পাক পাঞ্জাতন
√এই পাক পাঞ্জাতন অজুদে নিহিত আছে
বেল
গায়েব একিন,এলমূল একিন,আইনূল একিন,হক্কুল
একিন
,হুয়াল একিন ।
√পঞ্চ অজুদে তথা পঞ্চ ভাগে শরীরে স্থিত
আছে ।লতিফাতন,ফানাতন,বাকা
তন,নূরীতন,কেসিফতন.
√ তাতে আছে পঞ্চ প্রেম
মেজাজী,সিদ্দিকী
,কাসেফি,মাহবুবীও হাকিকী ।
√মোমকেনাল,মোমতেনাল এ ভাষায় পঞ্চ
অজুদ
বসে ৫ x ৫ = ২৫ হলো ।
•মাটি হতে:হাড়,মাংস,ত্বক,রগ, পশম ।
•পানি হতে:শুক্র,রক্ত,মজ্জা,মল ও মুত্র
•আগুনহতে:ক্ষুধা,তৃষ্ঞা,নিদ্রা,আলস্য,ভ্রান্তি
•বাতাস
হতে:ধারণ,চলন,সংকোচন,প্রসারণ,ক্ষেপন ।
•ছাফা হতে: কাম,ক্রোধ,লোভ,মোহ ও লজ্জা
।
এই পঁচিশের মধ্যে আরও পঞ্চাশটি গুণ
রয়েছে ।
সৃষ্টির গূর তত্বটি রজব দেওয়ান গানে প্রকাশ
করেছেন :
পাঞ্জাতনের পঞ্চ শক্তি
এই সৃষ্টির সৃজনের মূল,
পঞ্চে পঞ্চ আকার সেজে
নাম ধরেন মুহাম্মদ রাসূল ।
দরখত একিনের নিচে
বসলেন নিজে ময়ুর সেজে,
পাঞ্জাতন স্বরুপে মিশে
এই সৃষ্টির সৃজন করে ।
পাঞ্জাতনের পঞ্চ শক্তি
অজুদে স্থাপনপঞ্চ একিন
পঞ্চ প্রেম করে তারে নিরীক্ষন ।
পাঁচ দিয়া পাঁচ করলে পূরণ
দেখবি পাঁচ পাঁচা পঁচিশের বন্ধন।
এই জগৎকরিয়া সৃজন,
নিরাকার সাঁই নামটি ধরে ।
এই পঁচিশের বন্ধন
হলো মুহাম্মদী অজুদ ।
•এই অজুদের মাধ্যমে আল্লাহ তাঁর গুণ প্রকাশ
করে চলেছেন ।
তিনি অলক্ষে থেকে তথা অদৃশ্য থেকে তাঁর
গুণ প্রকাশ করে চলছেন ।তাই তিনি
সাধারণের নিকট
অপ্রকাশ,গুপ্ত,অপরিচিত,নিরাকার ।এই
অবস্থার প্রতি
বিশ্বাস হলো বেল গাইব একিন ।এটি শরীয়ত
তথা
আল্লাহ পর্যন্ত পৌঁছিতে তথা জাতে অরুজ
করতে আরম্ভ পথ তথা প্রাথমিক পথ ।এখানে
রয়েছে সমস্ত ভাল মন্দের সমাহার ।কিন্তু এক
পর্যায়ে আল্লাহ প্রকাশিত তথা হুয়াজ
জাহের ।
[তিনি কোথায় এমন রুপে প্রকাশিত তা
আধ্যাত্মিক
জ্ঞান ব্যতীত দেখা সম্ভব নয় ।]
অর্থাৎ আল্লাহর চোখেই আল্লাহকে দেখতে
হবে ।কাজেই তাঁর যে অবস্থাটা নিরাকার
তাঁর সমস্ত সৃষ্টিতেই আছে তথা মহিত হয়ে
আছে কাদির রুপে ।
নিরাকার মানে যার কোন দিক-নির্দেশনা
,লক্ষ নেই
,অনন্ত অসীম ।কাজেই নিরাকার আল্লাহ
খুঁজলে হতাশ হতে হবে ,বিভান্ত হতে
হবে,চিন্তা শক্তি অনন্তে ফানা হয়ে যাবে ।
কাজেই
নিরাশা হয়ে ফিরে আসতে হবে ।আল্লাহ
পাক
ঘোষনা করেছেন:[[তোমরা রবের দাসত্ব কর
এবং আল্লাহর নৈকট্য লাভের জন্য ওছিলা
তালাশ কর এবং
এই পথেই জেহাদ কর, সফলকাম হবে ।]]
কাজেই বায়াত হওয়া ওয়াজিব ।কামেল
মুর্শিদ ব্যতীত
আল্লাহর নৈকট্য লাভ অসম্ভব ।
•হরফে মোকাত্তায়াতের মধ্যে আলিফে হলো
আল্লাহ সত্তা,লামে আল্লাহর মানস রুপ
পৃথিবী
আদম,মীমে তাঁর উত্তর সাধক তথা নবী রাসূল
।এই তিনের বর্ণনা সমগ্র কোরান ।
এই তিন অক্ষর লুকায়িত আছে আলহামদু
শব্দের
মাঝে ।
•আহাদ,আহম্মদ,মুহাম্মদ এই তিনের মর্ম্ও
এখানে ।
আলিফ ও লামের উপর দীর্ঘ্ মদ যোগে আল
হয়েছে ।
আল অর্থ্:নূরের বংশধর তথা কাওসারের
ধারা তথা
আত্মিক বংশধর ।আলেমীম তথা মুহাম্মদের
বংশধর ।
এই বংশ চিরস্থায়ী নিত্য বংশধর এবং এটি
অনন্তকালব্যপী বিরাজিত ।সূরা কাওসারের
মূল মর্মার্থ্
এটাই ।কুরআনে বলা হয়েছে – ওয়াফি
আনফুসিকুম
আফালাতাতুবসিরুন–অর্থ্ :আমি তোমাদের
নফসের
সাথে মিশে আছি তোমরা কি দেখনা ?এই
আনফাসেই চলাচল আল্লাহ,নবী,আদম ।তিন
দমে
এক দম হা-হে-হু তিন শব্দে আসা যাওয়া ।
এলমে
ইরফানী যারা তাঁরাই দেখতে পায় ।হা-হুতের
রাজ্য হতে নাছুতে এসে ঘুরে বেড়ায় ।কামেল
মুর্শিদের কাছে এর ভেদ তত্ব জানতে হবে।




0 Comments: