করোনা ভাইরাস এর আতঙ্কে কাপছে বিশ্ব। মানুষ করোনায় মরতে হবে না। করোনার আতঙ্কে আধমরা হয়ে রয়েছে।
আসুন দেখে নেই করোনা আতঙ্কের কুফল গুলোঃ
১. বিশেষ করে যারা ডায়াবেটিকস এর রোগী তারা লক ডাউনের কারনে পূর্বের মত রাস্তায় যত্রতত্র হাটতে পারবেন না। কারণ বিনা প্রয়োজনে ঘর হতে বের হওয়া নিষেধ।
আর নিয়মিত হাটতে না পারলে ডায়বেটিকস বেড়ে যাবে। তার সাথে সাথে অন্যান্য উপসর্গ দেখা দিতে পারে।
২. অনেক হার্টের রোগীও চিকিৎসকের পরামর্শে সীমিত পরিসরে হাটাহাটি করে থাকেন শরীরে রক্তের প্রবাহ ঠিক রাখার জন্য। লক ডাউনের কারণে তাদের হাটাহাটি ও বন্ধ। তাই তারাও একটা ঝুকির মধ্যে থাকবেন।
৩. সর্দি কাশি গলা ব্যাথা যে করোনা ভাইরাস এর কারণেই তা কিন্তু নয়। বরং বৃষ্টিতে ভিজা, ফ্রিজের পানি খাওয়া সহ অন্যান্য অনেক কারণেই হতে পারে। এই ধরনের উপসর্গ নিয়ে কোন রোগী হাসপাতালে গেলে তাদেরকে পরীক্ষা না করেই করোনা বলে সন্দেহ করে চিকিৎসা না করার সম্মূখীন হতে হবে। (বাস্তবে এমনটাই ঘটেছে) । তাই এই সময় যতটা সম্ভব বৃষ্টিতে না ভিজা, ফ্রিজের পানি না খাওয়া সহ যে সকল কারণে সর্দিকাশি, গলা ব্যাথা ও শ্বাসকষ্ট হতে পারে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।
৪. সরকারী বেসরকারী অনেক চাকরিজীবী যারা এমনিতেই অলস। আই মিন ৯ টার অফিস করেন ১১ টায় আর ৫টার অফিস শেষ করেন ৩টায়; এই ভদ্র অলস মহোদয়দের ঘুমের জন্য লক ডাউন এক বিরাট সুযোগ এনে দিয়েছে। অর্থাৎ আরেকটু অলস হতে সহযোগিতা করছে।
কারণ উনারা আগে ঘুম থেকে উঠতো সকাল সকাল। এখন এই সুযোগে ঘুম থেকে উঠবে সকাল ৯ টা ১০ টায়।
৫. আমি আল্লাহর উপর ভরসা করে বলতে পারি লক ডাউনের পরিস্থিতি দেশের জনসংখ্যা বৃদ্ধিতে এক বিরাট ভূমিকা রাখবে। যা আমাদের মতো দেশের জন্য একটি কুফল।
৬. ক্রয় ক্ষমতা হ্রাস পাবেঃ
করোনা পরিস্থিতির কারনে অঘোষিত লক ডাউনের ফলে মানুষ এখন কর্মহীন অবস্থায় গৃহবন্দী। ফলে যার হাতে যা টাকা পয়সা ছিলো সবই এখন খরচ হচ্ছে। কিন্তু উপার্জন হচ্ছে না একটা পয়সাও। তাই লক ডাউন পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হলে সাধারন মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমে যাবে। ফলে মানুষজন আগের চাইতে অনেক কম নগদ টাকা খরচ করতে পারবে। ফলে ব্যবসা ভালো না হলে বেসরকারি পর্যায়ে অনেক ব্যাক্তিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক ব্যাবসায়ী প্রতিষ্ঠান কর্মী ছাটাই করতে কিংবা বেতন কমানোর চেষ্টা করবে। ফলে মানুষের ক্রয় ক্ষমতা হ্রাস পাওয়ার সাথে সাথে বেকারত্ব বৃদ্ধি পাবে। যা চুরি ডাকাতি ছিনতাই বৃদ্ধি পাওয়ার একটি অন্যতম কারণ।
করোনা ভাইরাস যে শুধু মাত্র আতঙ্কের কারণ তাই নয়। বরং এর কিছু সুফলও আছে। তা হলোঃ
১. মানুষকে আল্লাহমুখী করতে এই ভাইরাল আতঙ্ক খুব কাজ করেছে। মানুষ আল্লাহকে ভুলে দুনিয়াদারী নিয়েই মশগুল ছিলো। করোনা আতঙ্কে মানুষের হুশ ফিরেছে। তাই এখন মসজিদ গুলোতে আগের চাইতে অনেক বেশি মুসল্লী দেখা যায়।
২. পরিবেশের উন্নয়নঃ একবার ছোটবেলায় বিজ্ঞান বইয়ে পড়েছিলাম মানুষ যখন পরিবেশের ভারসম্য রক্ষা করতে ব্যর্থ হয়, তখন পরিবেশ নিজেই নিজেকে রক্ষা করার উপায় বের করে। এটা বিজ্ঞানের কথা। আর আমার মত ধর্মপ্রাণ মানুষের কথা হলো সমস্ত কিছুই মানুষের হাতের উপার্জন বা কর্মফল। তাই সমস্ত বিপদ আপদ ও আল্লাহর নেয়ামত। আর তাতে ধৈর্য্যের সাথে রাজি খুশি থাকাই মুমিনের কর্তব্য। তাতে মুমিনের গুনাহ দূর হয়ে যায়।
তাই করোনার কারণে পরিবেশের ভারসম্য ফিরে আসছে। রাস্তায় যানবাহন চলাচল নেই মানে ধুলোবালি কম, নদীতে নৌচলাচল কম মানেই নদীর পানি দূষন হ্রাস পাওয়া। সার্বিকভাবে পরিবেশ দূষণ কমে যাওয়া ও পরিবেশের ভারসম্য পুনরায় ফিরে আসা।
৩.মানবিক গুনাবলীর বিকাশঃ
সমাজের যারা অর্থশালী মানুষ উনারা অসহায় মানুষের পাশে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে। ফলে মানুষ মানুষের পাশে দাড়ানোর একটা মূল্যবা সংস্কৃতি গড়ে উঠেছে। কারণ মানুষ একটা জিনিস উপলব্ধি করতে পারছে যে, মানুষের কর্মের মাধ্যমেই সে বেচে থাকে সারা জীবন।
৪.পরিবার কে সময় দেওয়াঃ এখনই সময় পরিবারকে ছেলে মেয়েদেরকে সময় দেয়ার। কর্মব্যস্ত জীবনে আমাদের মধ্যে বেশীর ভাগ লোকই পরিবার কে সময় দিতে পারতো না। লক ডাউন এর ফলে পরিবারকে যথেষ্ট সময় দিতে পারছে অনেকে বিশ্রাম ও করতে পারছে।
৫. স্বাস্থ্য সচেতনতাঃ করোনা ভাইরাস আতঙ্কে মানুষ এখন পূর্বের যে কোন সময়ের তুলনায় স্বাস্থ্য সচেতন বেশী। পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার দিকে খেয়াল রাখছে। যা মানুষের অভ্যাসে একটা সুদূর প্রসারী প্রভাব রাখবে।
আরো কিছু বলার ছিলো।
তবে আজ এতটুকু পর্যন্তই।
সবাই স্বাস্থ্য সচেতন থাকবেন, ভালো থাকবেন। আল্লাহ ও তার রাসুল সাঃ কে বেশী বেশী করে স্মরণ করুন।
আল্লাহপাক আমাদের এই বাংলাদেশ সহ নবী প্রেমিক অলি প্রেমিক উম্মতে মোহাম্মদীকে যাবতীয় বালা মুসিবত থেকে রক্ষা করুক।
আমিন।
আসুন দেখে নেই করোনা আতঙ্কের কুফল গুলোঃ
১. বিশেষ করে যারা ডায়াবেটিকস এর রোগী তারা লক ডাউনের কারনে পূর্বের মত রাস্তায় যত্রতত্র হাটতে পারবেন না। কারণ বিনা প্রয়োজনে ঘর হতে বের হওয়া নিষেধ।
আর নিয়মিত হাটতে না পারলে ডায়বেটিকস বেড়ে যাবে। তার সাথে সাথে অন্যান্য উপসর্গ দেখা দিতে পারে।
২. অনেক হার্টের রোগীও চিকিৎসকের পরামর্শে সীমিত পরিসরে হাটাহাটি করে থাকেন শরীরে রক্তের প্রবাহ ঠিক রাখার জন্য। লক ডাউনের কারণে তাদের হাটাহাটি ও বন্ধ। তাই তারাও একটা ঝুকির মধ্যে থাকবেন।
৩. সর্দি কাশি গলা ব্যাথা যে করোনা ভাইরাস এর কারণেই তা কিন্তু নয়। বরং বৃষ্টিতে ভিজা, ফ্রিজের পানি খাওয়া সহ অন্যান্য অনেক কারণেই হতে পারে। এই ধরনের উপসর্গ নিয়ে কোন রোগী হাসপাতালে গেলে তাদেরকে পরীক্ষা না করেই করোনা বলে সন্দেহ করে চিকিৎসা না করার সম্মূখীন হতে হবে। (বাস্তবে এমনটাই ঘটেছে) । তাই এই সময় যতটা সম্ভব বৃষ্টিতে না ভিজা, ফ্রিজের পানি না খাওয়া সহ যে সকল কারণে সর্দিকাশি, গলা ব্যাথা ও শ্বাসকষ্ট হতে পারে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।
৪. সরকারী বেসরকারী অনেক চাকরিজীবী যারা এমনিতেই অলস। আই মিন ৯ টার অফিস করেন ১১ টায় আর ৫টার অফিস শেষ করেন ৩টায়; এই ভদ্র অলস মহোদয়দের ঘুমের জন্য লক ডাউন এক বিরাট সুযোগ এনে দিয়েছে। অর্থাৎ আরেকটু অলস হতে সহযোগিতা করছে।
কারণ উনারা আগে ঘুম থেকে উঠতো সকাল সকাল। এখন এই সুযোগে ঘুম থেকে উঠবে সকাল ৯ টা ১০ টায়।
৫. আমি আল্লাহর উপর ভরসা করে বলতে পারি লক ডাউনের পরিস্থিতি দেশের জনসংখ্যা বৃদ্ধিতে এক বিরাট ভূমিকা রাখবে। যা আমাদের মতো দেশের জন্য একটি কুফল।
৬. ক্রয় ক্ষমতা হ্রাস পাবেঃ
করোনা পরিস্থিতির কারনে অঘোষিত লক ডাউনের ফলে মানুষ এখন কর্মহীন অবস্থায় গৃহবন্দী। ফলে যার হাতে যা টাকা পয়সা ছিলো সবই এখন খরচ হচ্ছে। কিন্তু উপার্জন হচ্ছে না একটা পয়সাও। তাই লক ডাউন পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হলে সাধারন মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমে যাবে। ফলে মানুষজন আগের চাইতে অনেক কম নগদ টাকা খরচ করতে পারবে। ফলে ব্যবসা ভালো না হলে বেসরকারি পর্যায়ে অনেক ব্যাক্তিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক ব্যাবসায়ী প্রতিষ্ঠান কর্মী ছাটাই করতে কিংবা বেতন কমানোর চেষ্টা করবে। ফলে মানুষের ক্রয় ক্ষমতা হ্রাস পাওয়ার সাথে সাথে বেকারত্ব বৃদ্ধি পাবে। যা চুরি ডাকাতি ছিনতাই বৃদ্ধি পাওয়ার একটি অন্যতম কারণ।
করোনা ভাইরাস যে শুধু মাত্র আতঙ্কের কারণ তাই নয়। বরং এর কিছু সুফলও আছে। তা হলোঃ
১. মানুষকে আল্লাহমুখী করতে এই ভাইরাল আতঙ্ক খুব কাজ করেছে। মানুষ আল্লাহকে ভুলে দুনিয়াদারী নিয়েই মশগুল ছিলো। করোনা আতঙ্কে মানুষের হুশ ফিরেছে। তাই এখন মসজিদ গুলোতে আগের চাইতে অনেক বেশি মুসল্লী দেখা যায়।
২. পরিবেশের উন্নয়নঃ একবার ছোটবেলায় বিজ্ঞান বইয়ে পড়েছিলাম মানুষ যখন পরিবেশের ভারসম্য রক্ষা করতে ব্যর্থ হয়, তখন পরিবেশ নিজেই নিজেকে রক্ষা করার উপায় বের করে। এটা বিজ্ঞানের কথা। আর আমার মত ধর্মপ্রাণ মানুষের কথা হলো সমস্ত কিছুই মানুষের হাতের উপার্জন বা কর্মফল। তাই সমস্ত বিপদ আপদ ও আল্লাহর নেয়ামত। আর তাতে ধৈর্য্যের সাথে রাজি খুশি থাকাই মুমিনের কর্তব্য। তাতে মুমিনের গুনাহ দূর হয়ে যায়।
তাই করোনার কারণে পরিবেশের ভারসম্য ফিরে আসছে। রাস্তায় যানবাহন চলাচল নেই মানে ধুলোবালি কম, নদীতে নৌচলাচল কম মানেই নদীর পানি দূষন হ্রাস পাওয়া। সার্বিকভাবে পরিবেশ দূষণ কমে যাওয়া ও পরিবেশের ভারসম্য পুনরায় ফিরে আসা।
৩.মানবিক গুনাবলীর বিকাশঃ
সমাজের যারা অর্থশালী মানুষ উনারা অসহায় মানুষের পাশে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে। ফলে মানুষ মানুষের পাশে দাড়ানোর একটা মূল্যবা সংস্কৃতি গড়ে উঠেছে। কারণ মানুষ একটা জিনিস উপলব্ধি করতে পারছে যে, মানুষের কর্মের মাধ্যমেই সে বেচে থাকে সারা জীবন।
৪.পরিবার কে সময় দেওয়াঃ এখনই সময় পরিবারকে ছেলে মেয়েদেরকে সময় দেয়ার। কর্মব্যস্ত জীবনে আমাদের মধ্যে বেশীর ভাগ লোকই পরিবার কে সময় দিতে পারতো না। লক ডাউন এর ফলে পরিবারকে যথেষ্ট সময় দিতে পারছে অনেকে বিশ্রাম ও করতে পারছে।
৫. স্বাস্থ্য সচেতনতাঃ করোনা ভাইরাস আতঙ্কে মানুষ এখন পূর্বের যে কোন সময়ের তুলনায় স্বাস্থ্য সচেতন বেশী। পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার দিকে খেয়াল রাখছে। যা মানুষের অভ্যাসে একটা সুদূর প্রসারী প্রভাব রাখবে।
আরো কিছু বলার ছিলো।
তবে আজ এতটুকু পর্যন্তই।
সবাই স্বাস্থ্য সচেতন থাকবেন, ভালো থাকবেন। আল্লাহ ও তার রাসুল সাঃ কে বেশী বেশী করে স্মরণ করুন।
আল্লাহপাক আমাদের এই বাংলাদেশ সহ নবী প্রেমিক অলি প্রেমিক উম্মতে মোহাম্মদীকে যাবতীয় বালা মুসিবত থেকে রক্ষা করুক।
আমিন।





0 Comments: