😭 আহলে বায়াত এর ৪ জন সদস্যকে যে ভাবে হত্যা করা হয়েছিল তা নিম্নে দেয়া হল ঃ–
হযরত মাওঁলা আলী (আ) : তাঁকে ৪০ হিজরী সনের ২১শে রমজান মসজিদে এবাদতে থাকা অবস্থায় ইবনে মুলজাম হত্যা করে।
হযরত মা ফাতেমা (আ) : তিনি ঘরে থাকা অবস্থায় ঘরের মধ্যে আগুন জ্বেলে দিয়েছিল। ওমরের নেতৃত্বে খেলাফতের যুবদল মাওঁলা আলী (আ.) কে ধরে আনতে গিয়ে ঘরে আগুন লাগিয়েছিল । ঘরের মধ্যে মা ফাতেমা, মাওঁলা আলী, মাওঁলা হাসান ও মাওঁলা হুসাইন ছাড়া অন্য কেহ ছিল না। এই ঘটনা ছিল আকস্মিক। দরজার আঘাতে মা ফাতেমার পাঁজর ও হাত ভেঙ্গে যায়। এতে এমন আঘাত লেগেছিল যে মা ফাতেমার গর্ভস্থ সন্তান মারা যায়। ফলে তিনি অল্পকাল অসুস্থ থেকে ১১ হিজরী সনের ১৪ জমাদিউল আউওয়াল শহীদ হন।
হযরত ইমাম হাসান (আ.) : তাঁকে মুয়াবিয়ার ষড়যন্ত্রে ২৮ সফর ৫০ হিজরী বিষ প্রয়োগ করে হত্যা করা হয়।
হযরত ইমাম হুসাইন (আ) : পৃথিবীর প্রায় সকল জাতিই তাদের বছরের প্রথম দিন আনন্দ উল্লাসের মাধ্যমে পালন করেন। কিন্তু মুসলমানগণ আরবী বছরের প্রথম দিন থেকে দশম দিন পর্যন্ত শোক পালন করতে হয়। চোখে আনন্দের পরিবর্তে থাকে অশ্রু। কারণ ইসলামী
বছরের ৬১ হিজরী সনের ১০ মহরম কারবালায় মর্মান্তিকভাবে তিনি শহীদ হন। এজিদের নির্দেশে কারবালায় রাসুল (দঃ) বংশধর মাওলা হুসাইন (আ.)
সহ ৭২ জন সদস্যকে অবরোধ করে রাখে। খাদ্য এবং পানি বন্ধ করে দেয়া হয়। এজিদের সেনাপতি যিয়াদের নেতৃত্বে ২২ হাজার সৈন্য মাওঁলা পরিবারকে ঘিরে রাখে। পানির অভাবে বাচ্চা শিশু পর্যন্ত অকাতরে জীবন দান করেন। শিশু আজগর (রা) কে পানির বদলে বুকে তীর নিক্ষেপ করে হত্যা করা হয়। যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে বাতিলদের সংখ্যা দাড়ায় ১ লাখ। মুসলমান রূপী মুনাফেকগণের কারবালায়
নির্মমভাবে হত্যা কাণ্ডের ফলে
মোহাম্মদী সূর্যের অস্তমিত করা হয়।
মানব জাতি বঞ্চিত হয় এক মহাকল্যাণ থেকে। প্রতিষ্ঠিত হয় আরব্য:সাম্রাজ্যবাদ।
সেই ১৪৫০ বছর আগের ইসলাম আর বর্তমান ইসলাম আকাশ পাতাল বেবধান।
বিঃদ্রঃ আহলে বায়াতের ১১ জন ইমাম (আঃ)কে ই এজিদি মুসলমানগন শহীদ করেন।
লেখক- সিকদার টিপু সুলতান মাইজভান্ডারী -
২২-০৭-২০১৫ইং সময়ঃ সকাল ৯ঃ২৫ মিনিট ✍




0 Comments: