হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) হইতে বর্নিত তিনি বলেন রাসুলে পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন মহান আল্লাহ পাক বলেন
“আমার বান্ধা নফল ইবাদত সাধনার মাধ্যমে আমার এতই নিকটবর্তী হয়ে যায় এক পর্যায়ে আমি নিজে তাকে ভালবাসি, আর আমি যখন কাউকে ভালবাসি তখন আমি তার কান হয়ে যাই যা দ্বারা সে শুনে আমি তার চোখ হয়ে যাই যা দ্বারা সে দেখে আমি তার হাত হয়ে যাই যা দ্বারা সে ধরে আমি তার পা হয়ে যাই যা দ্বারা সে চলে । এমতাবস্থায় সে আমার কাছে কিছু চাইলে আমি তা অবশ্যই দান করি ।
(বুখারী শরীফ ২য় খন্ড মেশকাত শরীফ ১৯৭০পৃষ্ঠা)
বিশ্ব বিখ্যাত মনিষী হযরত জালালুদ্দিন রুমি (রহঃ) বলেন ওলী
আউলিয়ার দরবার আল্লাহর দরবার, কেহ যদি আল্লাহর সার্ন্নিধ্যে বসতে চায় সে যেন ওলী আউলিয়ার দরবারে
হাজির হয় । ওলী আউলিয়ার সার্ন্নিধ্যে যাওয়ার এবং বসার নির্দেশ সয়ং আল্লাহ পাক দিয়েছেন যেমন
আল্লাহ পাক বলেন,
“হে মুমিনগণ তোমরা আল্লাহকে ভয় কর এবং সাদেকিনদের (ওলী আউলিয়ার )সংগী হয়ে যাও ।
(সুরা তাওবাঃ ১১৯)
আল্লাহ পাক অন্য আয়াতে বলেন,
“তোমরা আল্লাহকে ভয় করো এবং আল্লাহর পথে ওসীলা/ মাধ্যম তালাশ কর ।
(সুরা মায়িদাহঃ ৩৫)
ওলী আল্লাহ শব্দের অর্থ হল আল্লাহর বন্ধু ।আল্লাহ পাক স্বীয় বান্দাদের মধ্য হতে কতিপয় সৌভাগ্য বান
লোক নির্বাচন করে নেন তারাই ওলী আল্লাহ । যুগে যুগে নবী রাসুল গন যেমনি স্ব-স্ব দায়িত্ব পালন করেছেন অনুরুপ তাদের সঙ্গপ্রাপ্ত এবং পরবর্তিতে তাদের ফয়েজ প্রাপ্ত আউলিয়া কেরাম ও দ্বীন ও ধর্ম প্রচারে রেখেছেন অসমান্য অবদান । আউলিয়ায়ে কিরাম আল্লাহর বন্ধু যাদেরকে আল্লাহ পাক শু-সংবাদ ঘোষণা
দিয়েছেন আল্লাহ পাক বলেন,
“নিশ্চয়ই আল্লাহর ওলীদের কোন ভয় নেই এবং তারা চিন্তিত ও নয় ।
(সুরা ইউনুসঃ ৬২)
উল্লেখিত আয়াত ও হাদীস দ্বারা প্রমাণিত হয় আউলিয়ায়ে কেরামের মর্তবা আল্লাহর দরবারে কত বেশি ।
তাদের দোয়া আল্লাহর দরবারে কবুল হয় । তাদের সংস্পর্শে আসলে মানুষ হয় ধন্য । গুনাহগার আসলে
নেককারে পরিনত হয় । আর জাহান্নামি আসলে পেয়ে যায় জান্নাতের রাস্তা ।
পরিশেষে বলব,
আল্লাহ পাক আমাদের সকল কে ওলী আউলিয়ার সংস্পর্শে রেখে আল্লাহর হুকুম এবং তার মাহবুব
নুরনবী মুহাম্মাদ মুস্তফা সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর গোলামী করার তাওফীক দান করুক ।
আমীন ।




0 Comments: