
সারা বিশ্ব জগৎ সৃষ্টি করার পর ' আল্লাহ্ দোযখ কে =তাহতাচ্ছারা নামক স্থানটি কাদা মাটি দিয়ে সৃষ্টি করিলেন।।
হযরত আবদুল্লাহ্ ইবনে আব্বাস (রাঃ) বলেন - ছারা নামক একটি বিশালাকৃতি পাথরের নীচে দোযখ কে স্থাপন করা হয়েছে ।
তত্ত্বাবধানে - মালিক নামক এক ফেরেশতাকে সর্দার পদে নিযুক্ত করেছেন ।
দোযখ মোট সাতটি।
1) জাহির 2) জাহান্নাম 3) সাকার 4) সাঈর 5) লাজা 6) হাবিয়া 7) হুতামা
দোযখের গভীরতা ।
হযরত আবদুল্লাহ বলেন 'ফেরেশতা জিবরাইল আঃ হযরত মোহাম্মদ সাঃ কে দোযখ সম্পর্কে বিভিন্ন বর্ণনা শুনাচ্ছিলেন তখন সমস্ত জগৎ ব্যাপী একটি শব্দ শুনা গেল ।এবং পৃথিবী থরথর করে কেপে উঠল।সেই শব্দ শুনে রাসুল সাঃ এর চেহারা মোবারক বিবর্ন হয়ে গেল ।তিনি জিজ্ঞাসিলেন হে জিব্রাইল তুমি কী বলতে পার কিসের আওয়াজ শুনা গেল।
জিব্রাইল আঃ বললেন ' হযরত আদম আঃ কে সৃষ্টির 70 হাজার বছর আগে একটি পাথর সৃষ্টি করে দোযখের এক কিনারায় রাখা হয়েছিল ।সেই পাথরের ওজন প্রায় 70 হাজার মন ।সেই পাথর টি 70 হাজার বছর আগে গডিয়ে হাবিয়া দোজখে পডে।
এই মাত্র পাথরটি হাবিয়া দোযখের নিন্মদেশ স্পর্শ করিল।।
রাসুল সাঃ জিব্রাইল আঃ কে জিজ্ঞাসিল কোন শ্রেনীর লোক কোন দোজখে থাকবে বা যাবে।
1) হাবিয়া দোজখে যাবেঃ মোনাফেকরা
2) জাহান্নামে যাবে =আল্লাহ্ কে অস্বীকার কারী- তার সঙ্গে শরিক করা ' মুশরেক মূর্তি পুজাকারীরা।।
3) সাকার দোজখে যাবেঃ ইয়াহুদি ,নাছারা অগ্নিউপাসকগন।।
4)লাজা দোযখে যাবেঃ যাঁরা ইমান আনা সত্তেও শয়তানের তাবেদারী করে ।
5) হুতামা দোযখে যাবে - যাঁরা সুদ ঘুষ খায় , ও বড বড পাপে লিপ্ত তারা হবে হুতামার অধিবাসী ।।
6) সাঈর দোযখে যাবে - মূর্তি পূর্জারকগন।।
7) জাহিম দোজখে যাবে - জিব্রাইল আঃ বলেন হে নবী আপনার গুনাহগার উম্মত যাবে জাহিম নামক দোযখে ।।
তেজস্কৃয়া -আবু হোরায়রা রাঃ এক হাদিসে বর্নিত - সাধারণ অবস্থার অগ্নি কে এক হাজার বছর ধরে তেজ বৃদ্ধি করতে করতে যখন লাল বর্ন হল। আবার সেই আগুন এক হাজার বছর ধরে তেজ বৃদ্ধি করে রং হবে কালো ।এই কালো রং ই থাকবে দোযখের ।।
এর হাকিকত বিশাল তা শুধু জ্ঞানীরাই অনুধাবন করতে পারেন।
শাহ্ সূফি সৈয়দ আফজাল হোসাইন রেজভী (পিয়ার চাঁন ) বরিয়াব দরবার শরিফ।
ভুল ক্রটি ক্ষমাপ্রার্থনা করছি ।
Md Saheb Ali Bi
সবাই কে সাধুবাদ ।




কি জানাব ?
উত্তরমুছুনহক হক
উত্তরমুছুন