কারবালা মাঠের জঘন্য হত্যা কান্ডকে কোনো যুক্তিতেই যুদ্ধ বলা যায়না ।

কারবালা মাঠের জঘন্য হত্যা কান্ডকে কোনো যুক্তিতেই যুদ্ধ বলা যায়না ।


কারবালা মাঠের জঘন্য হত্যা কান্ডকে কোনো যুক্তিতেই যুদ্ধ বলা যায়না ।





বাহাত্তর জনের একটা দল বনাম আশি হাজারজনের
সেনাবাহিনীর অসম মোকাবিলা মানেই
নির্বিচারে হত্যাকাণ্ড ।





যারা এই ঘটনাকে যুদ্ধ বলে থাকে তাদের উদ্দেশ্য রহস্যজনক । এই ঘটনা প্রতিটি মুসলমানের হৃদয়ে আজও কষ্টের দাগ দিয়ে যাচ্ছে ।





কারবালা সম্পর্কিত কিছু বিষয় আমাদের কাছ থেকে সবসময় লুকিয়ে রাখার চেষ্টা হয়েছে , সেগুলি সম্পর্কে কিছু তথ্য দেয়া কর্তব্য ।





হযরত আলী কা: কতৃক প্রতিষ্ঠিত ইসলামী খিলাফতের মূল কেন্দ্র ছিল ইরাকের কুফা শহর । হযরত হুসাইন রা: এর মদীনাতে অবস্থান কালীন সময়ে কুফাবাসীর পক্ষ হতে অসংখ্য চিঠি পাঠানো হয় ।





যাতে কুফাবাসীর একনিষ্ঠ সমর্থন এবং সর্বাত্মক সাহায্যের প্রতিশ্রুতি দিয়ে হযরত
হুসাইন রা: কে কুফায় এসে তাদের নেতৃত্ব গ্রহণ
করার অনুরোধ করা হয় । কুফা হতে কারবালার দূরত্ব
দেড় দিনের কিছু বেশি অথচ কারবালা প্রান্তরে হযরত হুসাইন রা: এবং তার পরিবার আর সফর সঙ্গীরা আটদিন অবরুদ্ধ থাকলেও একজন কুফাবাসীও সাহায্যের জন্য
কারবালাতে আসেনি ।





এমন যঘন্য বেঈমানীর পর শিয়াদের মাতমকে কতখানি যৌক্তিক বলা যেতে পারে ?





হযরত হুসাইন রা: বারবার আহ্বান করার পরেও মদীনা হতে হাশিম গোত্রের মুহাজির এবং আর হাতে গোনা কয়েকজন আনসার ছাড়া কেউই তার সফর সঙ্গ হতে চাননি ।





আটদিন অবরোধকালীন সময়ই মক্কা অথবা মদীনা হতে কোনো সাহায্যও করা হয়নি ।





অথচ যুদ্ধের পূর্ব মুহূর্তে হযরত হুসাইন রা: এর
আহ্বানে ইয়াজিদের সৈন্যবাহিনী হতে আল হুরর আল
তামীমি নিজের গোত্র বনু তামীমের সকল সৈনিক সহ
পক্ষ ত্যাগ করে এবং হযরত হুসাইন রা: এর
পক্ষে যোগ দিয়ে শাহাদাত বরণ করেন ।





তখন এমন আর কোনো মানুষই কি সমগ্র মক্কা,মদীনা অথবা কুফাতে ছিলনা ?





মুসলমানদের মধ্যে মুনাফিকদের সংখ্যাই যে অধিক
তার প্রমাণ হলো কারবালার এই ঘটনা ।





ইমামুল মুরসালীন হযরত হুসাইন রা: এর করকমলে লাখো সালাম পেশ করছি । (যাযাক আল্লাহ খায়েরান)


0 Comments: