মহাবিশ্ব জগতের বিদ্যুৎ বা শক্তিকলা দু'ভাগে বিভক্ত,একটা ঋনাত্বক আর অপরটা ধনাত্বক।

মহাবিশ্ব জগতের বিদ্যুৎ বা শক্তিকলা দু'ভাগে বিভক্ত,একটা ঋনাত্বক আর অপরটা ধনাত্বক।


,'নারী' বলতে আমি বুঝিয়েছি-মহাবিশ্ব জগতের বিদ্যুৎ বা শক্তিকলা দু'ভাগে বিভক্ত,একটা ঋনাত্বক আর অপরটা ধনাত্বক।
ঋনাত্বক হলো 'নারী' আর ধনাত্বক হলো 'পুরুষ'। আমাদের দৃষ্টিতে মনুষ্য দেহধারী স্ত্রী জাতিকেই নারী বলে জানি,এ আমাদের চিন্তার সীমাবদ্ধতা।
যাই হোক মূল প্রসঙ্গে আসা যাক! মহাকাশে অসংখ্য নক্ষত্র ও গ্রহসন্নিবেশ ঘুর্নায়মান বা স্থির অবস্থায় রয়েছে যা মনুষ্য জ্ঞানেরও বাইরে। গবেষণার স্বার্থে আলোচনায় আনতে হলো আমাদের পৃথিবী নামক গ্রহটাকে,কারন আমরা পৃথিবি গ্রহের প্রানীকূলের মধ্যে শ্রেষ্ঠ প্রানী হিসেবে বিবেচিত! হয়তোবা অন্য কোন গ্রহে আরো উন্নত কোন প্রানী'র সন্ধান অচিরেই পেয়ে যাবে মহাকাশ বিজ্ঞানীরা,সেই দিন সামান্যতম হলেও লজ্জিত হওয়ার সম্ভাবনা আছে আমাদের (শ্রেষ্ঠ প্রানী) মানুষদের।
আমাদের পৃথিবী নামক গ্রহটি যে নক্ষত্রের আলোয় বা তাপে চাঞ্চল্য পায় সেটি হলো সূর্য। সূর্য আর তেজ এর মৈথুনে এ গ্রহের জমাট মাটিতে সৃজনীশক্তির বীজাণু পতিত হলো,সৃজন হলো উদ্ভিদ বা গাছপালা। এভাবে পালাক্রমে মাটি ও গাছের সঙ্ঘমে বা মৈথুনে কীটাণু থেকে জীবজন্তু। উদ্ভিদ স্তরেই সেই নারী পুরুষ! অর্থাৎ ঋনাত্বক,ধনাত্বক! শক্তি আলাদা আলাদাভাবে তাদের মৈথুন প্রকৃয়ায় সকল প্রানের সৃজনশীলতার পূর্নতা পেলো।
এভাবে উন্নত থেকে উন্নতা প্রানের বিবর্তনে অতি বুদ্ধিমান প্রানী 'মানুষ' এর সৃজন বা আবির্ভাব ঘটলো। পৃথিবীর প্রথম মানুষ কে বা তার নাম কি তা নিয়ে ধর্মগ্রন্থে বিভিন্ন নাম থাকলেও অস্বীকার করার কোন উপায় নেই যে কোন এক যুগল তাদের মৈথুন ক্রীড়া সম্পন্ন করার ফলশ্রুতি হিসেবেই আজকের মানব সভ্যতা।
আমি বিবর্তনবাদ নিয়ে কিছুই উল্লেখ করবোনা,কারন বিবর্তবাদে মতপার্থক্য থাকলেও প্রকৃতিবাদে কোনই মতপার্থক্য নেই। যেমন-দিন রাতের আবর্তন রোদ-বৃষ্টি এবং ঠান্ডা গরম ইত্যাদি।





অহন সাঁই


0 Comments: