চলুন আল্লাহ কে খুজে বের করি। আল্লাহ কে পেতে হলে প্রথমে মুমিন অর্থাৎ বিশ্বাসি হতে হবে এখন কাকে দেখে বিশ্বাসি মিত্র করবেন একজন সৎ গুরু দেখে । দেখুন প্রভু কি বলে?সূরা বাইয়ীনহ: 7 - যারা ঈমান ও সৎ কাজ করে, তাদের সৃষ্টির সেরা।
★ এখন একজন সৎ গুরুর নিকট কেন যাব তার প্রমান কি? তার প্রমান আল কোরআন বলছে, সূরা ইয়াসীন:21 - অনুসরণ কর তাদের, যারা তোমাদের কাছে কোন বিনিময় কামনা করে না, অথচ তারা সুপথ প্রাপ্ত।
★১) হে মুমিনগণ! তোমরা অনুস্মরণ কর, আল্লাহ্ পাক এর, তাঁর রাসুল পাক (সাঃ) এর এবং তোমাদের মধ্যে যারা উলিল আমর রয়েছে তাদের।
[সুরা ৪ নিসা: ৫৯]।
★ অতএব তোমরা যদি না জান তবে যারা জানেন তাদের নিকট হতে জেনে নাও। [সুরা ২১ আম্বিয়া: ৭]।
★হে মুমিনগণ! তোমরা আল্লাহকে ভয় কর এবং (ছাদেকিন) সত্যবাদীগণের সঙ্গী হয়ে যাও। [সুরা তাওবা: ১১৯]।
★ আল্লাহ্ যাকে সৎপথে পরিচালিত করেন, সে সৎপথ প্রাপ্ত হয় এবং তিনি (আল্লাহ্) যাকে পথভ্রষ্ট করেন, আপনি কখনও তাঁর জন্য কোন পথপ্রদর্শনকারী ও সাহায্যকারী পাবেন না। [সুরা কা’হফ: ১৭]।
★হে মুমিনগণ! তোমরা আল্লাহ্ পাককে ভয় কর এবং তাঁর নৈকট্য লাভের উপায় বা ওয়াছিলা তালাশ কর।[সুরা ৫ মায়েদা: ৩৫]।
★) সাবধান! নিশ্চয় আল্লাহর অলিগণের কোন ভয় নেই এবং তারা কোন বিষয় এ চিন্তিতও নহেন। তাঁদের জন্য আছে সুসংবাদ দুনিয়া ও আখেরাতে, আল্লাহর কথার কোন পরিবর্তন বা হের-ফের হয় না, উহাই মহা সাফল্য। [সুরা ১০ ইউনুস: ৬২-৬৪]।
আমরা জানলাম আল কোরআন মোতাবেক একজন পথ প্রদর্শক যিনি তাকে বিশ্বাস করা যায়,
★ এখন আমরা বিশ্বাস আনলাম তাহলে কি ভাবে আল্লাহ পাব? আর আল্লাহ পেতে হলে আপনাকে আপনাকে আগে মুসলিম হতে হবে এখন আপনি যদি মনে করেন বাবা দাদুগন কথিত মুসলিম ছিল তাহলে হয়ে গেল হা হা হা ভুল ধারনা কেননা মুসলিম হতে চাইলে একজন সৎ গুরুর নিকট হতে আত্মাসমর্পিত হতে হবে, অর্থাৎ মুসলিম শব্দের অর্থ আত্মসমর্পন করা।
★সূরা আল ইমরান:102 - হে ঈমানদারগণ! আল্লাহকে যেমন ভয় করা উচিৎ ঠিক তেমনিভাবে ভয় করতে থাক। এবং অবশ্যই মুসলমান না হয়ে মৃত্যুবরণ করো না।
★এখন আপনি মুসলিম হবেন এর হাকিকত কি প্রমান কি অবশ্যই প্রমানের প্রয়োজন আছে। দেখুন প্রভু কি বলে?
★ ★সূরা আল ফাতহ:10 - হে রাসুল যারা আপনার কাছে আনুগত্যের শপথ করে, তারা তো আল্লাহর কাছে আনুগত্যের শপথ করে। আল্লাহর হাত তাদের হাতের উপর রয়েছে। অতএব, যে শপথ ভঙ্গ করে; অতি অবশ্যই সে তা নিজের ক্ষতির জন্যেই করে এবং যে আল্লাহর সাথে কৃত অঙ্গীকার পূর্ণ করে; আল্লাহ সত্ত্বরই তাকে মহাপুরস্কার দান করবেন।
★সূরা আল ফাতহ:18 - আল্লাহ মুমিনদের প্রতি সন্তুষ্ট হলেন, যখন তারা বৃক্ষের নীচে আপনার কাছে শপথ করল। আল্লাহ অবগত ছিলেন যা তাদের অন্তরে ছিল। অতঃপর তিনি তাদের প্রতি প্রশান্তি নাযিল করলেন এবং তাদেরকে আসন্ন বিজয় পুরস্কার দিলেন।
★ অপর আয়াতে আল্লাহ বাইয়াত বা প্রতিশুতি বদ্ধ হওয়ার পর তা রক্ষাকারী সম্পর্কে বলেন :-
فَلْيُقَاتِلْ فِي سَبِيلِ اللّهِ الَّذِينَ يَشْرُونَ الْحَيَاةَ الدُّنْيَا بِالآخِرَةِ وَمَن يُقَاتِلْ فِي سَبِيلِ اللّهِ فَيُقْتَلْ أَو يَغْلِبْ فَسَوْفَ نُؤْتِيهِ أَجْرًا عَظِيمًا
যে ব্যক্তি তার ওয়াদা (প্রতিশ্রুতি) পূর্ণ করবে এবং তাকওয়ার নীতি অবলম্বন করবে, সে আল্লাহ পাকের প্রিয়জন হবে। আর নিশ্চিতভাবে আল্লাহ পাক মুত্তাকীদের ভালবাসেন। (সূরা আলে ইমরান ঃ ৭৬)
★ সহিহ হাদীসে আছে :-
عَنْ اِبْنِ عُمَرَ (رض) عَنِ النَّبِيْ (صلعم) قَالَ مَنْ مَاتَ وَلَيْسَ فِيْ عُنُقِه بَيْعَ’ُ مَاتَ مَيْتَةً جَاهِلِيْةً ـ (مسلم )
হযরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রা) রাসূলে পাক (সা) হতে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন,যে ব্যক্তি বাইয়াতের বন্ধন ছাড়াই মারা গেল সে জাহিলিয়াতের মৃত্যুবরণ করল। (মুসলিম)
★ এখন আপনি মুসলিম হলেন এখন আপনাকে পরিপূর্ণ রুপে মুত্তাকিন হতে হবে, এবং আপনাকে সাধনা করতে হবে। এখন এই দায়েমি সালাত সেটা আবার কি আল কোরআনে কি লেখা আছে হা অবশ্যই আছে দেখুন ।
★ আল্লাজিনা হুম আলা সালাতিহিম দায়িমুনা অর্থাৎ সূরা আল মা’আরিজ:23 - যারা তাদের নামাযে সার্বক্ষণিক কায়েম থাকে।
★সূরা আল মা’আরিজ:32 - এবং যারা তাদের আমানত ও অঙ্গীকার রক্ষা করে ।
★সূরা আল মা’আরিজ:33 - এবং যারা তাদের সাক্ষ্যদানে সরল-নিষ্ঠাবান।
★ সূরা আল মা’আরিজ:34 - এবং যারা তাদের নামাযে যত্নবান, কায়েম বলতে সাধনারত থাকা এবং পরিপূর্ণ ভাবে কায়েম এর উপরে প্রতিষ্ঠা থাকা।সূরা আল আনকাবুত:69 - যারা আমার পথে সাধনায় আত্মনিয়োগ করে, আমি অবশ্যই তাদেরকে আমার পথে পরিচালিত করব। নিশ্চয় আল্লাহ সৎকর্মপরায়ণদের সাথে আছেন। এই স্তরে সাধক পৌছিয়ে গেলে আত্মশুদ্ধি হয়ে যায়। সাধক এই স্টেজ আজলে নফসে মোৎমায়েন্না বলা হয় বেশ কিছু বিষয়আশয় গোপন করে গেলাম। এর পড়ে সাধকের যখন কলবে এলহাম নাজিল হয় তখন বলা হয় নফসে মুলহেমার ।
★ ঠিক এই মাঝ মাঝি স্তরের স্টেজে আসলে বলা হয় বাকাবিল্লাহ ।
★ এর পরে সাধক পাবে রঙের জগত
★সূরা আল বাক্বারাহ:69 - তারা বলল, তোমার পালনকর্তার কাছে আমাদের জন্য প্রার্থনা কর যে, তার রঙ কিরূপ হবে? মূসা (আঃ) বললেন, তিনি বলেছেন যে, গাঢ় পীতবর্ণের গাভী-যা দর্শকদের চমৎকৃত করবে। এর পড়ে শুধু খেলা আর খেলা একসময় আর কোন ধর্ম থাকবে না ঠিক ঐ সময় সয়ং প্রভু দর্শন প্রদান করে। সেই জন্য তখন মহান প্রভু বলছে ★সূরা আল আনকাবুত:5 - যে আল্লাহর সাক্ষাত কামনা করে, আল্লাহর সেই নির্ধারিত কাল অবশ্যই আসবে। তিনি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞানী।
★সূরা আল ইনশিক্বাক্ব:6 - হে মানুষ, তোমাকে তোমরা পালনকর্তা পর্যন্ত পৌছতে কষ্ট স্বীকার করতে হবে, অতঃপর তার সাক্ষাৎ ঘটবে।
★ হে মানব যখন তোমার সাথে সয়ং প্রভুর সাক্ষাৎ ঘটবে তখন তুমি অবশ্যই চাইবে সয়ং প্রভুর সাথে আলিঙ্গন করি, এবং যখন তুমি আলিঙ্গন করবে ঠিক ঐ সময়ে সয়ং প্রভুর রুপের রং সাথে নিজের রং মিলিয়ে এক রুপে তৈরী হয়ে যাবে তখন তুমি সয়ং ব্রম্মা বা প্রভু রুপে পরিপূর্ণ ভাবে তৈরী হয়ে আসবে তখন তুমি সয়ং আল্লাহ হয়ে যাবে, ঠিক ঐ সময়ে কোন পার্থক্য থাকবে না সাধক ও প্রভুর মাঝে তখন এক রুপ হয়ে যায় । দেখুন আল কোরআন কি বলে
★সূরা আল বাক্বারাহ:138 - আমরা আল্লাহর রং গ্রহণ করেছি। আল্লাহর রং এর চাইতে উত্তম রং আর কার হতে পারে?আমরা তাঁরই এবাদত করি।আল্লাহ পাক বলেন, “তোমরা সব আল্লাহওয়ালা হয়ে যাও”। (সূরা ইমরান-৭৯)
★ হে মানব তোমরা তোমাদের নিজেদের পথ খুজে নাও আমি তোমাদের সঠিকত্ব হাকিকত দিয়েছি আমি কে । সূরা আদ-দাহর:3 - আমি তাকে পথ দেখিয়ে দিয়েছি। এখন সে হয় কৃতজ্ঞ হয়, না হয় অকৃতজ্ঞ হয়।
★সূরা ইউনুস:11 - আর যদি আল্লাহ তাআলা মানুষকে যথাশীঘ্র অকল্যাণ পৌঁছে দেন যতশীঘ্র তার কামনা করে, তাহলে তাদের আশাই শেষ করে দিতে হত। সুতরাং যাদের মনে আমার সাক্ষাতের আশা নেই, আমি তাদেরকে তাদের দুষ্টুমিতে ব্যতিব্যস্ত ছেড়ে দিয়ে রাখি।
★ হে বিশ্বের সকল মানব হিন্দু খ্রিস্টান বুদ্ধ এবং সকল ধর্মের অনুসারী তোমরা কল্যাণকর পথে আস তোমরা সুফিবাদ হতে মানব মুক্তি নিয়ে চলে যাও, অন্য কোন জগত হতে মানব মুক্তি হবে না। সুফিবাদ হলো প্রেম ধর্ম, মানবতার ধর্ম, তুমি যা কিছু ধারন করবে তাহাই ধর্ম হয়। আমি তোমাদের ধর্ম চেঞ্জ বা পরিবর্তন করতে বলছি না দেখ প্রভু তোমাদের জন্য কি বলে।
★সূরা আল বাক্বারাহ:62 - নিঃসন্দেহে যারা মুসলমান হয়েছে এবং যারা ইহুদী, নাসারা ও সাবেঈন, (তাদের মধ্য থেকে) যারা ঈমান এনেছে আল্লাহর প্রতি ও কিয়ামত দিবসের প্রতি এবং সৎকাজ করেছে, তাদের জন্য রয়েছে তার সওয়াব তাদের পালনকর্তার কাছে। আর তাদের কোনই ভয়-ভীতি নেই, তারা দুঃখিতও হবে না।
★ সকল মানবের কল্যাণ হোক এই কামনা করি ।
★★বিঃদ্রঃ প্রভুর সাথে আলিঙ্গন স্টেজের গুরু হাতেগনা আছে কয়েক জন এর পরে বেশ কিছু গুরু রয়েছে শুধু মাত্র প্রভুর দর্শন বা সাক্ষাৎ হয়েছে, আর বেশিরভাগ পীর হলো বাকা বিল্লাহ স্টেজের গুরু। আর বাদবাকি গড়ে ৭০% জন হলো পাগরি দেওয়া পীর অর্থাৎ দরবারি পীর ★




0 Comments: