বৈশাখী স্পেশাল: ইলিশের ৭ রেসিপি....
দুয়ারে কড়া নাড়ছে প্রাণের উৎসব পহেলা বৈশাখ। বাঙালি জাতির প্রধান সাংস্বৃতিক উৎসব। এ উৎসবের অন্যতম অনুষঙ্গ ইলিশ। অনেকে দিনটি পান্তা-ইলিশেই সীমিত থাকেন। এই বৈশাখে ইলিশ মাছ দিয়ে অন্য কোনো মুখরোচক খাবারের কথা ভাবতে পারেন। ভোজনবিলাসী পাঠকের জন্য ইলিশের ৭টি আকর্ষণীয় রেসিপি দেওয়া হলো।
#1. ইলিশ পোলাও....
উপকরণ :
১. পোলাওয়ের চাল ২ কাপ, ২. ইলিশের টুকরা ৬-৭টি (বড় ইলিশ), ৩. টকদই আধা কাপ, ৪. আদাবাটা ১ টেবিল-চামচ, ৫. কাঁচা মরিচ ৬-৭টি, ৬. তেল ২ টেবিল-চামচ, ৬. ঘি আধা কাপ , ৭. পেঁয়াজ বেরেস্তা ১ কাপ, ৮. লবণ পরিমাণমতো, ৯. পেঁয়াজকুচি কোয়ার্টার কাপ, ১০. পেঁয়াজবাটা কোয়ার্টার কাপ, ১১. দুধ আধা কাপ, ১২. লেবুর রস ২ টেবিল-চামচ।
প্রণালি :
কড়াইতে তেল গরম করে পেঁয়াজকুচি হালকা ভেজে নিন। এবারে আদা, দই, পেঁয়াজবাটা ও পরিমাণমতো লবণ দিয়ে কষিয়ে ইলিশ মাছ ও লেবুর রস দিয়ে মৃদু আঁচে ঢেকে দিন। ১০ মিনিট পর মাছের টুকরাগুলো ঝোল রেখে তুলে নিন। ঝোলের কড়াইতে ঘি এবং অর্ধেক বেরেস্তা দিয়ে একটু রান্না করে চাল দিয়ে কষিয়ে গরম পানি (৪ কাপ) ও কাঁচা মরিচ দিয়ে ঢেকে দিন। পানি শুকিয়ে এলে কিছু পোলাও উঠিয়ে নিন। মাছের টুকরোগুলো পোলাওয়ের উপর বিছিয়ে দিন। এবার তুলে নেওয়া পোলাও, মাছের উপর দিয়ে বাকি বেরেস্তা ও দুধ দিয়ে ঢেকে দমে দিন। ১৫-২০ পর হয়ে গেলে নামিয়ে পরিবেশন করুন।
#2. ইলিশ কোফতা-কারি......
উপকরণ :
ধাপ -১ ১. ইলিশ মাছের সেদ্ধ কিমা ২ কাপ, ২. ডিম ফেটানো ১টি, ৩. পেঁয়াজ বেরেস্তা আধা কাপ, ৪. কাঁচা মরিচকুচি ১ টেবিল-চামচ, ৫. লবণ পরিমাণমতো, ৬. লেবুর রস ১ টেবিল-চামচ, ৭. ধনেপাতাকুচি ২ টেবিল-চামচ, ৮. টমেটো সস ১ টেবিল-চামচ, ৯. টোস্টের গুঁড়া আধা কাপ, ১০. পাউরুটির (সাদা অংশ) ১ পিস, ১১. ভাজার জন্য তেল পরিমাণমতো
ধাপ -২ ১. পেঁয়াজবাটা পৌনে এক কাপ, ২. টকদই ২ টেবিল-চামচ, ৩. মরিচগুঁড়া ১ চা-চামচ, ৪. জিরাগুঁড়া আধা চা-চামচ, ৫. আদাবাটা আধা চা-চামচ, ৬. টমেটো সস ১ টেবিল-চামচ, ৭. লবণ পরিমাণমতো, ৮. চিনি ১ চিমটি, ৯. তেল কোয়ার্টার কাপ,
প্রণালি :
ধাপ -১ একটি পাত্রে সব উপকরণ ভালোভাবে মাখিয়ে নিন। মাখানো উপকরণ ৮-১০ ভাগ করে গোলকার করে কোফ্তা বানিয়ে নিন। কড়াইতে তেল গরম করে কোফ্তা বাদামি করে ভেজে নিন।
ধাপ -২ কড়াইতে তেল গরম করে সব মসলা কষিয়ে নেয়ার পর দই, সস ও সামান্য দিয়ে নেড়ে দিন। এবারে কোফ্তাগুলো দিয়ে হালকা আঁচে ঢেকে দিন। ঝোল মাখা মাখা হলে চিনি দিয়ে নেড়ে নামিয়ে পরিবেশন করুন।
#3. ইলিশ পাতুরি.....
উপকরণ
ইলিশ মাছ ৪ টুকরো, সর্ষে বাটা পরিমান মতো, কাঁচা লঙ্কা ৫টি ৬ টি, সর্ষের তেল, হলুদ গুঁড়ো, লবন স্বাদ অনুযায়ী, কলাপাতা, সূতো (কলাপাতা মোড়ার জন্য)।
প্রণালী
প্রথমে একটি পাত্রে পরিমান মতো সর্ষে বাটা, পরিমান মতো তেল, লবন, হলুদ ও অল্প কিছু লঙ্কা কুঁচি দিয়ে ভালো করে একটি মিশ্রণ বানিয়ে নিন। এবার আর একটি পাত্রে ইলিশের সাথে এই মিশ্রণটি ভালো করে মাখিয়ে নিন। এবার পাত্রটিকে ২০ মিনিট ঢেকে রাখুন। এবার কলাপাতাটিকে চারটি বড়ো টুকরো করে কেটে নিন। এমন ভাবে কাটুন যাতে প্রতি টুকরো দিয়ে ইলিশ মাছের টুকরোগুলোকে মোড়ানো যেতে পারে। এবার কলাপাতাগুলোকে আগুনের তাপে রাখতে হবে যাতে ও গুলি নরম হয়ে যায় এবং সহজেই মোড়ানো যায়।
#4.ইলিশ কোরমা.....
উপকরণ :
১. ইলিশ মাছ ৬ টুকরা, ২. পেঁয়াজকুচি আধা কাপ, ৩. আদাবাটা ১ চা-চামচ, ৪. চিনি স্বাদমতো, ৫. বাদামবাটা ১ টেবিল-চামচ, ৬. কাঁচা মরিচ ৪-৫টি, ৭. লবণ স্বাদমতো, ৮. তেল কোয়ার্টার কাপ, ৯. লেবুর রস ১ টেবিল-চামচ, ১০. গুঁড়া দুধ ১ টেবিল-চামচ
প্রণালি :
কড়াইয়ে তেল গরম করে পেঁয়াজ হালকা ভেজে নিন। সামান্য পানি দিয়ে কিছুক্ষণ কষিয়ে নিন। লবণ, চিনি, বাদামবাটা, গুঁড়া দুধ দিয়ে একটু নেড়ে, কাঁচা মরিচ ও ইলিশ মাছ দিয়ে মৃদু আঁচে ঢেকে দিন। ১০-১৫ মিনিট রান্না করে নামিয়ে নিন।
#5.সরষে ইলিশ.....
উপকরণ :
১. ইলিশ মাছ বড় ১টি, ২. সরিষা বাটা কোয়ার্টার কাপ, ৩. সরিষার তেল আধা কাপ, ৪. হলুদ সামান্য, ৫. মরিচগুঁড়া আধা চা-চামচ, ৬. আস্ত কাঁচা মরিচ ফালি ৫-৬টি, ৭. লবণ পরিমাণমতো, ৮. লেবুর রস ২ টেবিল-চামচ
প্রণালি :
সব উপকরণ একসঙ্গে মাখিয়ে নিন। এবারে আধা কাপ পানি মিশিয়ে চুলায় মৃদু আঁচে বসিয়ে ঢেকে দিন। মাখা মাখা হলে নামিয়ে নিন।
#6. ইলিশ কাবাব.....
উপকরণ :
১. ইলিশ মাছ আস্ত ১টি, ২. গোলমরিচগুঁড়া ১ টেবিল-চামচ, ৩. পেঁয়াজকুচি আধা কাপ, ৪. কাঁচা মরিচকুচি ১ টেবিল-চামচ, ৫. টমেটো সস ২ টেবিল-চামচ, ৬. আলু ম্যাশড্ ১ কাপ, ৭. ধনেপাতাকুচি ২ টেবিল-চামচ, ৮. রসুন ২ কোয়া (কুচি), ৯. লেবুর রস ১ টেবিল-চামচ, ১০. লবণ স্বাদমতো, ১১. তেল আধা কাপ, ১২. পেঁয়াজ বেরেস্তা আধা কাপ, ১৩. লেবুর খোসা (গ্রেট করা) কোয়ার্টার চা-চামচ,টোস্ট বিস্কুটের গুঁড়া ১ কাপ
প্রণালি :
মাছের মাথা ও লেজ কেটে আলাদা করুন। সামান্য হলুদ, মরিচগুঁড়া ও পরিমাণমতো লবণ মাখিয়ে মাথা ও লেজ হালকা ভেজে নিন। এবার বাকি মাছ লবণ, লেবুর রস ও সামান্য পানি দিয়ে সেদ্ধ করে কাঁটা বেছে নিন। কড়াইতে তেল গরম করে রসুন ও পেঁয়াজকুচি হালকা ভেজে মাছের কিমা দিয়ে নাড়তে থাকুন। দু-এক মিনিট পর সেদ্ধ আলু দিয়ে কিছুক্ষণ রান্না করে, একে একে গোলমরিচগুঁড়া, কাঁচা মরিচকুচি, স্বাদমতো লবণ, টমেটো সস দিয়ে রান্না করে নামিয়ে ঠা-া করে নিন। অন্য একটি প্যানে সামান্য তেল দিয়ে বিস্কুটের গুঁড়া বাদামী করে ভেজে নিন। এবারে রান্না করা কিমার সঙ্গে ধনেপাতাকুচি, লেবুর খোসা ও বেরেস্তা ভেঙে আলতো করে মাখিয়ে নিন। সার্ভিং ডিশে দুই পাশে ভাজা লেজ ও মাথা রেখে, মাঝখানে মাখানো কিমা সাজিয়ে আস্ত মাছের মতো বানিয়ে নিন। সাজানো কিমার ওপর ভাজা বিস্কুটের গুঁড়া ছড়িয়ে চেপে দিন। কিমার উপর চা-চামচ দিয়ে মাছের আঁশের মতো বানিয়ে পরিবেশন করুন।
#7. দই ইলিশ.....
উপকরণ :
১. ইলিশ ৬ টুকরা (মাছের টুকরোগুলো লবণ মাখিয়ে ধুয়ে রাখুন) , ২. তেল কোয়ার্টার কাপ, ৩. পেঁয়াজবাটা আধা কাপ, ৪. হলুদগুঁড়া ১ চিমটি, ৫. কাঁচা মরিচবাটা ১ চা-চামচ, ৬. টকদই ২ কাপ, ৭. আদাবাটা আধা চা-চামচ, ৮. লবণ পরিমাণমতো, ৯. চিনি আধা চা-চামচ (বা প্রয়োজনমতো)
প্রণালি :
কড়াইয়ে তেল গরম করে সব মসলা দিয়ে কষিয়ে নিন। এবার দই দিয়ে নেড়ে মাছের টুকরোগুলো দিন। চুলার আঁচ একেবারে কমিয়ে ঢেকে দিন। ১৫-২০ মিনিট পর তেল ভেসে উঠলে চিনি দিয়ে নামিয়ে নিন।
B. নববর্ষে নানান পদের ভর্তা রেসিপি ....
ভর্তা পছন্দ করেননা এমন মানুষ খুব কমই আছে। বিশেষ করে বাঙ্গালিদের ভর্তার নাম শুনলেই জ্বিভে পানি চলে আসে। এমন অনেক পরিবারই আছেন যারা দুপুরের খাবারে শুধু ভর্তাই রাখেন। আমরা আমাদের মুখের রুচি বা স্বাদকে পরিবর্তন করতে বিভিন্ন রকমের সবজি দিয়ে ভর্তা তৈরি করতে পারি।
আর বৈশাখে অতিথি আপ্যায়নে ভর্তাই প্রাধান্য পায় বেশি। তাই বৈশাখের আয়োজনে রাখুন নানা পদের ভর্তা। আর যারা মনে করেন ভর্তা বাননো অনেক ঝামেলার ব্যপার তাদের জন্যই আজ আমাদের আয়োজন
১.লোনা ইলিশের ভর্তা
যা লাগবে : লোনা ইলিশের পিস-২টি, পেঁয়াজ কুচি-১ কাপ, রসুন মোটা কুচি-৫-৬ কোয়া, শুকনামরিচ-৭-৮টি, লবণ-প্রয়োজন হলে সামান্য, সয়াবিন তেল- ১/২ কাপ, গুঁড়া মরিচ-১ চা চামচ, হলুদ-সামান্য।
যেভাবে করবেন : লোনা ইলিশ মাছের টুকরা গরম পানিতে ৫ মিনিট ভিজিয়ে রেখে ভালোমতো ধুয়ে নিন। বারবার ধুয়ে নেবেন যাতে লবণ কমে যায়। প্যানে অল্প তেল গরম করে শুকনামরিচ ভেজে উঠিয়ে নিন। ওই তেলেই মাছগুলো অল্প আঁচে হালকা করে ভেজে উঠান। ঠাণ্ডা করে কাঁটা বেছে ফেলুন। প্যানে বাকি তেল দিয়ে পেঁয়াজ ও রসুন কুচি দিন। গুঁড়ামরিচ ও হলুদ দিয়ে নাড়ুন। বেছে রাখা মাছ দিন। ভাজা শুকনামরিচ ভেঙে দিন। চেখে দেখে তবেই প্রয়োজনে লবণ দিন। ভালো করে নেড়েচেড়ে ৫-৬ মিনিট রান্না করুন। পেঁয়াজ ভাজা ভাজা হয়ে তেল ওপরে উঠলেই হয়ে গেল লোনা ইলিশ ভর্তা।
২.টাকি মাছ ভর্তা
যা লাগবে : টাকি মাছ-২৫০ গ্রাম, পেঁয়াজ কুচি-১ কাপ, রসুন কোয়া-১টি বড় রসুনের, শুকনামরিচ-১৫টি, ধনিয়া পাতা কুচি-২ টেবিল চামচ, লবণ-স্বাদমতো, সয়াবিন তেল-১/২ কাপ, সরিষার তেল-১ টেবিল চামচ, হলুদ-সামান্য।
যেভাবে করবেন : টাকি মাছে লবণ ও হলুদ মাখিয়ে নিন। সয়াবিন তেল গরম করে মাছগুলো হালকা করে ভেজে উঠান। ঠাণ্ডা করে কাঁটা বেছে রাখুন। এই মাছ ভাজা তেলে শুকনামরিচ ভেজে উঠিয়ে রাখুন। রসুন দিন। হালকা করে ভেজে উঠিয়ে নিন। এবার পেঁয়াজ, রসুন ভাজা ও শুকনামরিচ একসঙ্গে ডলে মেখে নিন। ধনিয়া পাতা কুচি, লবণ, সরিষার তেল ও টাকি মাছ দিয়ে হালকা করে মাখান। ব্যাস তৈরি হয়ে গেল টাকি মাছ ভর্তা।
৩.বরবটি চিংড়ি ভর্তা
যা লাগবে : টুকরা করা বরবটি-২৫০ গ্রাম, ছোট চিংড়ি-১ কাপ, পেঁয়াজ কুচি-১/২ কাপ, কাঁচামরিচ-১০-১২টি, ধনিয়া পাতা-১ টেবিল চামচ, লবণ- স্বাদমতো, সয়াবিন তেল-২ টেবিল চামচ, সরিষার তেল-১ টেবিল চামচ।
যেভাবে করবেন : তেল গরম করে পেঁয়াজ মরিচ হালকা করে ভাজুন। কুচানো ধনিয়া পাতা দিয়ে নেড়ে এগুলো উঠিয়ে নিন। এই প্যানেই চিংড়িগুলো হালকা করে ভেজে উঠিয়ে নিন। এবার বরবটি দিয়ে সিদ্ধ হওয়া পর্যন্ত ভেজে উঠিয়ে নিন। ঠাণ্ডা করে এগুলো সব একত্রে বেটে নিন। লবণ ও সরিষার তেল দিয়ে মেখে নিন।
৪.ভেটকি মাছ ভর্তা
যা লাগবে : ভেটকি মাছের পিস-৪টি, পেঁয়াজ কুচি-১ কাপ, আস্ত রসুনের কোয়া-১টি বড় রসুনের, আস্ত শুকনামরিচ-১০টি, মরিচ গুঁড়া-১ চা চামচ, হলুদ গুঁড়া-১/২ চা চামচ, ধনিয়া পাতা কুচি-২ টেবিল চামচ, সয়াবিন তেল-১/৩ কাপ, সরিষার তেল-১ টেবিল চামচ, পানি-পরিমাণমতো, লবণ- স্বাদমতো।
যেভাবে করবেন : লবণ, হলুদ ও সামান্য পানি দিয়ে মাছ সিদ্ধ করে নিন। কাঁটা বেছে চটকে রাখুন। তেল গরম করে শুকনামরিচ ভেজে উঠিয়ে নিন। ওই তেলেই পেঁয়াজ ও রসুন দিয়ে হালকা করে ভাজুন। সামান্য পানি দিয়ে মরিচ গুঁড়া, সামান্য হলুদ গুঁড়া ও লবণ দিয়ে কসিয়ে মাছ দিন। ৫-৬ মিনিট ভেজে নামান। ভাজা শুকনামরিচ, ধনিয়া পাতা কুচি, সামান্য পেঁয়াজ কুচি ও সরিষার তেল দিয়ে মাখান। তৈরি হয়ে গেল ভেটকি মাছ ভর্তা।
৫.লইট্টা শুঁটকি ভর্তা
যা লাগবে : লইট্টা শুঁটকি টুকরা-১ কাপ, পেঁয়াজ কুচি-১ কাপ, রসুন কুচি-১টা (বড়), আদা কুচি-১ চা চামচ, শুকনামরিচ-১৫টি, ধনিয়া পাতা কুচি-১ টেবিল চামচ, সরিষার তেল-১/২ কাপ,লবণ-স্বাদমতো।
যেভাবে করবেন : লইট্টা শুঁটকিগুলো পরিষ্কার করে ধুয়ে গরম পানিতে ১৫-২০ মিনিট ভিজিয়ে রাখুন। অর্ধেক তেল গরম করে শুকনা মরিচগুলো হালকা করে ভেজে উঠিয়ে নিন। ওই তেলেই আদা ও রসুন কুচি দিয়ে ১ মিনিট ভেজে মাছগুলো দিন। অল্প আঁচে হালকা করে ভেজে নামিয়ে নিন। মাছগুলো একটু থেঁতো করে ভেতরের কাঁটা ফেলে দিন। পেঁয়াজ ও ভাজা শুকনামরিচ ডলে এ মাছ দিয়ে দিন। লবণ, ধনিয়া পাতা ও বাকি সরিষার তেল দিয়ে মাখিয়ে নিন। গরম ভাতের সঙ্গে পরিবেশন করুন।
৬। আলু ভর্তা :
আলু আধা কেজি সিদ্ধ করে চটকে নিন। এবার পাত্রে ২ টেবিল চামচ তেল দিয়ে শুকনা মরিচ ভেজে পেঁয়াজ কুঁচি দিন। পেঁয়াজ বাদামী রং হলে পেঁয়াজ মরিচ লবণ দিয়ে চটকে আলু দিন এবার ধনেপাতা কুঁচি দিয়ে মেখে ভর্তা বানিয়ে নিন।
উপকরণ : লাউ পাতা ১৫-২০টা, পেঁয়াজ ২টা, রসুন ২টা, কাঁচা মরিচ স্বাদ মতো, লবণ স্বাদ মতো, সরিষার তেল ১চা চামচ, ধনে পাতা অল্প (ইচ্ছা)
প্রণালি : প্রথমে সরিষার তেল বাদে সব উপকরণ একসাথে সেদ্ধ করুন। তাপর সব উপকরণ শিলপাটায় বেটে নিন। তারপর সরিষার তেল মাখিয়ে নিন তাহলেই হয়ে যাবে।
৭। বেগুন ভর্তা :
উপকরণ : বড় গোল বেগুন ১টি, সরিষা বাটা ১ চা চামচ, নারকেল মিহি বাটা ২ চা চামচ, টমেটো কুঁচি ১ কাপ, পেঁয়াজ কুঁচি আধা কাপ, মেথি আধা কাপ, সরিষার তেল ২ টেবিল চামচ, কাঁচামরিচ কুঁচি ২ টেবিল চামচ, লবণ স্বাদ মতো।
প্রণালী : বেগুনের গায়ে তেল মাখিয়ে পুড়িয়ে নিন। এবার পানিতে রেখে খোসা ছাড়িয়ে মেখে নিন। কড়াইয়ে তেল দিয়ে মেথি ফোড়ন দিয়ে পেঁয়াজ কুঁচি দিন। পেঁয়াজ একটু নরম হলে টমেটো সরিষা, নারকেল, কাঁচামরিচ ও লবণ দিয়ে কিছুক্ষণ নেড়ে বেগুন দিন। কড়াইয়ের তলা ছেড়ে এলে এবং একটু আঠালো হলে নামিয়ে নিতে হবে।
৮। মসুর ডালের ভর্তা :
উপকরণ : মসুর ডাল ১ কাপ, পানি ৩ থেকে সাড়ে ৩ কাপ, রসুন কুঁচি আধা চামচ, পেঁয়াজ কুচি ১ চা চামচ, লবণ আধা চা চামচ, কাঁচামরিচ ফালি ২টি, তেল ১ চা চামচ।
প্রণালী: সব উপকরণ দিয়ে ডাল সিদ্ধ করতে হবে। ঘন থকথকে হলে নামাতে হবে। দরকার হলে ডাল ঘোটার চামচ দিয়ে একটু নাড়াচাড়া করে নিতে হবে।
৯। টমেটো ভর্তা :
উপকরণ : ছোট টমেটো ২৫০ গ্রাম, পেঁয়াজ মিহি কুঁচি ১ টেবিল চামচ, শুকনা মরিচ ২টা, ধনেপাতা কুঁচি ২ টেবিল চামচ, লবণ পরিমাণমতো, চিনি ১চা চামচ, সরষের তেল ১ টেবিল চামচ, লেবুর রস ১ টেবিল চামচ।
প্রণালী : শুকনা মরিচ তাওয়ায় টেলে বিচিসহ গুঁড়ো করে নিতে হবে। টমেটোর গায়ে তেল লাগিয়ে তাওয়ার ওপর ঢাকনা দিয়ে ঢেকে মাঝারি আঁচে চুলায় তুলে সব দিক সমানভাবে পুড়িয়ে নিতে হবে। ঠাণ্ডা হলে খোসা ছাড়িয়ে চটকে পেঁয়াজ, মরিচ, লবণ, তেল, চিনি, লেবুর রস, ধনেপাতা দিয়ে মেখে ভর্তা করতে হবে।
১০। কালিজিরা ভর্তা :
উপকরণ : কালিজিরার আধা কাপ, রসুনের কোয়া ২ টেবিল-চামচ, কাঁচামরিচ ৮টি, পেঁয়াজ কুঁচি ৪ টেবিল-চামচ, লবণ পরিমাণমতো, সরিষার তেল ২ টেবিল-চামচ।
প্রণালী : রসুন, পেঁয়াজ, কাঁচামরিচ কাঠখোলায় টেলে নিতে হবে। তেল বাদে সব উপকরণ পাটায় বেটে তেল দিয়ে মেখে ভর্তা করুন।
১১। আলু ডিম ভর্তার রেসিপি :
উপকরণ : ডিম ২টি, আলু ১টি (মাঝারি সাইজের), কাঁচামরিচ কুঁচি ১ চা চামচ, পেঁয়াজ কুঁচি ১ টেবিল চামচ, ধনেপাতা কুঁচি ১ চা চামচ, লবণ পরিমাণমতো।
প্রণালী : আলু এবং ডিম সেদ্ধ করে নিন। খোসা ছাড়িয়ে আলু এবং ডিম আলাদাভাবে চটকে নিন। এবার পেঁয়াজ কুচি, লবণ এবং আধা চা চামচ সরিষার তেল দিয়ে ডিম ও আলু ভালোভাবে মেখে ভর্তা তৈরি করুন।
১২। ছুরি শুঁটকি ভর্তার রেসিপি :
উপকরণ : ছুরি শুঁটকি ছোট করে কাটা আধা কাপ, পেঁয়াজ কুঁচি ২ কাপ, শুকনা মরিচের গুঁড়া ২ টেবিল চামচ, লবণ পরিমাণমতো, চিনি আধা চা চামচ, লেবুর রস ১ চা চামচ, তেল আধা কাপ, আদা বাটা আধা চা চামচ, রসুন বাটা ১ চা চামচ, ধনে গুঁড়া ১ চা চামচ, হলুদ গুঁড়া ১ চা চামচ, তেজপাতা ১টি, কাঁচামরিচ চার টুকরা করে কাটা ৬টি।
প্রণালী : শুঁটকি ভালো করে ধুয়ে সিদ্ধ করে বেটে নিতে হবে। তেল গরম করে আদা-রসুন দিয়ে ভালো করে ভুনে শুঁটকি দিয়ে ভুনতে হবে। হলুদ, ধনে, মরিচের গুঁড়া, তেজপাতা, লবণ দিয়ে মাঝারি আঁচে ৮-১০ মিনিট ভুনে পেঁয়াজ দিয়ে ভুনতে হবে। পেঁয়াজ নরম হয়ে এলে চিনি, লেবুর রস, কাঁচামরিচ দিয়ে কিছুক্ষণ নাড়াচাড়া করে নামাতে হবে।
১৩। ধনেপাতার চাটনি:
উপকরণ: টাটকা ধনেপাতা বড় ২ আঁটি, রসুন ২ কোয়া, তেঁতুল ১ টেবিল চামচ। কাঁচামরিচ ১টি, চিনি, লবণ স্বাদমতো।
প্রণালী: ধনেপাতার কচি ডগা ও পাতা বেছে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে রাখুন। ধনেপাতা, রসুন, কাঁচামরিচ, তেঁতুল, লবণ ও চিনি সব একসঙ্গে মিশিয়ে মিহি করে কেটে নিন। সামান্য ঝাল, মিষ্টি ও টকটক স্বাদ হবে।
১৪। সরিষা ভর্তা:
উপরকণ: লাল সরিষা ৪ টেবিল চামচ, কাঁচামরিচ ১টি, লবণ পরিমাণমতো।
প্রণালী: সরিষা ভালো করে বেছে ধুয়ে কাঁচামরিচ এবং লবণ দিয়ে শিলপাটায় বেটে নিন।
১৫। থানকুনি পাতার ভর্তা:
উপকরণ : থানকুনি পাতা ১ কাপ, কাঁচামরিচ ২টি, রসুনের কোয়া ২টি, লবণ স্বাদ মতো, তিল ২ টেবিল চামচ, কালিজিরা ১ চা চামচ।
প্রণালি : সব একসঙ্গে বেটে (সব পাতা ধুয়ে পানি মুছে নিতে হবে) ভর্তা তৈরি করতে হবে। এরপর গরম ভাতের সঙ্গে পরিবেশন করুন।
১৬। লাউয়ের খোসার ভর্তা :
পিয়াজ কুচি-সিকি কাপ, সরিষার তেল-২ টেঃ চামচ।
প্রণালী: লাউ-এর সিলকা ধুয়ে পানি দিয়ে সিদ্ধ করে নিন। এবার তেলের মধ্যে লাউ এর সিলকা ভেজে নিন। শুকনা মরিচ ভেজে নিন, পিঁয়াজ ভেজে নিন। ধনে পাতা কুচি করে নিন। এবার লাউ এর সিলকা, শুকনা মরিচ, পিঁয়াজ কুচি, ধনে পাতা কুচি সব এক সাথে পাটায় মিহি করে বেটে নিন। হয়ে গেল লাউ এর সিলকা ভর্তা।
১৭। চিনাবাদাম ভর্তার রেসিপি :
উপকরণ : চিনাবাদাম ভাজা (খোসা ছাড়া) ১ কাপ, পেঁয়াজ কুচি আধা কাপ, রসুন দেশি ২টা, কাঁচামরিচ ৪-৫টি, ধনেপাতা কুচি ১ আঁটি, সরিষার তেল ১ টেবিল-চামচ, লবণ পরিমাণমতো।
প্রণালি: কাঁচামরিচ কাঠখোলায় টেলে নিতে হবে। বাদামের লাল খোসা ঘষে তুলে ফেলে, পাটায় বেটে নিতে হবে। কাঁচামরিচ বেটে নিতে হবে। এবার তেলের সঙ্গে পেঁয়াজ, লবণ, ধনেপাতা কুচি চটকে বাদাম ও কাঁচামরিচ বাটা দিয়ে মাখাতে হবে।গরম ভাতের সঙ্গে পরিবেশন করা যায়।
C. একসাথে ৫ পদের বিরিয়ানির রেসিপি...
1) সবজি বিরিয়ানি....
উপকরণ:
বাসমতি চাল- ৩ কাপ
আলু ১/২ কাপ
ফুলকপি ১/২ কাপ
বরবটি ১/২ কাপ
গাজর ১/২ কাপ
মটরশুঁটি ১/২ কাপ
ধনেপাতা কুচি ১/২ কাপ
কাজু বাদাম ১০ টা
টক দই ২ টেবিল চামচ
টমেটো ১ (ব্লেন্ড করে রাখুন)
মরিচ গুঁড়া ১ চা চামচ
ধনিয়া গুঁড়া ১/২ চা চামচ
জিরা গুঁড়া ১/২ চা চামচ
গরম মসলা গুঁড়া- ১ চা চামচ
আদা বাটা- ১ চা চামচ
পেঁয়াজ বাটা – ১ টেবিল চামচ
পেঁয়াজ কুচি- ১/২ কাপ
কাঁচামরিচ – ৫-৬ টা
তেল, ঘি পরিমানমত
আলু বোখারা – ৫-৬ টা
লবণ পরিমানমত
আস্ত গরম মসলা (এলাচ, দারচিনি, লবঙ্গ)
তেজপাতা – ২ টুকরা
পদ্ধতি:
সব সব্জি ভাল করে ধুয়ে কিউব করে কেটে নিন।
এবার ১/২ চা চামচ লবণ দিয়ে সব্জিগুলো অল্প ঘিতে হাল্কা করে ভেজে একটি প্লেটে তুলে রাখুন।
এবার চাল ধুয়ে ছাকনিতে পানি ঝরাতে দিন।
একটি বড় পাত্রে ৬ কাপ পানি ফুটান।
পানি ফুটতে শুরু করলে ধুয়ে রাখা চাল দিয়ে দিন।
১/২ চা চামচ লবণ ও সব আস্ত মসলাগুলো দিয়ে ভাত ফুটিয়ে নিন।
তারপর ভাত ছাকনিতে নিয়ে পানি ঝরাতে রাখুন।
যেই পাত্রে বিরিয়ানি করবেন তাতে ঘি তেল গরম করে পেঁয়াজ বাদামী করে ভেজে নিন।
পেঁয়াজের মাঝে সব বাটা মসলা, গুঁড়া মসলা, ব্লেন্ড টমেটো ও লবন দিয়ে ভাল করে তেল আলাদা হয়ে আসা পর্যন্ত কষান।
তারপর টক দই দিয়ে মসলার সাথে ভাল করে মিশান।
এবার কাজু বাদাম ও ভাজা সব্জিগুলো দিয়ে আস্তে আস্তে মসলার সাথে ভাল করে মিশান।
অল্প পানি দিয়ে পাত্রটি ঢেকে দিয়ে ৫-৬ মিনিট বা সবজি হাল্কা নরম হওয়া পর্যন্ত রান্না করুন।
তারপর অর্ধেক ধনেপাতা কুচি দিয়ে আরও ১ মিনিট কম আঁচে রান্না করুন।
বিরিয়ানি লেয়ার করে দমে দেয়ার জন্য, অর্ধেক সব্জি পাত্র থেকে উঠিয়ে রাখুন।
প্রথমে পাত্রের অর্ধেক সব্জির উপর অর্ধেক রান্না করে রাখা ভাত দিন।
কাঁচামরিচ, আলুবোখারা, বাকি ধনেপাতাকুচি ও ভাজা পেঁয়াজগুলো ভাতের উপর বিছিয়ে দিন।
তারপর বাকি সব্জিগুলো দিয়ে তার উপর সব ভাত দিয়ে দিন।
তারপর পাত্রের ঢাকনা ভাল করে আটকিয়ে দিন যেন ভাপ বের হতে না পারে।
খুব অল্প আঁচে আনুমানিক ১০ মিনিট মত বিরিয়ানি দমে দিন।
বিরিয়ানি হয়ে গেলে, পরিবেশন করুন।
2) চিংড়ি বিরিয়ানি
উপকরণ :
১. চিংড়ি মাছ ৫০০ গ্রাম,
২. বাসমতি চাল ৫০০ গ্রাম,
৩. টক দই ৩ টেবিল চামচ,
৪. বেরেস্তা ৩টা পেঁয়াজের,
৫. হলুদ গুঁড়া ১/২ টেবিল চামচ,
৬. মরিচ গুঁড়া হাফ টেবিল চামচ,
৭. ঘি ২ টেবিল চামচ,
৮. রসুন-আদা পেস্ট ২ টেবিল চামচ,
৯. লবণ পরিমাণ মতো,
১০. পুদিনা পাতা স্বাদমতো,
১১. ২ টেবিল চামচ কুকিং অয়েল।
বিরিয়ানী মসলা করতে লাগবে :
১. শাহী জিরা ১ টেবিল চামচ,
২. দারু চিনি ৪ টা স্টিক,
৩. এলাচি ৫ টা,
৪. লবঙ্গ ৪ টা,
৫. মৌরি ১ টেবিল চামচ।
> সব কিছুকে তেল ছাড়া টেলে নিয়ে গুঁড়া করে নিতে হবে।
প্রণালি :
> চিংড়িকে গরম মসলা, দই , আদা রসুন, তেল দিয়ে ৩ ঘন্টা মেরিনেট করে রাখবেন। তারপর পানি ছাড়া শুকনা করে রান্না করে নিন ১০/১৫ মিনিট।
> চালকে এলাচি, দারুচিনি , গোলাপ জল দিয়ে হাফ বয়েল করুন।
> ঘি দিয়ে পেঁয়াজ বেরেস্তা করে রাখুন।
> একটি ভারী তলার হাঁড়িতে এখন লেয়ার করে চাল, পেঁয়াজ, চিংড়ি, বেরেস্তা পুদিনা পাতা দিয়ে ঢেকে দমে রাখুন ২০ মিনিট।
> চাল সেদ্ধ হয়ে গেলে গরম গরম পরিবেশন করুন।
3) বিফ কোপ্তা বিরিয়ানি
উপকরণ :
বিফ কিমার জন্য :
বিফ কিমা ৮০০ গ্রাম,
ডিম ১টি,
ধনে গুঁড়া ১ চা চামচ,
গরম মসলা গুঁড়া হাফ চামচ,
গোল মরিচ গুঁড়া ২ চিমটি,
আটা-রসুন পেস্ট হাফ চামচ,
লবণ ও মরিচ গুঁড়া পরিমাণ মতো,
লেবুর রস ৩ টেবিল চামচ।
পোলাওর জন্য :
বাসমতী চাল ৪০০ গ্রাম,
স্লাইস পেঁয়াজ ১০০ গ্রাম,
দারুচিনি ৫ পিস,
বে লিফ ৩ পিস,
রসুন বাটা ২ চা চামচ,
আদা বাটা ২ চা চামচ,
তরল দুধ ২০০ মিলি গ্রাম,
ঘি ৫০ গ্রাম,
পানি ৯০০ গ্রাম,
ছোট এলাচ ২ পিস।
প্রস্তুত প্রণালি :
কোপ্তা :
ডিম, ধনে গুঁড়া, গরম মসলা, গোল মরিচ গুঁড়া, হলুদ, আদা, রসুন পেস্ট, লবণ পরিমাণ মতো, লেবুর রস এবং মাংসের কিমা একসঙ্গে মিশিয়ে নিন।
একটি পাত্রে তেল দিয়ে এটিকে রান্না করুন।
তারপর হয়ে গেলে একপাশে নামিয়ে রাখুন।
পোলাও :
পোলাও করতে পেঁয়াজ ব্যারেস্তা, ছোট এলাচ, দারুচিনি, রসুন পেস্ট, আদা বাটা সব কিছু একসঙ্গে মিশিয়ে চাল দিয়ে দিন।
এবার এর সঙ্গে দুধ দিয়ে দিন। তারপর পানি দিয়ে ১২ মিনিট রান্না করুন।
তারপর এর সঙ্গে আগে রান্নাকৃত কোপ্তা দিয়ে হালকা আঁচে ১৫ মিনিট রান্না করুন।
4) ফিশ বিরিয়ানি
উপকরণ :
মাছ এক কেজি,
ঘি এক কাপ,
হলুদের গুঁড়ো চার চা চামচ,
পেঁয়াজ কুচি পাঁচটি,
ধনিয়া গুঁড়ো দুই চা চামচ,
লবঙ্গ ছয়টি,
টকদই এক কাপ,
কিশমিশ দুই টেবিল চামচ,
বাসমতি চাল পাঁচ কাপ,
বাদাম কুচি পাঁচ টেবিল চামচ,
মরিচের গুঁড়ো চার চা চামচ,
দারুচিনি দুই টুকরো,
টমেটো কুচি পাঁচটি,
পানি তিন লিটার,
লেবুর রস দুই মিলিলিটার
লবণ স্বাদমতো।
প্রস্তুত প্রণালি :
প্রথমে মাছে লেবুর রস ও হলুদের গুঁড়ো মেখে মেরিনেটের জন্য ৩০ থেকে ৪৫ মিনিট রেখে দিন।
প্যানে দুই টেবিল চামচ ঘি দিয়ে গরম করুন।
এতে বাসমতি চাল ১০ থেকে ১৫ মিনিট ভেজে নিন।
এখন এতে লবণ, হলুদের গুঁড়ো ও তিন লিটার গরম পানি দিন।
অল্প আঁচে ঢাকনা দিয়ে ঢেকে দিন।
সেদ্ধ হয়ে গেলে চুলা থেকে নামিয়ে ঢাকনা দিয়ে ঢেকে রখুন।
অন্য একটি প্যানে ঘি দিয়ে তাতে কিশমিশ ও বাদাম ভেজে বাটিতে তুলে রাখুন।
এখন এই ঘিতে পেঁয়াজ কুচি দিয়ে বাদামি হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন।
এর মধ্যে মরিচের গুঁড়ো, ধনিয়ার গুঁড়ো, হলুদের গুঁড়ো, লবণ ও সামান্য পানি দিয়ে মসলা কষিয়ে নিন।
এখন এতে মেরিনেট করা মাছগুলো দিয়ে পাঁচ থেকে আট মিনিট রান্না করুন।
এক কাপ পানি, টমেটো কুচি ও টকদই দিয়ে নেড়ে ঢাকনা দিয়ে ঢেকে দিন।
ঘন হয়ে এলে চুলা থেকে নামিয়ে বাটিতে ঢেলে নিন।
এবার একটি বড় প্যানে প্রথমে ঘি দিয়ে পোলাও, মাছ, কিশমিশ ও বাদাম লেয়ার করে দিন।
এবার ঢাকনা দিয়ে ঢেকে পাঁচ থেকে আট মিনিট চুলার ওপর দমে রাখুন।
ব্যস, তৈরি হয়ে গেল ভিন্ন স্বাদের ফিশ বিরিয়ানি।
5) ডিম বিরিয়ানি
উপকরণঃ
– দেড় কাপ বাসমতি চাল (ধুয়ে পানি ঝরিয়ে রাখতে হবে আর মোটামুটি ৭০% সেদ্ধ করে রাখতে হবে)
– ১টা মাঝারি পিঁয়াজ কুচি করে কাটা
– ৪ টেবিল চামচ তেল
– দেড় চা চামচ জিরা
– ২ টেবিল চামচ আদা-রসুন বাটা
– দেড় টেবিল চামচ কাজুবাদাম– সিকি কাপ দই
– ৩ টেবিল চামচ ধনেপাতা কুচি
– ১টা মাঝারি পিঁয়াজ বেরেস্তা করা
– লবণ স্বাদমতো
– জিরা গুঁড়ো দেড় টেবিল চামচ
– ৪টা কাঁচামরিচ মাঝখান থেকে চিরে রাখা
– দেড় টেবিল চামচ ধনে গুঁড়ো
– ৩ চা চামচ গরম মশলা গুঁড়ো
– দেড় চা চামচ মরিচ গুঁড়ো
– আধা চা চামচ হলুদ গুঁড়ো
– আধা টেবিল চামচ পুদিনা পাতা (শুকনো)
– ৬টা ডিম, (শক্ত করে সেদ্ধ করা এবং অর্ধেক করে কাটা)
– জাফরান অল্প, এক টবিল চামচ উষ্ণ দুধে ভেজানো
– ২ চা চামচ লেবুর রস
প্রণালীঃ
এগ মাসালা
কড়াইতে তেল গরম করে নিন।
তেল গরম হবার সাথে এতে দিয়ে দিন আধা চা চামচ মরিচ গুঁড়ো, সিকি চা চামচ হলুদ গুঁড়ো এবং লবণ।
এতে পাশাপাশি বসিয়ে দিন ডিমগুলোকে। যতক্ষণ না দুদিকে সমানভাবে সোনালি না হয় ততক্ষণ ফ্রাই করে নিন ডিম।
মাঝারি আঁচে ফ্রাই করবেন। নামিয়ে রাখুন।
মাসালা গ্রেভি
১) বড় একটা কড়াইতে মাঝারি আঁচে তেল গরম করে নিন। এতে জিরা দিয়ে দিন।
এগুলো ফুটে উঠলে কাঁচামরিচ দিয়ে ১০ সেকেন্ড ভেজে নিন।
এরপর দিন পিঁয়াজ, আদা-রসুন বাটা এবং কাজুবাদাম।
ঢাকনা চাপা দিয়ে রান্না করুন যতক্ষণ না পিঁয়াজ নরম হয়ে আসে।
২) এরপর যোগ করুন অন্যান্য সব মশলা।
প্রথমে দিন ধনে গুঁড়ো এবং মরিচ গুঁড়ো।
এরপর দেবেন হলুদ গুঁড়ো, গরম মশলা, জিরা গুঁড়ো এবং।
এরপর টক দই দিয়ে মিশিয়ে রান্না করতে থাকুন যতক্ষণ না তেল ওপরে উঠে আসে।
৩) তেল উপরে উঠে আসলে দ্রুত এতে ডিমগুলো দিয়ে দিন।
দইয়ের গ্রেভিতে মাখিয়ে নিন ডিমগুলোকে।
৪) এরপর সেদ্ধ বাসমতী চালের ভাত ওপরে দিয়ে দিন।
ডিমের ওপরে সমান করে সাজিয়ে দিন ভাত।
এর ওপরে আরেক স্তরে দিন বেরেস্তা, ধনেপাতা কুচি, পুদিনা পাতা।
একটু পানি ছিটিয়ে দিন যাতে বেশি শুকনো হয়ে না যায়।
ওপরে শক্ত করে ঢাকনা দিয়ে দিন এবং একদম কম আঁচে দমে রাখুন ১৫ মিনিট।
৫) ১৫ মিনিট পর ঢাকনা খুলে লেবুর রস চিপে দিন।
আলতো হাতে চামচ দিয়ে মিশিয়ে নিন যাতে ডিমের মশলা এবং রাইস মিশে যায়।
তৈরি হয়ে গেলো এগ বিরিয়ানি।
অন্য কোন তরকারি ছাড়াও শুধু সালাদ বা রায়তার সাথে একে পরিবেশন করতে পারেন।
আলুবোখারা ৬-৭টি, লাল-সবুজ কাঁচামরিচ ১০-১২টি, মাওয়া আধা কাপ, বাদাম কুচি (পেস্তা, কাঠবাদাম কুচি), কিশমিশ ১ টেবিল চামচ, বেরেস্তা ১ কাপ, আলু (কিউব করে কেটে লবণ দিয়ে মেখে ঘি দিয়ে ভাজা), ঘন দুধ ১ কাপ, জাফরান ১ চিমটি, কেওড়া জল ১ টেবিল চামচ, লেবু ১টি, টমেটো ১টি, লবণ ও চিনি স্বাদমতো।
প্রস্তুত প্রণালি :
মাংসে টক-মিষ্টি দই ও লবণ মেখে রেখে দিতে হবে। মসলার সব উপকরণ একসঙ্গে নিয়ে ছেঁকে নিতে হবে। এবার কড়াইতে তেল ও ঘি গরম করে পেঁয়াজ বাদামি করে ভেজে টমেটো পিউরি ও মাংস দিয়ে কষিয়ে ছেঁকে নেওয়া মসলার পানি দিয়ে নেড়ে ঢেকে রান্না করতে হবে। এবার হাঁড়িতে পানি, তেল, ঘি, ছেঁকে নেওয়া পানি, আস্ত গরম মসলা, কাঁচামরিচ, লবণ ও চিনি দিতে হবে। পানি ফুটে উঠলে চাল দিয়ে নেড়ে ঢেকে দিতে হবে। মাংসে বেরেস্তা বাটা ও কাঁচামরিচ দিয়ে ঢেকে দিতে হবে ও পোলাও মৃদু আঁচে ২০ মিনিটের জন্য ঢেকে রান্না করতে হবে। একটি বাটিতে মাওয়া, কিশমিশ, বাদাম মিশিয়ে নিতে হবে। জাফরান দুধ ও কেওড়া মিশিয়ে নিতে হবে। এবার পোলাও কিছু উঠিয়ে মাংস, আলু, বেরেস্তা, আলুবোখারা, কাঁচামরিচ ও দুধ-পোলাও এভাবে কয়েকটা লেয়ার দিয়ে বাকি দুধ দিয়ে ৩০ মিনিট দমে রাখতে হবে। এবার নেড়ে পছন্দমতো সাজিয়ে পরিবেশন করতে হবে।
D. মুরগির পাঁচ পদ....
1. মুরগির মালাইকারি
উপকরণ:
মুরগির মাংস ১ কেজি, নারকেলের দুধ ২ কাপ, মিষ্টি দই ২ টেবিল চামচ, আদাবাটা ১ টেবিল চামচ, রসুনবাটা ১ চা-চামচ, কাঁচা মরিচবাটা ১ চা-চামচ, পেঁয়াজবাটা ২ টেবিল চামচ, কাজুবাদামবাটা ১ টেবিল চামচ, দারুচিনি ২ টুকরা, এলাচি ৪টি, সরসহ দুধ (তরল) আদা কাপ, ফেটানো ডিম ১টি, ময়দা ১ টেবিল চামচ, লবণ স্বাদমতো, ঘি আধা কাপ। তেল পরিমাণমতো। বাদামকুচি ১ চা-চামচ।
প্রণালি:
মুরগির মাংস পছন্দমতো টুকরা করে ধুয়ে নিন। মাংসের পানি ঝরিয়ে তাতে আদাবাটা, রসুনবাটা, কাঁচা মরিচবাটা, লবণ, ময়দায় মেখে ১০ মিনিট মেরিনেট করে রাখুন। ফ্রাইপ্যানে ঘি দিয়ে ফেটানো ডিমে ডুবিয়ে হালকা বাদামি করে ভেজে তুলুন মাংস। প্যানে তেল অথবা ঘি দিয়ে বাটা ও ফাটা মসলা দিয়ে কষিয়ে নিন। ভাজা মাংস সেদ্ধ হয়ে এলে সরসহ দুধ দিন। ঝোল ঘন হলে নামিয়ে পোলাওর সঙ্গে পরিবেশন করুন।
2. দরবারি মোরগ মোসাল্লাম...
উপকরণ:
দেশি ও কচি মোরগ (৭০০ গ্রাম) ১টি। আদাবাটা ১ টেবিল চামচ, রসুনবাটা ১ চা-চামচ, পেঁয়াজবাটা ২ টেবিল চামচ, বেরেস্তাবাটা আদা কাপ, কিশমিশবাটা ১ চা-চামচ, কাজুবাদামবাটা ১ টেবিল চামচ, মরিচবাটা ১ টেবিল চামচ, হলুদবাটা সামান, জিরার গুঁড়া ১ চা-চামচ, ধনে গুঁড়া ১ চা-চামচ। তেজপাতা ২টি, দারুচিনি ২ টুকরা, এলাচি ৪টি, লবঙ্গ ৭টি, গোল মরিচ ৭-৮টি, আলুবোখারা ৪-৫টি, লেবুর রস ১ টেবিল চামচ, মিষ্টি দই আধা কাপ, লবণ স্বাদমতো, তেল প্রয়োজনমতো, ঘি ১ কাপ, জাফরান ১ চিমটি, তরল দুধ ১ কাপ, বাদামকুচি ১ টেবিল চামচ, কিশমিশ ১ টেবিল চামচ, সেদ্ধ ডিম ১টি।
প্রণালি:
মোরগ আস্ত রেখে ভেতরের সবকিছু বের করে পরিষ্কার করে ধুয়ে নিন। আদা, রসুন, লবণ, মিষ্টি দই ও জাফরান দিয়ে মেখে কাঁটা চামচ দিয়ে কেচে নিন। সেদ্ধ ডিম ভেজে মোরগের পেটের ভেতর ঢুকিয়ে দিন। অর্ধেক বাদামকুচি, কিশমিশ, পেঁয়াজ বেরেস্তা ডিমের সঙ্গে ভরে দিন। সুতা দিয়ে ডানাসহ পা দুটি একসঙ্গে বাঁধুন। মোরগ একবার উল্টে দিন। দই পিঠে হালকা বাদামি করে ভেজে তুলে নিন। এবার সব বাটা ও গুঁড়া মসলা অল্প আঁচে এপিঠ-ওপিঠ রান্না করুন। মোরগ সেদ্ধ হওয়া পর্যন্ত। ভাজা-ভাজা হলে সুতা খুলে পেঁয়াজ বেরেস্তা, বাদাম কিশমিশ দিয়ে পরিবেশন করুন।
কয়লা মোরগ
3. কয়লা মোরগ....
উপকরণ:
মোরগ ১ কেজি, আদাবাটা ১ টেবিল চামচ, রসুনবাটা ১ চা-চামচ, পেঁয়াজ বেরেস্তা ১ কাপ, মরিচ গুঁড়া ১ টেবিল চামচ, জিরা গুঁড়া আধা চা-চামচ, ধনে গুঁড়া ১ চা-চামচ, কাবাব মসলা (দারুচিনি, এলাচি, লবঙ্গ, গোল মরিচ, জিরা, জয়ফল, জয়ত্রী ১ চা-চামচ করে নিয়ে টেলে বেটে নিতে হবে) ১ চা-চামচ (উঁচু) সঙ্গে পেঁয়াজ বেরেস্তাও বেটে নিতে হবে। লবণ স্বাদমতো, তেল প্রয়োজনমতো, ঘি ১ টেবিল চামচ, ধোয়ার জন্য কাঠ কয়লা ১ টুকরা, স্টিলের বাটি (ছোট) ১টি অথবা ফয়েল পেপার ১ টুকরা, ঢাকনা ১টি।
প্রণালি:
মোরগের মাংস টুকরা করে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিতে হবে। এবার মাংসের সঙ্গে আদাবাটা, রসুনবাটা, মরিচ গুঁড়া, লবণ, জিরা গুঁড়া, ধনে গুঁড়া, কাবাব মসলা, টকদই ও ১ টেবিল চামচ তেল দিয়ে মেখে ৩০ মিনিট মেরিনেট করে রাখতে হবে। তেল গরম করে মেরিনেট করা মাংস দিয়ে ভালো করে ফাটিয়ে নিতে হবে। বাটা পেঁয়াজ (বেরেস্তা) দিন। ১ কাপ গরম পানি দিয়ে ঢেকে দিন। মাংস সেদ্ধ ও ভাজা-ভাজা হলে সার্ভিং ডিশে ঢেলে মাঝখানে ফয়েল পেপারের বাটি অথবা স্টিলের ছোট বাটি বসিয়ে তার মধ্যে জ্বলন্ত কাঠ কয়লা রেখে কয়লার ওপর ১ টেবিল চামচ ঘি দিয়ে পাঁচ-ছয় মিনিট ঢেকে রাখুন। গরম-গরম পরোটা, লুচি, নানরুটি, পোলাও দিয়ে পরিবেশন করুন।
মরিচ মুরগি
4. মরিচ মুরগি (চিলি চিকেন....
উপকরণ:
মুরগির মাংস (হাড় ছাড়া) ছোট ছোট টুকরা করা ৫০০ গ্রাম, সয়াসস ২ টেবিল চামচ, টমেটো সস আধা কাপ, চিলি সস ১ টেবিল চামচ, গোলমরিচ গুঁড়া ১ চা-চামচ, আদা-রসুনের রস ১ টেবিল চামচ, ডিম ১টি, ময়দা ১ টেবিল চামচ, মধু ৩ টেবিল চামচ, ময়দা ১ টেবিল চামচ, মাখন ১০০ গ্রাম, কাঁচা মরিচ ফালি ৪ থেকে ৫টি (বিচি ছাড়া), লাল-সবুজ-হলুদ ক্যাপসিকাম আধা কাপ করে, পেঁয়াজ (ভাজে খোলা) ১ কাপ, লবণ স্বাদমতো, তেল ভাজার জন্য।
প্রণালি:
মুরগির মাংসের সঙ্গে সয়াসস লবণ, আদা-রসুনের রস, টমেটো সস, ডিম ও ময়দা দিয়ে মাখিয়ে ২০ মিনিট ম্যারিনেট করে রাখুন। তারপর ডুবো তেলে বাদামি করে ভেজে মাংসের টুকরাগুলো তুলে রাখুন। অন্য একটি ফ্রাইপ্যানে মাখন দিয়ে তাতে পেঁয়াজ, কাঁচা মরিচ ও ক্যাপসিকামে টুকরাগুলো দিয়ে একটু নাড়াচাড়া করুন। এবার ভাসা মাংস দিন, টমেটো সস চিলি সস ও স্বাদমতো লবণ দিন, ভাজা-ভাজা করুন, সব শেষে মধু ও গোলমরিচের গুঁড়া দিয়ে নামিয়ে গরম-গরম পরিবেশন করুন।
5.মোরগ ভিন্দালু
উপকরণ:
মোরগের মাংস (ছোট টুকরা) ১ কেজি, পেঁয়াজকুচি ১ কাপ, রসুনকুচি ১ চা-চামচ, কাঁচা মরিচ ২-৩টি, লবণ স্বাদমতো, তেল ১ কাপ, আলু ৫-৬ টুকরা।
ভিন্দালু পেস্ট: কাশ্মীরি মরিচ গুঁড়া ২ টেবিল চামচ, ধনে গুঁড়া ১ টেবিল চামচ, জিরার গুঁড়া ১ চা-চামচ, সরিষাবাটা ১ চা-চামচ, হলুদ গুঁড়া আধা চা-চামচ, গোল মরিচ গুঁড়া আধা চা-চামচ, সিরকা ৪ টেবিল চামচ। সিরকার সঙ্গে সব মসলা মিশিয়ে একটি পেস্ট তৈরি করুন।
প্রণালি:
সসপ্যানে তেল গরম করে পেঁয়াজ ও রসুন সামান্য ভাজুন। ভাজা হলে ভিন্দালু পেস্ট দিন এবং কষান। মোরগের মাংস দিন ৩-৪ মিনিট ভুনা করুন। লবণ আলু ও ২ কাপ গরম পানি দিয়ে মাঝারি আঁচে ঢেকে রান্না করুন ৫ মিনিট। মাংস সেদ্ধ না হলে আরও পানি দিয়ে কম আঁচে ফোটান। মাংস সেদ্ধ হলে কষিয়ে নামান। ইচ্ছা হলে পছন্দমতো ঝোল রাখা যায়।
E. গরুর মাংসের মুখরোচক ৫ রেসিপি......
1. কড়াই গোস্ত
সবচেয়ে পছন্দের মাংস রান্নার মধ্যে গরুর কড়াই গোস্ত উন্যতম। এটি কমবেশি সবাই পছন্দ করে থাকে।
উপকরণ
* গরুর মাংস ১ কেজি
* পেঁয়াজ কুচি আধা কাপ
* হলুদ ও গুঁড়া ১ টেবিল চামচ
* মরিচ গুঁড়া ১ টেবিল চামচ
* মাংসের মসলা ১ চা চামচ
* দারচিনি ও এলাচ ৩/৪ টুকরো, জয়ফল।
* জয়ত্রী বাটা ১ চা চামচ
* টক দই ১ কাপ
* টমেটো কিউব ১ কাপ
* তেজপাতা ২টি
* তেল ১ কাপ
* রসুন কোয়া ২/৩টি
* লবণ পরিমাণ মতো।
প্রস্তুত প্রণালী
* একটি চালুনি পাত্রে গরুর মাংস রেখে পানি ঝরিয়ে নিন। এবার একটি পাত্রে মাংস, টক দই, লবণ সহ সব মসলা একসঙ্গে ভালো করে মেখে ২০/২৫ মিনিট মেরিনেট করে রাখুন।
* হাঁড়িতে তেল গরম করে অর্ধেক পেঁয়াজ কুচি, দারচিনি, এলাচ, তেজপাতা হালকা বাদামী করে ভেজে মেরিনেট করা মাংস দিয়ে নেড়ে কষাতে হবে। পরিমাণ মতো পানি দিয়ে মৃদু আঁচে রান্না করতে হবে। কিছু সময় পর মাংস সেদ্ধ হল কিনা দেখে নিন।
* মাংস সিদ্ধ হয়ে আসলে ও মাংসের ওপর তেল ভেসে উঠলে নামিয়ে রাখতে হবে। তেল গরম করে পেঁয়াজ কুচি, রসুনের কোয়া, টমেটো কুচি হালকা বাদামী করে ভেজে মাংস কড়াই-এ দিয়ে ২/৩ মিনিট দমে রেখে নামিয়ে ফেলুন। এভাবেই তৈরি হয়ে যাবে গরুর মাংসের কড়াই গোস্ত।
2.কালা ভুনা
গরুর মাংসের কালো ভুনা চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী খাবার হলেও দেশের কমবেশি সকল মানুষই এই রেসিপিটি পছন্ন করেন। এবার আসুন জেনে নেওয়া যাক কিভাবে এটি তৈরি করবেন।
উপকরণ
* ২ কেজি হাড় ছাড়া গরুর মাংস
* ১/২ চামচ বা মরিচ গুড়া ও ১ চামচ হলুদ গুড়া
* ১/২ চামচ জিরার গুড়া ও ১/২ চামচ ধনিয়া গুড়া
* ১ চাচম পেঁয়াজ বাটা ও ২ চামচ রসুন বাটা
* ১/২ চামচ আদা বাটা, সামান্য গরম মশলা (দারুচিনি, এলাচি)
* ১/২ কাপ পেঁয়াজ কুঁচি, কয়েকটা কাঁচা মরিচ,
* পরিমাণ মতো লবণ ও সরিষার তেল।
প্রস্তুত প্রণালী
* গরুর মাংস ধুয়ে নিয়ে একটি চালুনি পাত্রে রেখে পানি ঝরিয়ে নিন। তারপর লবন, তেল ও বাকি সব মশলা দিয়ে ভালো করে মাখিয়ে নিতে হবে (পেঁয়াজ কুঁচি এবং কাঁচা মরিচ বাদে)।
* মাখানো মাংসটি এবার চুলায় হালকা আঁচ রেখে জ্বাল দিতে হবে। এবার দুই কাপ পানি দিয়ে আবারো ঢাকনা দিয়ে দিন। মাংস সেদ্ধ হতে সময় লাগবে। যদি মাংস সেদ্ধ না হয় তবে আবারো গরম পানি এবং জাল বাড়িয়ে নিন।
* ঝোল শুকিয়ে, মাংস নরম হয়ে গেলে রান্নার পাত্রটি সরিয়ে রাখুন। এবার অন্য একটি কড়াই নিয়ে, তাতে তেল গরম করে পেঁয়াজ কুঁচি এবং কাঁচা মরিচ ভাঁজতে থাকুন।
* সোনালী রং হয়ে আসলো সেই কড়াইতে গরুর মাংস দিয়ে , হালকা আঁচে ভাজতে হবে। মাংস কাল হয়ে যাওয়া পর্যন্ত নাড়তে থাকুন, খেয়াল রাখতে হবে যাতে মাংস পুড়ে না যায়। সবশেষে রান্নাটি নামানোর আগে লবণটি চেখে নিন। কালা ভুনার স্বাদ আরো বাড়াতে খাঁটি সরিষার তেল ব্যবহার করুন।
3.শাহী রেজালা
কোরবানির ঈদে গরুর মাংসের শাহী রেজালা খুবই জনপ্রিয়। এবার আসুন জেনে নেওয়া যাক কীভাবে গরুর মাংসের রেজালা তৈরি করা যায়।
প্রয়োজনীয় উপকরণ
* ১ কেজি গরুর মাংস
* পেঁয়াজ কুচি ১ কাপ
* আদা ও রসুন বাটা
* হলুদ জিরা ও ধনিয়া
* কেওড়া জল ও কিশমিশ
* আলু বুখারা ও টক দই
* বাদাম বাটা ও চিনি
* কাঁচা মরিচ বাটা বা পেস্ট,
* জয়ফল/ জয়ত্রী/ পুস্তদানা
* গরম মসলা (এলাচি/ দারুচিনি) তেজপাতা ও তেল।
* লবণ
যেভাবে রান্না করবেন
একটি চালনি নিয়ে মাংস ভালো করে ধুয়ে নিন। এবার সব উপকরণ পরিমাণমতো নিয়ে দই আর অল্প পানি দিয়ে একসাথে মিশিয়ে ঘণ্টাখানেক মেরিনেট করে রেখে দিন।
*এরপর মাংসে তেল, কাঁচামরিচ পেস্ট, পেঁয়াজ, আদা, রসুন, হলুদ, জিরা, ধনিয়া, লবণ, বাদাম বাটা, চিনি, জয়ফল, জয়ত্রী,পুস্তদানা বাটা, তেজপাতা, গরম মসলা দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিন।
* মেশানোর হয়ে গেলে মাংসের মিশ্রণটি চুলায় বসিয়ে দিন। অল্প আঁচে গরম হতে থাকবে এবং মাংস সিদ্ধ হচ্ছে কিনা কিছু ক্ষণ পরে দেখে নিন।
* মাংস সেদ্ধ হয়ে আসলে কেওড়া জল, কিশমিশ ও আলুবোখারা দিয়ে দিন। এরপর ঢাকনা দিয়ে হালকা আঁচে আরও কিছু সময় জ্বাল দিন। তারপর লবণ ঝাল হয়েছে কিনা দেখে নিন। বাগার দিয়ে কিছুক্ষণ ঢেকে রাখুন। অল্প কিছু সময়ের মধ্যেই হয়ে যাবে মজাদার গরুর মাংসের রেজালা ।
4.গার্লিক বিফ
গরুর মাংসের গার্লিফ বিফ খুবই মজাদার একটি রেসিপি। এটি চাইলেই আপনি বাড়িতে তৈরি করতে পারেন। এবার আসুন জেনে নেওয়া যাক কিভাবে এটি তৈরি করবেন।
প্রয়োজনীয় উপকরণ
* গরুর মাংস ১ কেজি
* পেঁয়াজ কুচি ১ কাপ
* হলুদ গুঁড়া ১ কাপ ও মরিচ গুঁড়া ১ কাপ
* আদা বাটা আধা চা চামচ ও রসুন বাটা আধা চা চামচ
* রসুনের কোয়া ৬/৭টি ও ধনে গুঁড়া ১ চা চামচ
* জিরা গুঁড়া ১ চা চামচ
* তেল আধা কাপ, মাংসের মসলা আধা চা চামচ
* টমেটো সস আধা কাপ ও টক দই ১ কাপ
* গরম মসলা গুঁড়া আধা চা চামচ ও লবণ স্বাদ মতো।
প্রস্তুত প্রণালী
* গরুর মাংস ধুয়ে নিয়ে একটি চালুনি পাত্রে রেখে পানি ঝরিয়ে নিন। এবার একটি পাত্রে মাংস, তেল, টক দই, হলুদ, মরিচ, আদা, রসুন, পেঁয়াজ, লবণ সহ সব মসলা নিয়ে আধা ঘণ্টা খানিক মেরিনেট করে রাখুন।
* কড়াইতে তেল গরম করে পেঁয়াজ বাদামী করে ভেজে মাংস দিয়ে নেড়ে কষাতে হবে। কষানো হলে সামান্য পানি দিয়ে নেড়ে ঢেকে রাখতে হবে। মাংস সিদ্ধ হয়ে আসলে টমেটোসস, কাঁচামরিচ ফালি ও রসুনের কোয়া দিয়ে ১০ মিনিট দমে রেখে নামিয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন।
5. গরুর মাথার মাংস ভুনা
গরুর মাথার মাংস কমবেশি সকলেই পছন্ন করেন। তবে তা রান্না করা কিছুট কঠিন। আসুন জেনে নেওয়া যাক এটি রান্না করার সহজ পদ্ধতি সম্পর্কে।
উপকরণ
*গরুর মাথার মাংস ১ কেজি
* পেঁয়াজ কুচি ১ কাপ
* টমেটো কুচি আধা কাপ
* হলুদ গুঁড়া আধা চা চামচ ও আদা বাটা ১ চা চামচ
* ধনে গুঁড়া আধা চা চামচ
* সরিষার তেল আধা কাপ ও গোলমরিচ গুঁড়া আধা চা চামচ
* তেজপাতা ২টি ও গরম মসলা গুঁড়া ১ চা চামচ
প্রস্তুত প্রণালী
* তেলে পেঁয়াজ বাদামী করে ভেজে হলুদ গুঁড়া, তেজপাতা, মরিচ গুঁড়া, আদা বাটা, রসুন বাটা, পেঁয়াজ বাটা, টমেটো দিয়ে কষাতে হবে। তারপর পরিমাণ মতো গরম পানি দিয়ে ঢেকে দিন।
* গরম মসলা গুঁড়া, জিরা গুঁড়া, ধনে গুঁড়া, জয়ফল ও জয়ত্রী গুঁড়া দিয়ে ঢেকে দিতে হবে। মাংস সিদ্ধ হয়ে গেলে নামিয়ে পরিবেশন করুন ভাতের সঙ্গে।
F. শিখে নিন খাসির মাংসের কয়েকটি রেসিপি....
1.নারকেলের দুধে খাসির রেজালা...
উপকরণ :
১. খাসির মাংস ১ কেজি,
২. পেঁয়াজ কুচি ১ কাপ,
৩. আদা বাটা ২ টেবিল-চামচ,
৪. রসুন ১ চা-চামচ,
৫. এলাচি ৪টি,
৬. দারুচিনি ২ টুকরা,
৭. দই ১ কাপ,
৮. তেল বা ঘি আধা কাপ,
৯. চিনি ১ টেবিল-চামচ,
১০. লবণ পরিমাণমতো,
১১. নারকেলের দুধ দেড় কাপ,
১২. দুধ (রুচি অনুসারে),
১৩. কাঁচা মরিচ ৫টি,
১৪. নারকেল কুচি ২ টেবিল-চামচ।
প্রণালি :
> পেঁয়াজ বাদামি করে ভেজে এর অর্ধেকটা অন্য পাত্রে তুলে রাখতে হবে। এরপর তেলে মাংস দিয়ে কিছুক্ষণ ভেজে দুধ, কাঁচা মরিচ, নারকেল কুচি ছাড়া বাকি সব মসলা দিয়ে মাংস ভালোভাবে কষিয়ে নিতে হবে। মাংস কিছুটা নরম হয়ে এলে দুধ মিশিয়ে অপেক্ষা করতে হবে ফুটে ওঠা পর্যন্ত। মাংস মাখা-মাখা হয়ে এলে তাতে নারকেল কুচি, কাঁচা মরিচ দিয়ে অল্প আঁচে চল্লিশ মিনিট রাখতে হবে। তারপর নামিয়ে নিয়ে পরিবেশন করুন। ইচ্ছে হলে উপরে বেরেস্তাও দিতে পারেন, তবে এতে বেরেস্তার কড়া ঘ্রাণে নারকেলের ঘ্রাণ হারিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে।
2. মাংসের তক্তি পিঠা....
উপকরণ :
১. হাড় ছাড়া কষানো মাংস ১ কাপ (ঝুরি করে নেয়া),
২. পেঁয়াজ কুচি ১ কাপ,
৩. রসুন কুচি ১ টেবিল চামচ,
৪. কাঁচা মরিচ কুচি পছন্দমতো,
৫. ধনিয়াপাতা কুচি ২ টেবিল-চামচ,
৬. জিরা গুঁড়া ১ চা-চামচ,
৭. তেল আধা কাপ,
৮. ডিম ১টি,
৯. চালের গুঁড়া ২ কাপ।
প্রণালি :
> উপরের সব উপকরণ ভালোমতো মেখে কলাপাতায় মুড়ে পাতলা বিস্কুটের শেপ দিয়ে তাওয়ায় উচ্চ তাপে ভাজতে হবে। গ্রামে সরাসরি চুলার আগুনে দেয়া হয়। ইচ্ছে হলে আভেনে ২২০ ডিগ্রি তাপমাত্রায় বেক করতে পারেন। সে ক্ষেত্রে কলাপাতা লাগবে না। বিস্কুটের মতো ভাজা ভাজা হয়ে এলে কেটে সরিষার চাটনি বা কাসুন্দি দিয়ে পরিবেশন করুন।
3.কাটা মসলায় খাসির মাংস
উপকরণ :
১. খাসির মাংস এক কেজি,
২. আদা কুচি দুই চা চামচ,
৩. রসুন কুচি দুই চা চামচ,
৪. পেঁয়াজ কুচি এক কাপ,
৫. আস্ত জিরা এক চা চামচ,
৬. মরিচ গুঁড়া এক টেবিল চামচ,
৭. হলুদ গুঁড়ো এক টেবিল চামচ,
৮. দারুচিনি তিন টুকরা,
৯. এলাচ তিনটি,
১০. লবঙ্গ তিনটি,
১১. আস্ত গোলমরিচ ছয়-সাতটি,
১২. তেল পরিমাণমতো,
১৩. লবণ স্বাদমতো।
প্রণালি :
> প্রথমে খাসির মাংসের সঙ্গে আদা কুচি, রসুন কুচি, পেঁয়াজ কুচি, আস্ত জিরা, মরিচ গুঁড়া, হলুদ গুঁড়া, দারুচিনি, এলাচ, লবঙ্গ, আস্ত গোলমরিচ, তেল ও লবণ মিশিয়ে মেরিনেটের জন্য এক ঘণ্টা ফ্রিজে রেখে দিন। এর পর প্যানে ঢেলে ঢাকনা দিয়ে ঢেকে মাঝারি আঁচে রান্না করুন। সেদ্ধ হয়ে এলে এবং পানি শুকিয়ে গেলে চুলা থেকে নামিয়ে বাটিতে ঢেলে গরম গরম পরিবেশন করুন কাটা মসলায় খাসির মাংস।
4.জয়পুরী মাংস
উপকরণ :
১. খাসির মাংস ১ কেজি,
২. পেঁয়াজ ১ কাপ,
৩. আদা বাটা দেড় টেবিল চামচ,
৪. আস্ত ধনিয়া ১ টেবিল চামচ,
৫. টক দই ১ কাপ,
৬. বড় এলাচ ৪ টি,
৭. শুকনো মরিচ কুচি (বিচি ছাড়া) ৪ টি,
৮. তেজপাতা ২ টি,
৯. ঘি ৩ টেবিল চামচ,
১০. লবণ স্বাদমতো,
১১. চিনি ১ টেবিল চামচ,
১২. হলুদ ১ চা চামচ,
১৩. মরিচ গুঁড়া ১ চা চামচ।
প্রণালি :
>প্রথমে একটি কড়াইতে মাংসের সঙ্গে বাকি সব মশলা ভালো করে মাখিয়ে নিন। এরপরে ঘি দিয়ে অল্প আঁচে চুলায় বসিয়ে রাখুন। এবার মাংসের উপরে তেল ভেসে উঠলে দই দিয়ে দিন। এরপরে ভালো করে নাড়ুন।মাখা মাখা হলে নামিয়ে ফেলুন।এবার গরম গরম পরিবেশন করুন মজাদার জয়পুরী মাংস।
5.খাসির স্টেক
উপকরণ :
১. খাসির মাংস ১ কেজি,
২. মরিচ গুঁড়া ১ চা চামচ,
৩. লবণ পরিমাণমতো,
৪. সয়া সস ২ টেবিল চামচ,
৫. তেল ৬ টেবিল চামচ,
৬. ঘি ২ টেবিল চামচ,
৭. শসা ১টি,
৮. গাজর ১ টি,
৯. টমেটো ১ টি।
প্রণালি :
> প্রথমে একটি পাত্রে মাংস টুকরা করে মরিচ গুঁড়া, লবণ, সয়া সস দিয়ে মেখে ম্যারিনেট করতে হবে ১ ঘণ্টা। বেকিং ট্রে তে তেল ঢেলে ছড়িয়ে দিতে হবে যেন কোনো অংশ বাদ না পড়ে। ওভেনে ২৫০ তাপে বা ম্যাক্স এ দিয়ে ট্রে সহ প্রিহিট করতে হবে ৫ মিনিট। তেল গরম হয়ে এলে ট্রে বের করে মাংস সাজিয়ে ওভেনে ১০ মিনিটের জন্য দিতে হবে। তারপর ৭ মিনিটের মাথায় ট্রে বের করে মাংস উল্টিয়ে ঘি দিয়ে ব্রাশ করে উপরের তাকে ৩ মিনিট এর জন্য দিতে হবে। এরপর নামিয়ে শসা, গাজর টমেটো দিয়ে সাজিয়ে পরিবেশন করুন সুস্বাদু খাসির স্টেক।
G.স্পেশাল বৈশাখী পান্তা’র রেসিপি…
বাঙালির পহেলা বৈশাখ । এদিন পান্তা ইলিশ খাওয়াটা রেওয়াজ হয়ে গেছে। তাই আজ আপনাদের সবার জন্য পেশ করলাম পান্তা ভাতের রেসিপি।
উপকরণ :>
পরিমানমত চাল ( বোরো চাল হলে ভালো হয় ), পরিমান মতন পানি। কাঁচা পেয়াজ , কাঁচা মরিচ এবং লবন ।
প্রক্রিয়া :>
একটি পাত্রে চাল ধুয়ে পানি দিয়ে চুলার উপর বসিয়ে দিন। তারপর ভাত হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন।ভাত হয়ে গেলে ভাত ঠান্ডা করে তাতে পানি ঢেলে শুকনো, ঠান্ডা জায়গায় ঢেকে রাখুন।৮ ঘন্টা পর ঢাকনা খুলে দেখুন – তা পান্তা ভাতে রুপান্তরিত হয়েছে।তারপর সবার সামনে কাঁচা পেয়াজ , কাঁচা মরিচ এবং লবন দিয়ে গ্রাম বাংলার মাটি ও মানুষের খাবার পরিবেশন করুন।
বিঃ দ্রঃ
পান্তা খাওয়ার জন্য ইলিশ ভাজি আবশ্যক নয়।
আপন আঙ্গিনা পেজটিতে লাইক করুন।
লিঙ্কঃ https://www.facebook.com/Apon-Angina-108968333814937
" আপন আঙ্গিনা" ইউটিউব চ্যানেল টি সাবস্ক্রাইব করুন।
লিঙ্কঃ https://www.youtube.com/channel/UCYLJ15LLXyUPIgcQyw6X8bw…
আশা করি এই টিপস আপনার অনেক কাজে আসবে।
তাই নিজে জানুন আর সকলের সাথে বেশি বেশি শেয়ার করুন.....
#Apon_Angina
পেজটিতে অবশ্যই লাইক দিতে ভুলবেন না।
ভালো থাকুন, সুস্থ্য থাকুন।
.........ধন্যবাদ
কমেন্ট করতে কষ্ট হয়,
তাহলে সংক্ষেপে কমেন্ট করুন..
T= (Thanks)
N= (Nice)
E= (Excellent)
V= (very fine)
B= (Bad)
O= (Osthir)..
আপনাদের কমেন্ট দেখলে আমরা
ভালো ভালো পোষ্ট দিতে সাহস পাই।





0 Comments: