |
তবে এসব পাঠ করা বা গাওয়ারও নিয়ম ও নীতিমালা আছে,,সেসব নিয়ম ও নীতিমালা অনুযায়ী করলে হালাল ও ইবাদাত অন্যতায় হারাম ও গুনাহ |
এখন প্রায়ই দেখা যায় অনেক নাম ধারি পীর ফকির বা সাধারণ মানুষ চিশতীয়া তরিকার নাম নিয়ে সামা মাহফিলের নামে ফাসেকি করতেছে,এগুলা ইবাদাত তো দূরের কথা আরো গুনাহ করতেছে,সামা মাহফিল তথা চিশতীয়া তরিকার সাথে বেয়াদবি করতেছে |
যে সামা দিয়ে খাজা মইনউদ্দিন হাসান চিশতী হিন্দুস্থানে তাবলিগ করে কয়েক লাখ মানুষ মুসলমান করেছিলেন,,তাই এই সামা খুব মূল্যবান ইবাদাত,,|
প্রকৃত সামা মাহফিল তরিকতের নামাজও বটে |
তাই নামাজে যেমন পাক-পবিত্রতা,অজু বাধ্যতামুলক তেমনি সামা মাহফিল করতে হলে আগে অজু করতে হবে ও পাক-পবিত্র হয়ে মাহফিলে বসতে হবে,,পাঞ্জাতনের পাঁচটা বাতি জালাতে হবে,,তারপর আদবের সহিত সামা গাইতে হবে |
সামা মাহফিলে বসে কোনো ধরেনের বেয়াদবি করা যাবেনা,,এমন কোনো কাজ করা যাবেনা যে কাজের দ্বারা পবিত্রতা বিনষ্ট তা,,ধুমপান করা যাবেনা,,ধুমপান করতে হলে মাহফিল স্থান ত্যাগ কর করতে হবে এমনকি ধুমপান করার পর পুনরায় অজু করে এসে মাহফিলে বসতে হবে,,মাহফিলে বসে পা লম্বা করা যাবেনা,,পস্রাব করলে পুনরায় অজু করে এসে মাহফিলে বসতে হবে ||
এইভাবে যদি করতে পারেন সামা মাহফিল তবেই সেটা হালাল ও তবেই সেটা তরিকতের নামাজ বা ইবাদাত হবে,,অন্যতায় সেটা হারাম ও বেয়াদবি যার ফলে গুনাহ হবে ||
বিঃদ্রঃ এই লেখা একান্তই আমার মন থেকে লিখছি,,কাজেই ভূলত্রুটি ক্ষমা করবেন ||
ধন্যবাদ




0 Comments: