বহুবার খুন হয়ে যাচ্ছিলাম, তবুও কেমনে কেমনে ফিরে এলাম জানি না!! সব তারই দয়া, হুজুরক্বিবলা তৈয়্যব শাহ্ (রাঃ)'র ওসিলা..
#মোসাহেবউদ্দীনবখতিয়ার

১৯৭৯_সালে নাজিরহাট কলেজে, প্রথম দিনেই ৬৭ জনের স্বাক্ষরে, "আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআত নাজিরহাট কলেজ" প্রতিষ্ঠা করেছিলাম ছাত্রদের সুন্নিয়তের পথে ধরে রাখতে। এর পরের বছর "বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র সেনা " জন্ম হবার খবর পেয়ে নিজে সবাইকে নিয়ে সেখানে যোগদান করি অকপটে। এ কথা মাথায়ও আসেনি যে, আমিও একটি কিতাবি দলের প্রতিষ্ঠাতা!!!অন্যদের সাথে গিয়ে ইউনিট কর্মি হব কেন?সুন্নি মাদ্রাসা, আর এলাকায় আহল সুন্নাত করা, আর কলেজে করার সাহস দেখানো এক নয়। আল্লাহ্ দয়া করেছেন, তাই হয়েছে। বহু কথা বেরিয়ে আসতে চায়, কিন্তু সংযমই ঐক্যের সহায়ক, তাই বলছিনা। জীবনে মিথ্যা বলিনি, প্রতারণাও করিনি, নিজের জন্য কোন সুযোগ-সুবিধাও নিলামনা বলে মনে মনে অনেক সুখ পাই। মনসুর! একা একা তোমাদের বাড়ির শিবিরের মাহফিলে গিয়ে গভীর রাতে তাদের মুহাদ্দিস কে চ্যালেন্জ করে, জনতার কাঁধে চড়ে বাড়ি ফিরেছিলাম অথচ সে মাহফিলে ছিল সব শিবিরের ক্যাডার, --সব তারই দয়া, হুজুর কেবলা তৈয়্যব শাহ্ 'র উসিলা। এতগুলো মামলার ভারে মা-বাবা সয্যাশায়ী হয়ে একে একে চলে গেছেন ,মামলার জন্য কখনো কোন সাহায্য কোন মহল থেকেই মিলেনা কিন্তু এ অধম কোনদিন ভেঙ্গে পড়িনি এমনকি প্রকাশ্য বা গোপনে কারো বিরুদ্ধে

অভিযোগও করিনি কখনো, সম্ভবত আজই প্রথম একটু ঈঙ্গিত দিলাম ।বহুবার খুন হয়ে যাচ্ছিলাম, তবুও কেমনে কেমনে ফিরে এলাম জানিনা। এই পথে কত কি দেখেছি বলতে পারিনা, খোদ কাউন্সিলে পদের জন্য ভেঁউ ভেঁও করে কাঁদতেও দেখেছি। মিথ্যা আর অপব্যাখ্যার কত তামাশা দেখেছি!!!!আল্লাহর কাছে ধৈর্য প্রার্থনা করি এই জন্যই যে যেন, সংগঠন আর সুন্নি ঐক্য নষ্ট না হয়।




0 Comments: