আমাদের ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলাকে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ থেকে সুরক্ষিত রাখতে এখনই জেলা কতৃপক্ষকে সমগ্র জেলাকে দ্রুত লকডাউন করা উচিত

আমাদের ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলাকে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ থেকে সুরক্ষিত রাখতে এখনই জেলা কতৃপক্ষকে সমগ্র জেলাকে দ্রুত লকডাউন করা উচিত

আমাদের ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলাকে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ থেকে সুরক্ষিত রাখতে এখনই জেলা কতৃপক্ষকে সমগ্র জেলাকে দ্রুত লকডাউন করা উচিত বলে আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলাকে কেন লকডাউন করা দরকার

                               

✅ কারণ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পাশ্ববর্তী জেলা নারায়ণগঞ্জে ইতোমধ্যে ২৩ জন করোনাভাইরাসের আক্রান্ত হয়েছে। করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ৪ জন ইতোমধ্যে মারা গিয়েছে।

✅ পাশ্ববর্তী জেলা কুমিল্লায় ইতোমধ্যে ১ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে।

✅ পাশ্ববর্তী জেলা নরসিংদীতে ইতোমধ্যে ১ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে।

✅ পাশ্ববর্তী জেলা হবিগঞ্জে করোনাভাইরাস সন্দেহে ইতোমধ্যে কয়েকজন আইসোলেসনে আছে। হবিগঞ্জ জেলা করোনাভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকিতে রয়েছে।কারণ ইতোমধ্যে হবিগঞ্জের পাশের জেলা সিলেট ও মৌলভীবাজারে ১ জন করে করোনাভাইরাস আক্রান্ত হয়েছে। মৌলভীবাজারে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তি ইতোমধ্যে মারা গিয়েছে।

✅ পাশ্ববর্তী জেলা কিশোরগঞ্জের ভৈরব উপজেলায় করোনাভাইরাস সংক্রমণ হওয়ার খুব ঝুঁকি রয়েছে। কারণ ইতোমধ্যে ভৈরবের পাশের জেলা নরসিংদীদে করোনাভাইরাসে ১ জন আক্রান্ত হয়েছে।

যেহেতু ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার পাশ্ববর্তী জেলাগুলোতে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শুরু হয়েছে, তাই ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলাকে সুরক্ষিত রাখতে জেলা কতৃপক্ষের আর সময়ক্ষেপণ না করে ব্রাহ্মণবাড়িয়াকে (প্রত্যেক উপজেলাকে আলাদাভাবে লকডাউন করা) সম্পূর্ণ লকডাউনের আওতায় আনা যায় কিনা তা খুব দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।

👉 উল্লেখ্য যে, চীনের হুবেই প্রদেশের উহানে ভাইরাসটি ছড়িয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে চীন ওই এলাকাটিকে পুরো দেশ থেকে বিচ্ছিন্ন করে দেয়। যার কারণে চীন করোনাভাইরাস প্রতিরোধে সফলও হয়েছে।

[বিঃদ্রঃ এটি আমার ব্যক্তিগত মতামত]

0 Comments: