প্রেসিডেন্ট হযরত উমর ফারুক (রাদ্বি.) এর ঈদ শপিং!!!

প্রেসিডেন্ট হযরত উমর ফারুক (রাদ্বি.) এর ঈদ শপিং!!!


সুবহানআল্লাহ! এ কেমন শাসক?





প্রেসিডেন্ট হযরত উমর ফারুক (রাদ্বি.) এর ঈদ শপিং!!!
শিক্ষনীয় একটি ঘটনা:- যেমন প্রেসিডেন্ট তেমন অর্থমন্ত্রী।





প্রেসিডেন্ট হযরত উমর ইবনুল খাত্তাব (রাদ্বি.) ২৩শে আগষ্ট ৬৩৪সাল থেকে ৩রা নভেম্বর ৬৪৪সাল পর্যন্ত আরবের (দ্বিতীয় খলিফা হিসেব) দায়িত্ব পালন করেন। প্রায় অর্ধ পৃথিবীর শাসক হযরত উমর (রাদ্বি.) এর খিলাফতের প্রথম দিকে হযরত আবু উবাইদা (রাদ্বি.) তখন অর্থমন্ত্রী হিসেবে রাষ্ট্রীয় কোষাগার দেখাশুনা করতেন।





ঈদের আগের দিন প্রেসিডেন্ট হযরত উমর (রাদ্বি.) এর স্ত্রী নিজ স্বামীকে বললেন, 'আমাদের জন্য ঈদের কাপড় না হলেও চলবে, কিন্তু ছোট বাচ্চাটা নতুন কাপড়ের জন্য কাঁদছে।' আরব জাহানের শাসক হযরত উমর (রাদ্বী.) বললেন 'আমার তো নতুন কাপড় কিনে দেওয়ার মতো সামর্থ্য নেই!!' আল্লাহু আকবর… একজন প্রেসিডেন্টের সামর্থ্য নেই নিজের সন্তানকে ঈদের কাপড় কিনে দেওয়ার মতো, শুনলেই শরীরের লোম একসাথে দাড়িয়ে যায়!!





পরে প্রেসিডেন্ট হযরত উমর (রাদ্বি.) তার অর্থমন্ত্রী হযরত আবু উবাইদা (রাদ্বি.) কে এক মাসের অগ্রিম বেতন দেওয়ার জন্য চিঠি পাঠালেন।





সমগ্র মুসলিম জাহানের শাসাক যিনি, যিনি সেই সময় অর্ধ পৃথিবী শাসন করেছিলেন, তার এ ধরণের চিঠি পেয়ে হযরত আবু উবাইদা (রাদ্বি.)'র চোখে পানি এসে গেলো। তারপরো অর্থমন্ত্রী বাহককে টাকা না দিয়ে চিঠির উত্তরে লিখলেন, 'আমীরুল মুমিনীন! অগ্রীম বেতন বরাদ্দের ব্যাপারে আপনাকে দুটি বিষয়ে ফায়সালা দিতে হবে'।
'প্রথমত, আপনি আগামী মাস পর্যন্ত বেঁচে থাকবেন কিনা?'
'দ্বিতীয়, বেঁচে থাকলেও দেশের জনসাধারণ সেই মেয়াদ পর্যন্ত খিলাফতের দায়িত্ব বহাল রাখবে কিনা?'





চিঠি পেয়ে প্রেসিডেন্ট কোনো প্রতি উত্তর করলেনই না, বরং এত বেশি কেঁদেছেন যে উনার চোখের পানিতে দাঁড়ি ভিজে গিয়েছিলো। আর হাত তুলে আল্লাহর দরবারে দো'আ করলেন একজন যোগ্য অর্থমন্ত্রী নির্বাচিত করতে পেরেছেন ভেবে।


0 Comments: