মানীয় সংসদ সদেস্য জুনাঈদ আহমদ পলক এর পেজ থেকে নেওয়া !
বিকেল ৩টার দিকে হঠাৎ স্নেহের ছোটভাই সিংড়া পৌরসভার মেয়র জান্নাতুল ফেরদৌস ফোন করে বললো ভাই পৌরসভার নিংগইনে ভাটোপাড়া মহল্লায় একটি বাড়িতে গ্যাসের সিলিন্ডার বিস্ফোরন হয়েছে। ঘনবসতির কারনে বেশ কয়েকটি বাড়িতে আগুন লাগার সম্ভাবনা আছে। তাদের জানমালের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হতে পারে।
আমি ৯৯৯ ফোন করে বিষয়টি তাদের জানিয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীদের পাঠানোর জন্য বললাম। এরপরই স্থানীয় কয়েকজনের সাথে কথা বলে জানলাম প্রায় ২০০-৩০০ এলাকাবাসী আগুন নিয়ন্ত্রনে আনতে চেষ্টা করছে। কিছুক্ষণের মধ্যে সিংড়া ও নাটোর এর ফায়ার সার্ভিসের ২টি ইউনিটের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌছে গেছে। পরে এলাকাবাসী ও তাদের সহযোগিতায় আগুন নিয়ন্ত্রনে এসেছে।
স্নেহের ছোটভাই ফেরদৌস ঘটনাটি জানার পর ১০ মিনিটের মধ্যেই উপস্থিত হয়ে সে নিজেই আগুন নিয়ন্ত্রনে আনার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করেছে এবং আগুন নিয়ন্ত্রনে আনতে তদারকি করেছে।
তারপরও ৯টি পরিবার ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে (ভাটোপাড়া মহল্লার মফিজ উদ্দিন, পিতা মৃত কদম মন্ডল, রফিকুল, শফিকুল ও রাশেদুল ইসলাম এদের পিতা মফিজ উদ্দিন, কাশেম, পিতা মৃত তয়েজ উদ্দিন, সোহেল ও বিপ্লব এদের পিতা কাশেম, হাকিম, পিতা আজিজ,কবির হোসেন, পিতা বাচ্ছু)। ক্ষতিগ্রস্থ প্রত্যেকটি ব্যক্তি আমার পরিবারের সদস্য। তাদের কষ্টের ভাগিদার আমি নিজেও। প্রিয় মানুষগুলোর এ ক্ষতিতে আমি সমবেদনা জানাচ্ছি।
আমি নাটোর এর জেলা প্রশাসক, এসপি, সিংড়ার ইউএনও,ওসি ও উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তাকে ফোনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর সার্বিক সহযোগিতার জন্য নির্দেশনা দিয়েছি।
ইতিমধ্যে পৌর মেয়র ছোটভাই ফেরদৌস ও উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (আলআমিন) তাৎক্ষণিক ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর মাঝে ১০ কেজি করে চাউল, ১ প্যাকেট করে শুকনো খাবার পৌছে দিয়েছে। দ্রুত পরিবারগুলোর মাঝে আমার পক্ষ থেকে ২বান টিন আর নগদ ৬হাজার করে টাকা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে মেয়র। তাদের বাসস্থানের ব্যবস্থা আমরাই করে দেবো ইনশাআল্লাহ।
মহান আল্লাহ আমার প্রাণের সিংড়ার প্রত্যেকটি মানুষকে হেফাযত করুন। আমিন
বিকেল ৩টার দিকে হঠাৎ স্নেহের ছোটভাই সিংড়া পৌরসভার মেয়র জান্নাতুল ফেরদৌস ফোন করে বললো ভাই পৌরসভার নিংগইনে ভাটোপাড়া মহল্লায় একটি বাড়িতে গ্যাসের সিলিন্ডার বিস্ফোরন হয়েছে। ঘনবসতির কারনে বেশ কয়েকটি বাড়িতে আগুন লাগার সম্ভাবনা আছে। তাদের জানমালের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হতে পারে।
আমি ৯৯৯ ফোন করে বিষয়টি তাদের জানিয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীদের পাঠানোর জন্য বললাম। এরপরই স্থানীয় কয়েকজনের সাথে কথা বলে জানলাম প্রায় ২০০-৩০০ এলাকাবাসী আগুন নিয়ন্ত্রনে আনতে চেষ্টা করছে। কিছুক্ষণের মধ্যে সিংড়া ও নাটোর এর ফায়ার সার্ভিসের ২টি ইউনিটের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌছে গেছে। পরে এলাকাবাসী ও তাদের সহযোগিতায় আগুন নিয়ন্ত্রনে এসেছে।
স্নেহের ছোটভাই ফেরদৌস ঘটনাটি জানার পর ১০ মিনিটের মধ্যেই উপস্থিত হয়ে সে নিজেই আগুন নিয়ন্ত্রনে আনার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করেছে এবং আগুন নিয়ন্ত্রনে আনতে তদারকি করেছে।
তারপরও ৯টি পরিবার ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে (ভাটোপাড়া মহল্লার মফিজ উদ্দিন, পিতা মৃত কদম মন্ডল, রফিকুল, শফিকুল ও রাশেদুল ইসলাম এদের পিতা মফিজ উদ্দিন, কাশেম, পিতা মৃত তয়েজ উদ্দিন, সোহেল ও বিপ্লব এদের পিতা কাশেম, হাকিম, পিতা আজিজ,কবির হোসেন, পিতা বাচ্ছু)। ক্ষতিগ্রস্থ প্রত্যেকটি ব্যক্তি আমার পরিবারের সদস্য। তাদের কষ্টের ভাগিদার আমি নিজেও। প্রিয় মানুষগুলোর এ ক্ষতিতে আমি সমবেদনা জানাচ্ছি।
আমি নাটোর এর জেলা প্রশাসক, এসপি, সিংড়ার ইউএনও,ওসি ও উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তাকে ফোনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর সার্বিক সহযোগিতার জন্য নির্দেশনা দিয়েছি।
ইতিমধ্যে পৌর মেয়র ছোটভাই ফেরদৌস ও উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (আলআমিন) তাৎক্ষণিক ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর মাঝে ১০ কেজি করে চাউল, ১ প্যাকেট করে শুকনো খাবার পৌছে দিয়েছে। দ্রুত পরিবারগুলোর মাঝে আমার পক্ষ থেকে ২বান টিন আর নগদ ৬হাজার করে টাকা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে মেয়র। তাদের বাসস্থানের ব্যবস্থা আমরাই করে দেবো ইনশাআল্লাহ।
মহান আল্লাহ আমার প্রাণের সিংড়ার প্রত্যেকটি মানুষকে হেফাযত করুন। আমিন





0 Comments: